Navigation Menu+

প্রাকৃতিক পৃথিবী

Posted on Aug 26, 2019 by in Bengali, Stories | 0 comments

ছেলে-মা অনেক দিন পর বাড়ীতে এসেছি গ্রামটা একটু ঘুরে আসি মা।মা-যাও বাবা তারা তারি আশিস । তোর জন্য বিকালের নাস্তা বানাইয়া রাখি তুই তারা তারি
আসিয়া গরম গরম খেয়েনিস । শিশির-ঠিক আছে মা । (গ্রামে হাঁটিয়া দেখিতেছে । এমন সময় দেখিল একটি পুকুর)
(শিশির-নিস্তব্ধ নৈ সর্গ মন মিতালি প্রাকৃতিক ভরপুর অপরূপ আমাদের পল্লি গ্রামটি ।
ছোট ছোট টিলা মতন ঘড় বাড়ী ,বাড়ী পাসে ঝিল ও পুকুর ।
ছোট ছোট ছেলে মেয়েরা বল নিয়ে পুকুরে পারে খেলা করিতেছে ,কেউ
বা পুকুরে হোল ডুবানি খেলিতেছে ,কেউ বা গাছের উপর থেকে ডিগবাজি
খেতে খেতে পানিতে ঝাঁপিয়ে পড়িতেছে, কেউ বা মাছ ধরিতেছে, বা কি
সুন্দর চমৎকার দুই নয়ন জুড়ানো আমাদের পল্লি গ্রামের প্রতিভা ।
দুপাশে গহিন নৈ স্বর্গ অরণ্য মধ্যে পদ চলিত পথ
প্রাকৃতিক সবুজ শ্যামল আমাদের পল্লি গ্রামের দৃশ্য।
ছয় ঋতু প্রাকৃতিক ভরপুর রূপসী শান্তিময় পৃথিবী স্বর্গ আমাদের পল্লি গ্রাম।।।)
ফরিদ -(ফরিদ শিশির হাত মিলালো)শিশির কেমন আসত রে বন্ধু ?অনেক দিন পর আসা হলো বন্ধু ।শিশির-ভালো বন্ধু ।হ্যাঁ বন্ধু অনেক দিন পরে আসা হলো ।তুই
কেমন আসত রে?
ফরিদ-ভালো ।বন্ধু চল তকে গ্রাম ঘুরিয়ে দেখাই ।শিশির-চল বন্ধু তোর সাথে দেখা হলো ভালই হলো । দুই বন্ধু মজা করিবো আর গ্রাম দেখিবো । ফরিদ-শহরে বাসিন্দা
তদের পঁয়সা ও আছে কয়টা প্রেম করসত সত্য কথা বলবি । আর যদি না বলতে চাস বলিস না ।মিথ্যা বলার কোন দরকার নাই। ।শিশির-ফরিদ থাম ঐ বাড়ী দাদা
আসিতেছে।
দাদা ছালাম কেমন আছেন ?দাদা-অলাইকুম ছালাম ভালো। নাতি তুমি কেমন আছো ?অনেক দিন পরে আসিলে আমাদের ভুলে গেছো ।শিশির-ভালো দাদা। না দাদা ভুলিনাই ।
পড়ালেখা নিয়ে
ব্যস্ত থাকি সব সময় ।তাই আসা হয় না । দাদা-আমাদের বাড়িতে বেড়াতে এসো । শিশির-আচ্ছা দাদা ।শিশির-বন্ধু তুই প্রেমের ব্যাপারে অনেক এড বাচ । মেয়েদের
জুতা খাওয়া
দরকার নাই আমার । তবে ছেলে/মেয়ে কিছু বন্ধু আছে প্রেমিকা বা মনের মানুষ এখনো পাই নাই ।কখনো খুঁজি নাই। ফরিদ তুই মেয়েদের কি মনে করিস?চুপ । চাচা
ছালাম কেমন
আছেন?চাচা-অলাইকুম ছালাম ভালো। তুমি কেমন আছো?শিশির-ভালো। ফরিদ- প্রেম করিতে হলে মেয়ে খুঁজিতে হয় না।আপনে আপ হয়ে যায়।ছেলে/মেয়ে কি
সুধু বন্ধু হয় ।
মদের দোকানে দুধ খাওয়া এটা কি কেউ বিশ্বাস করবে । এই বন্ধুত্ব নিয়ে শহরে হাজারো ঘটনা ঘটে । শিশির-দুষ্ট লোকের দুষ্ট চিন্তা ভদ্রলোকে মানইজ্জত যায় ।
বন্ধু বানানো
আগে জেনে নাও ।কার সাথে বন্ধু করিতেছ সে কি চায় । তাহলে কোন বিপদে পরি বানা । ফরিদ আগে বলছিলাম মেয়েদের তুই কি মনে করিস। এটা তর মনের
উপর নিভর
করে। কোন মেয়েকে ধোঁকা দিবি ।না কাউকে ভালোবেসে জীবন কাটাবি । তুই কাউকে ধোঁকা দিবি সে মেয়েটা জীবন নষ্ট হয়ে গেলো এটা কি চিন্তা করিয়া দেখিছি ।
সে মেয়ে অবশই মন থেকে বদদোয়া দিবে আজ নয় কাল বদদোয়া ভোকতে হবে । মনে কর এই ঘটনা তর আমার বোনের সাথে হয় তাহলে তুই বা আমার তখন
কি মনে হবে ।এই চুপ। বড়ভাই ছালাম। কেমন আছেন ।ভাই- অলাইকুমছালাম ভালো তুমি শিশির না ?ভালো আছো ?পড়ালেখা শেষ প্রজায় না আরো করিবা
?শিশির-ভালো ভাই বি এ পরীক্ষা শেষ করিলাম ।ভাই-আমাদের বাড়িতে বেড়াতে এসো ।শিশির-ঠিক আছে আপনে আমাদের বাড়িতে আসিবেন । ফরিদ-হ্যাঁ যে
মেয়ে নির্লজ্জা কথা বলে বুঝা যায় । নির্লজ্জদের সাথে কথা বলে ভদ্রলোকের সমমান যায় । অনেকে না জেনে বুঝে ভালোবাসে পরে হাজারো প্রশ্ন নের মোক্ষ মুখি
হতে হয় । শিশির-এই চুপ পুক পাড়ার কাকী না ।ফরিদ-হ্যাঁ ।শিশির-কাকী ছালাম ।ভালো আছেন ।কাকী-অলাইর্কুম ছালাম ভালো বাবা । তুমি কেমন আছো বাবা
। শিশির-ভালো ।মুক্তা-ছালাম ভাইয়া ।ভালো আছেন । শিশির-অলাইর্কুম ছালাম । ভালো । বোন তোমাকে চিনতে পারি নাই ।কাকী-বাবা আমার মেয়ে মুক্তা তোমার
বোন ।শিশির-ও তোমাকে অনেক দিন পরে দেখিলাম তাই চিনতে পারিনাই । তুমি তো এখন বড় হয়ে গেছো ।কোন ক্লাসে পড়ো ?মুক্তা-কলেজে পড়ি । কাকী-আচ্ছা
বাবা আমাদের বাড়িতে এসো। শিশির-ঠিক আছে কাকী । শিশির-ফরিদ ঐ জায়গা একটা বড় বটগাছ ছিল । ফরিদ- হ্যাঁ চেয়ারম্যান বিক্রি করে দিয়েছে । শিশির-চল
বাড়ী ফিরে যাই । ফরিদ-চল আমদের বাড়ী যাই । শিশির-চল কাকা/কাকী সাথে দেখা করিলে ভালই হবে। কাকা ছালাম । কেমন আছেন। কাকা-অলাইর্কুম সালাম
ভালো বাবা ।তুমি হাশেমের ছেলে শিশির না ।শিশির-হ্যাঁ কাকা । কাকা- আসো আসো বসো ।তুমি বি এ পরীক্ষা দিয়েছো না। শিশির-হ্যাঁ কাকা এইতো পরীক্ষা শেষ
করে আসিলাম । কাকা-এখন কি আরো পড়ালেখা করিবা না চাকরি করিবা ।শিশির-কয়েকটা দরখাস্ত করছি চাকরি জন্য।ভালো চাকরি পাইলে চাকরি করিবো ।
আর এ মে পড়িবো । চাকরি না পেলে এ মে পড়িবো ।কাকী ছালাম । কাকী-অলাইকুম ছালাম ।কেমন আছো বাবা । শিশির-ভালো কাকী । আপনে ভালো আছেন
।কাকী-ভালো বাবা । অনেক দিন পরে আসিয়াছো বসো বাবা আমি চা নাস্তা নিয়ে আসি সবার জন্য । (চা নাস্তা খাওয়া শেষ)শিশির-ফরিদ চল আমাদের বাড়ীতে
বসে গল্প গুজব করিবনে । ফরিদ-চল। শিশির-কাকা/কাকী আজকে আসি । কাকা-আবার এসো ।(দুজন মিলে হাঁটা সুরু করিল)শিশির- ফরিদ তুই কি আরো
পড়ালেখা করবি না চাকরি করবি । ফরিদ-বিয়ে আর চাকরি পেলে চাকরি ,চাকরি না পেলে বিয়ে করিবো । শিশির-চাকরি আগে না বিয়ে আগে ।ফরিদ-কিছু তো করিতে
হবে বিয়ে না হয় চাকরি ।যেটা আগে মিলে ।শিশির-তা হলে অনেক আগে থেকে প্রেম প্রেম চলিতেছে মনে হয়।ফরিদ-এক দের বৎসর হবে ।শিশির-ভালো ভালো
কে তিনি?
(যে করে প্রেম ভালোবাসা সে বাঁধে হৃদয়ে বাসা ।
হৃদয় হৃদয় লাগে ছোঁয়া জ্বলে প্রেমের প্রদীপ,
প্রদীপের মিট মিট আলোতে আলোকিত হয় তাদের বাসা ।
তারা ভেসে বেড়ায় দুনিয়াতে প্রেমের ভেলায়)।
ফরিদ-বা বা কি চমৎকার ছন্দ
(প্রেম প্রেম মধুর চেয়ে মিষ্টি, বোম্বাই মরিচের চেয়ে ঝাল ।
মধু বেশি খাইলে ডায়াব্যডিস হয় ।
বোম্বাই মরিচ বেশী খাইলে সকালে টয়লেটে আইসক্রিম
সাহারা নিতে হয়। বন্ধু বুঝে সুনে ।)
শিশির-তাহলে তর কি ডায়াব্যডিস হইছে ?
ফরিদ- খাওয়ার সময় দেখে বুজে নেও বন্ধু । তবে মাঝে মধ্যে প্রেম প্রেম ভালবাসা মাখিয়ে আদর করে বোম্বাই মরিচ বেশী বেশী করে খাওয়াদেয়, টের পাওয়া যায় না ।না
যায় কারো
কাছে বলা, না যায় সসজ্জ করা, যখন টয়লেটে যাই নিতে হয় আইসক্রিমের সাহারা ।বুঝিসত বন্ধু বুঝিসত যা করো বুঝে সুনে আচ না হয় কাল এরায়ে যাইতে
পারবানা কোন দিন ।
ফাঁদে পরতে হবে । আজ না হয় কাল ।শিশির-হ্যাঁ হ্যাঁ হ্যাঁ ভালো ভালো ।ফরিদ-এই তদের বাড়ী এসে গেছি ।মা-আসো বাবা, বসো বাবা একটু বিশ্রাম নেও বাবা,
ফরিদ বাবা তুমিও বসো । তোমরা একটু বিশ্রাম নিয়ে হাত মোক্ষ ধুয়ে আসো,আমি তোমাদের জন্য চা নাস্তা নিয়ে আসি । শিশির-এখন না মা। ওদের বাড়ীতে খেয়ে
আসিয়াছি ।মা- বাবা কি খেয়ে আসিয়াছোত তা কি আমি দেখেছি ।(বাহিরে বা হোটেলে খাবারে না পেট ভরে না সরিলে লাগে। সুধু মনে খুশী তাছাড়া আর কিছু না।
হোটেলে কি দিয়ে রান্না করে হাত মোক্ষ ধুয়েছে কি না।ভালো মন্দ কিছুই দেখে না কেউ। সু রুমে নাইছ সাইনি চেয়ার টেবিলে বসে ফুর্তি করে খাওয়া।) তাছাড়া অনেকটা
পথ হেঁটে আসিয়াছ তো । এখন তো খেতে পারবা । আমি ছিতরুটি বানাইয়াছি তোর জন্য ।অনেক ভালো করে বানাইয়েছি। (দুজন হাত মোক্ষ ধুয়ে আসিলো ।)মা-
এই নেও ছিতরুটি পাতার ক্ষিসা, চা নিয়ে আসছি।তোমরা সুরু করো। চা খাওয়া শেষ।শিশির-মা বসো আমাকে একটু বোকে নাও ।মা-আয় বাবা । তোর কি হয়েছে
।শিশির-না মা কিছুই হয় নাই ।অনেক দিন পর তোমার হাতের আদর দোয়া পেলাম তাই ।
(শিশির-আসমানের চাঁদ তুমি দুরে আছো দুরে থাক।
আমার হৃদয়ে বসে আছে পূর্ণিমার চাঁদ।
চাঁদ তোমার চেয়ে অধিক সুন্দরী ,হাজার
গুনে গুণবতী,বলে বুঝানো যাবে না কখনো।
দুনিয়ার চেয়ে মূল্যমান অতুলীনিয় স্রষ্টা সেষ্টো
সৃষ্টি অপূর্ব সুন্দরী আমার পূর্ণিমার চাঁদ ।
আসমানে চাঁদ লুকিয়ে যায়,পৃথিবী আঁধার হয়ে যায় ।
চাঁদ তোমার এক পাসে আঁধার আরেক পাসে আলো ।
আমার পূর্ণিমার চাঁদ মুক্ত চাঁদ যেখানে থাকে
সেখান থেকে আমাকে মিষ্টি মিষ্টি হাঁসি, মিঠা মিঠা
হাঁসিতে মিঠা মিঠা আলোতে আলোকিত রাখে সর্বদায়।
আমার পূর্ণিমার চাঁদকে বলি যুগ যুগ ধরে থাকো আমার
হৃদয়ে, হৃদয়ে ভালোবাসা শ্রদ্ধা দিব যুগ যুগ ধরে।
পালন করিবো তোমার আদর্শতা, ভুলাবো দুঃখ বেদনা ।
পূর্ণিমার চাঁদ আর কেউ না সুধু তুমি সুধু তুমি মা।
আমার মা আমার মা সুধু তুমি আমার মা মা মা ।।।। )
(পরে দিন বিকালে একা গ্রাম ঘুরিতেছে সন্ধ্যা হলো চান উঠিল )শিশির-এই অনেক দিন পর রাতে গ্রামে ঘুরিতেছি। বা কি চমৎকার রাত্রি নিস্তব্ধ প্রাকৃতিক দৃশ্য
।মিঠা মিঠা চাঁদের আলো ।হালকা হালকা হাওয়া অপূর্ব ,গ্রামের তুলনা নাই । ঐটা তো বাঘ বাড়ী । যাই দেখে আসি । বা কি চমৎকার সেই আগের ছোট বেলার
সেই দৃশ্য । আম জাম কাঁঠাল গাছ । দেখিতো ঐ দিকে কাউ ফল গাছ আছে কিনা । আছে আছে । বা কি সুন্দর পুকুর তিন দিকে সুপারি গাছ চার কোনে নারিকেল
গাছ । সামনে দিকে নারিকেল গাছ মধ্যে খানে পাকা ঘাটলা । তাল গাছ আছে । পুকুরে পানি একটু নেরে আসি । বা কি সুন্দর পুকুরের অপূর্ব রূপ ।চারো দিকে
গেন্দা ফুলে সারি সারি, আয়নার মতন পরিষ্কার পানি ।মৃদু হাওয়া হালকা দোলাচ্ছে পানি । আ আজকে যদি আমার বউ থাকতো কি মজা না হতো । দুজন মিলে
রোমাঞ্চের সাথে সাঁতার কাটিতাম । কতো না কলরব করিতাম, ঘাটলায় বসে চা টা খেতাম । কি না মজা লাগতো চায়ের ।এই মধুময় সময় ।ও আমার প্রাণ পাখি
তুমি কোথায় লুকিয়ে গিয়ে বসে আছো । এসো এসো প্রাণ পাখি আর কত দিন । এসো এসো তুমি বিনা মধুময় সময় মধুময় না সুধু শূন্যতা সুধু শূন্যতা ।
আমি আছি তোমার অপেক্ষায় । এই আমার কি হয়েছে ।আচ্ছা দেখিতো আমার কাছে কাগজ আছে কি না। আছে আছে।দুটো নৌকা বানায়ে পানিতে ছেরে
দেই।একটা আমার ।একটা আমার প্রাণ পাখির নামে ।পবনের নৌকা বা চমৎকার পানিতে ভেসে যাচ্ছে ।
(ও আমার পবনের নৌকা ভাসিয়ে দিলাম প্রাণ পাখি নামে।
দেখা হলে সন্দেশা দিও আমার প্রাণ পাখিরে ,আর কত
দিন লুকিয়ে থাকবে আড়ালে,পবনের নৌকা চড়ে এসো
আমার হৃদয়ে,হবে একদিন দেখা, বাসবে ভালো হবে জীবন
সাথী, তবে আজকে কেন নয় প্রাণ পাখি আজকে কেন নয়।
এই নিশিতে দুষ্টামি মিষ্টি হাঁসিতে মধু ঝরাবে এই মধু ভুবনে ।
এই মধু ভুবনে তোমারি মধুর হাঁসি, চাঁদের হাঁসি ,
আমারি বংশী বাঁশি সুরে সুর মিলে বিলীন হয়ে যেতাম আমি ।
এই মধুময় সময় মধু ভুবন মধু আছে, চাঁদের হাঁসি আছে ,সুধু
নাই তুমি তোমার হাঁসি ,বিলুপ্ত হয়ে গেছে আমার বংশী বাঁশির সুর ।
আমারি মন আমাকে ছেড়ে তোমাকে খুঁজে বেড়ায় ফুল কলিতে।
এসো এসো প্রাণ পাখি, পবনের নৌকা চড়ে ।তোমাকে দিব
আমি মধু ভুবনে মধু, চাঁদের হাঁসি, গেন্দা ফুলের সুবাস সৌরভ,
আয়নার মতন ঝক ঝকে পরিষ্কার পানিতে পবনে নৌকা আমার
বংশী বাঁশি সুর।
আরো দিব আমার খত বিক্ষত হৃদয় ।পবনের পালতোলা নৌকা
করে ঘুরে বেড়াবে এই মধুময় সময় এই মধু ভুবনে ।
এই মধুময় সময় চলে গেলে আর আসবে না আর ।।।।।)
এই আমার কি হয়েছে একা একা বুল বুল করিতেছি।মানুষে শুনিলে পাগল বলিবে। না অনেক হইছে এইবার বাড়ীতে চলে যাই ।( বাড়ী যেয়ে দেখি ঢাকা থেকে
চিঠি আসছে চাকরি ইন্টার্ভিউর দুদিন পরে )।মা মা । মা-কি ব্যাপার । শিশির-কালকে ঢাকা যেতে হবে । চাকরি ইন্টার্ভিউর পরশুদিন । মা-(চোখের পানি ছেরে দিলো)
এইতো তুই আসলি কালকে চলে যাবি । তুই তো দুচার দিন বেড়াতে পারলি না । ভালোমন্দ কিছুই খাওয়াতে পারলাম না । আমার ছেলে বড় তো হয় নাই, তবে পর
হয়ে গেছে ।শিশির-(ঢাকা যাওয়ার সময় মাকে বলিল)মা আমি পরশুদিন ইন্টার্ভিউর শেষে বাড়িতে আসিবো চিন্তা করিয়েন না । (ইন্টার্ভিউ দিন সকালে চা নাস্তা
খেয়ে চিন্তা করে আজকে ভালো সার্ট প্যান্ট পরে যেতে হবে।কোনটা পড়িবো এই আঁকাসি রঙের শার্ট আর সাদা মধ্যে সবুজ ড্ররা জিনসের প্যান্ট পরি) (ইন্টার্ভিউ
শেষে বাহিরে এসে চিন্তা করিলো অনেক ক্লান্ত হয়ে গেছি সামনে ঐ রেস্তোরায় যেয়ে কিছু খেয়ে বাড়িতে চলে যাই ,মা আমার জন্য অপেক্ষা করিতেছে ।( হোটেলে
যাওয়ার পর হঠাৎ একটা মেয়ে বসা ছিল একটা কোঁকা-কলার খেতেছিল।কোঁক রেখে আমার কাছে এসে আমাকে জরায়ে ধরিলো) শিশির-(মনে মনে বলিল)হুওঁ
আট দ্যা হ্যাল । নিশি-(আস্তে আস্তে বলিল)আমার স্বপনের রাজ কুমার পেয়ে গেছি । আর কিছু চাই না জীবনে তোমার সাথে এক সাথে বাকি জীবন পারি দিবো ।
শিশির-(মনে মনে বলিল এ কোন ধাঁ ধাঁ পরিলামরে বাবা । এখন উপায় কি ? মেয়েটা কি ধোঁকা খাইতেছে না তো, অভিনয় করে আমাকে বিপদে ফেলিবে ।কিছুই
তো বুঝা যায় না ।আল্লা জানে আমার কি যে হয় । দেখি মেয়ে কি করে ।)এই আমাকে ছারো সবাই দেখিতেছে ।( মেয়ে ছেরে দিল)ওখানে বসো আমি k f cনিয়ে
আসিতেছি । এ মে ড্যাম আমাকে দুটা কোয়াটার প্যাক দুটা কোলসো দিন তো । মে ড্যাম হাঁসিলো আচ্ছা দিচ্ছি । এই নেন । ধন্যবাদ মে ড্যাম। মে ড্যাম-স্বাগতম ।
(k f cনিয়ে দুজন এক সাথে খাওয়া শুরু করিল) নিঁশি- হাতে নিয়ে শিশির মোক্ষে দিলো।শিশির-এই নাও। নিশি -(মনে মনে বলিল এ ইডিয়েট আমার
ভালোবাসার ফুল কই?) (এমন সময় একটা ছোট মেয়ে অনেক গুলো ফুলের তোরা নিয়ে ঘুরে ঘুরে ফুল বিক্রি করিতেছে)(মেয়ে-।।। যার মন সাদা তার মনে
আছে ভালোবাসা । ভালোবাসার সৌরভ গোলাপে সৌরভ মিলিয়ে উপহার দিন, হৃদয় হৃদয় মিলে ভালোবাসার রঙিন ভুবনে বাঁধিবে বাসা ।যার মনে আছে
আসা এই গোলাপে তোরা উপহার দিয়ে বাঁধেন গোলাপ ফুলের মতন সৌরভ গোলাপের মতন রঙিন ভুবনে বাসা ।)শিশির-এই মেয়ে এদিকে আসো । মেয়ে-
জি সার। শিশির-এই ফুলের তোরাটা দেখিতো । মেয়ে-নেন সার এইটা অনেক টাটকা তর তাজা অনেক ভালো।শিশির-এই মেয়ে এই নেও টাকা ।মেয়ে-
ধন্যবাদ আপনের ভালোবাসা মঙ্গল হোক সার ।শিশির-প্রথম দেখাতে আমার হৃদয় আমাকে ছেরে তোমার কাছে চলে গেছে এই ফুলের তোরা গ্রহণ করে
তোমার হৃদয় দিয়ে আমার শূন্য হৃদয় পুড়ন করে দিলে ধন্য হবো তোমার কাছে । নিশি-আমি তোমার ফুলের তোরা নিয়ে তোমাকে গ্রহণ করিলাম ।এই নাও
আমিও ফুলের তোরা দিলাম প্রথম দেখায় তোমাকে আপন করেছি। চিরদিন আপন করে রাখিবো হৃদয়ে । এই লিটন পিছিলার কাছে হাজার কথার খবর পাঠাইয়াছ
। পিছিলা আমাকে বলতো আমার কথা শুরু হলে থামিতা না বলতে থাকিতা বলতে থাকিতা । এখন সামনে এসে গেছি এখন দেখছি কথা বন্ধ হয়ে গেছে ।
কেনো এখন আমাকে আর ভালো লাগেনা । শিশির-তোমাকে ভালোবাসি ভালো বাসবো মরণের দম তক। (মনে মনে বলিল ও আল্লা অপারেশন সাকসেস ফুল
বাট উল্টা বেচারা তো গেছে কামছে ।)শিশির-তোমাকে দেখে লজ্জা লজ্জা পাইতেছি তা ছারা আমি নার্ভাস হয়ে গেছি ।নিশি চলো ঐ যে ঐখানে পার্কে একটা
গাছ দেখিতেছ না ওখানে বসে মুক্ত হাওয়াতে বসে খাবনে আর কথা বলবো।(মনে মনে বলিল মেয়েটা তো সুন্দর কথা বারতা তো ভালই দেখি কোথাকার পানি
কোথায় জমে । জলদি ভাগ তা না হলে বেচারা আসিয়া দেখে হাইরে সর্বনাশ মাইরের অভাব পরবো না । দেরিতে বাস ফেল করিয়াছে আপন জন পরের হইয়া
গেছে।)নিশি-ঠিক আছে চলো। অনেক মজা হবে ।শিশির-(মনে মনে বলিল এখন তো মজা হবে ।যখন জানতে পারবে তুমি যাকে ভালোবাসা সে লোক আমি না।
একজনে ইতিহাস আমার চেহারা। তখন কি হবে? নিশি পরিবার বা নিশির সম্পক্ষে কিছুই জিজ্ঞাসা করা যাইব না তা হলে ধরা খাইয়া যাব । নিশি আমার সম্পক্ষে
কোন প্রশ্ন না করে তাহলে ভালো। কিছু ভাব জমায়ে ভালো মানুষ হইয়ে তার পর সব খুলে বলিব ।নিশি তো আমারে দেখে ভালোবাসে নাই ।তবে কি আমার মতন
রঙের পেন্ট শার্ট পরে আসতে বলছে ওকে।)নিশি এখানে বসো ।নিশি-হ্যাঁ এই যায়গাটা খুব সুন্দর । অনেক বড় গাছ ।শিশির-
পথ প্রান্তে ছাতা মেলে রেখেছ তুমি বটবৃক্ষ ।
বটবৃক্ষ তুমি ডানা মেলে উঁকি দিচ্ছ আকাশে ।
বটবৃক্ষ বটবৃক্ষ তুমি পথিকের পথের নিশানা ।
তাইতো তোমাকে দুর দূরান্তে থেকে দেখে
পরিচয় পাওয়া যায় প্রকৃতি অপার্র সৌন্দর্য ক্লান্তি
দুর করা ভর দুপ্রখরে শান্তি ও স্বর্গো বাস ।
তাইতো পথিকের দুর থেকে পরে দৃষ্টি নন্দন ।
প্রাণে জাগে শান্তির ছুঁয়া এইতো আরেক টুকু
সময় বটবৃক্ষে নিচে নিব আমি বিশ্রাম ,করিবো
ক্লান্তি দুর মিলবে স্বর্গো সুখ ।
হাজার হাজার বৎসর ধরে আছো তুমি, দিচ্ছ
তুমি পথিকে ছায়া, চুষে নিচ্ছ তুমি ক্লান্তি দিচ্ছ শান্তি ।
বটবৃক্ষ তুমি দুনিয়ার কার্বনড্রাই অক্সাসাইড খেয়ে
অক্সসিজেন দাও ।
কতো কপত কপতি মনের কথা শুনো তুমি ।
কতো জানা অজানা পথিকে দুঃখ সুখের কথা
তোমার বটবৃক্ষ মুলে বসে বলে যায় , সব কথা
তুমি তোমার পেটে রেখে দাও, তুমি কোনদিন
কারো কাছে মোক্ষ খোলনা ।
তুমি জেনেও জানোনা বুজেও বুজনা ।
পথিক তোমাকে কোনদিন জানতে ও পারেনা ।
তুমি জানা অজানা পথিকে আপন করে ছায়া
ও হিমেল হাওয়া দাও তোমার কৃপায় ধন্য পথিক ।
প্রকৃতির সুন্দর্য্য স্মৃতির সুদ্ধ পথিকের উপকারী বটবৃক্ষ তুমি ।।।।।
নিশি-বা অনেক চমৎকার লাগলো । তুমি খুব সুন্দর কবিতা বলিয়াছ ।তুমি এতো ভালো। আমার অনেক ভালো লাগিল । ধন্যবাদ ধন্যবাদ । শিশির-স্বাগতম স্বাগতম ।
তোমার কাছে ভালো লাগিয়েছে আমি শুনে ধন্য হলাম ।নিশি-আর ভালো ভালো কি জানো ।শিশির-এইতো প্রথম দেখা ।এখন থেকে প্রতিদিন দেখা হবে আমাকে
জানতে পারিবে।তোমার বন্ধু মহলে পরিচিত করিলে সরম পাইবানা কোনদিন।নিশি-লিটন তোমার কোন খেলা ভালো লাগে?শিশির-আমার ডাক নাম শিশির ।তুমি
শিশির বলে ডেকো ।আমার প্রিয় খেলা ফুট বল আবাহানী। তোমার? নিশি-আমার নাম তো জানো নিশি।হাসিল আমার ও ফুট বল আবাহানী ।শিশির অবসর
সময় কি ভাবে সময় কাঁটাও ?শিশির-গল্পের বই পড়িয়া সময় কাঁটাই। নিশি-তুমি তো চাকরি করো । শিশির-(মনে মনে বলিল এই গিয়া কামছে) ।হ্যাঁ চাকরি করি
আর পড়ালেখা করিবো এ মে । নিশি-বা ভালো ভালো পড়ালেখা করো চাকরি ও করো । তুমি তো অবসর সময় অনেক কম পাও । শিশির-(বাইচা গেছি) ।
তোমার কোনো অসুবিধা হবে না তোমার জন্য সময় করে নিবো ।
নিশি-(শৈশব কাঁটিয়ে আসা নিয়ে বসে আছি ,
পোষের প্রচণ্ড শীতে চন্দ্রমা চোখের জলের নিশিতে
শিশির মিলবে ।নিশিতে শিশির মিলে রঙে রঙে সাত রঙের
(সরিষা ফুল কলই ফুল মুষড়ি ডালে ফুল দূর্বাঘাস ফুলে)
উপরে চন্দ্রমা জ্যোৎস্না মেখে নিশির শিশির
ভালোবাসার মেলা মিলাবে ।)
শিশির-সত্যি বলছো তো । নিশি- হ্যাঁ সত্যি নিশি+ শিশির কেউ কোনদিন আলাদা করিতে পারে নাই, কেউ পারবে না। ভুলেও বাস
ফেল করিবো না ।বিয়ের চলন নিয়ে সবার আগে পৌঁচিয়া যাবো ।কখনো ভুল করিবো না । কারণ কি জানো? নিশি-কি?শিশি-জীবনে প্রথম মধু ভুবনে এসে মধুর ছোঁয়া পেলাম ।
কি সুন্দর মধুময় সময় তোমাকে নিয়ে কাটাইতেছি । মনে মন মিলে গেছে মধুময় সময় কি ভাবে কাঁটিয়ে যাচ্ছে বুঝা যায় না । তার প্রমাণ আমাদের দেখো ।নিশি-
সত্যি বলছো তো ।শিশির-হ্যাঁ সত্যি সত্যি। নিশি-তোমার ভবিষ্যতে কি চিন্তা ভাবনা ?শিশির-চাকরী আর তোমারে বিয়ে করে সুখে সংসার করা আর কি। কি তুমি আমার
সাথে সংসার করিতে ইচ্ছা আছেতো ? নিশি-তুমি তো পরে ভুলে যাবা নাতো। শিশির-ভুলেও বাস ফেল করিবো না তোমাকে বিয়ের কথা ভুলবনা কসমসে। আজকের
দিনটা আমার জীবনে ইতিহাসে লেখা থাকিবে ।কখনো ভুলার মতন না ।নিশি-আমিও কখনো ভুলিতে পারিবো না ।আজকে দিনটা স্মরণীয় হয়ে থাকবো । ও মা অনেক
সময় হয়ে গেছে মা চিন্তা করিবনে কখনো একা বাহির হইনাই । শিশির-তোমার ফোন নাম্বারটা কি যেন । আমি হারায়ে ফেলেছি । নিশি-হ্যাঁ হ্যাঁ আমি নাম্বার কখনো দিয়েছি।
নাম্বার চাও ভালোকথা ঘুরায়ে ফিরায়ে বলার কি দরকার ।এ নাও । তোমারটা দেও ।শিশির-এই আমারটা ।ফোন নাম্বার দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ ।নিশি-তোমাকে ও অনেক
অনেক ধন্যবাদ । এই ফোন নাম্বার দিয়ে কি করিবা ।মোহাম্মদপুর আমার বাসার গলির পাসের গললির তোমার বাসা দেখা তো হবে । এখন চলি ।শিশির-চলে যাবা। নিশি-
অনেক সময় হয়ে গেছে। কি বিদাই দিতে মনে চায় না
।শিশির-বুঝ যখন আর একটু সময় দেও।নিশি-ঠিক আছে । আর বারণ করিওনা লক্ষ্মীটি।শিশির-ঠিক আছে আল্লা হাফেজ ।আবার দেখা হবে ।নিশি-আল্লা হাফেজ
আবার দেখা হবে ।ভালো থেকো । শিশির-তুমিও ভালো থেকো ।(নিশি যাওয়ার পর)শিশির-অবুঝ মেয়ে অনেক মন ভুলানো কথা বলিলাম । নিশির মোহাম্মদপুর
বাসার গললির পাসের গললি শান্তিনগর আমার গললি । যাক আজকে রাতে ফোন করে সব কিছু খুলে বলে দিবনে ।)যাই দেখি বেচারা কি অবস্থা । (হোটেলে
বাহির থেকে দেখে )এই আমার মতন একই রঙের পেন্ট শার্ট ঠাণ্ডা কোঁকো-কলা নিয়ে মলিন মোক্ষ, চোখে টলমল করছে পানিতে এক বন হস্তি বসে আছে একা ।
কি বন হস্তি দেরিতে বাস ফেল করিলে এমন হয় । এক দুই যুগ পরে যদি নিশির সাথে দেখা হয় মা বলে ছালাম দিছ। বসে বসে ঠাণ্ডা কোঁক আর পানি খাইয়ে
মনের লাভা একটু ঠাণ্ডা করে রাখো । লাভার আগুনে নয়ন জুরে টলমল করিতেছে গরম পানিতে । এই মা তো আমার জন্য অপেক্ষা আছে । sorry মা আর কটা
দিন অপেক্ষা করো। একটা ফোন দেই ।হ্যালো মা আসছালামোআলাইকুম মা আমি শিশির । মা-আলাইকুম ছালাম। তুই কেমন আছত ।তোর ইন্টার্ভিউ কেমন
হইছে । শিশির-আমি ভালো মা।ইন্টার্ভিউ ভালো হয়েছে মা । মা আজকে দেশে আসিতে পারবনা । আরো দুই তিনটা ইন্টার্ভিউ আছে মা । কিছুদিন পর আসিবো
।মা- বাবা তুই কি করছস কি খাস কিছুই তো জানিনা দেখিনা যাক ভালো থাক আমি যে তোর মা মনে রাখিস । শিশির-আজকে রাখি ভালো থাকিয়েন।মা-তুইও
ভালো থাকিছ সরিলের দিকে নজর রাখিছ ।যাক মাকে ঠাণ্ডা করিলাম । এখন বন হস্তি পিছিলারে দিয়ে কি যে আগুন লাগাবে এই টা কি করা যায় ।চিন্তার বিষয় ।
ফরিদকে একটা ফোন দেই। ফরিদ-হ্যালো । শিশির-হ্যালো ফরিদ আমি শিশির । ফরিদ-শিশির তুই ।কেমন আছোত।কি খবর? তর ইন্টার্ভিউ কেমন হইছে ?
শিশির-ভালো ।তোর কি কোন কাজ আছে? ফরিদ-না ক্যান? শিশির-তুই ঢাকায় আসতে পারবি ?ফরিদ-কেনো তুই ঠিক আছত তো? শিশির-আমি ঠিক আছি ।
তুই কালকে ঢাকায় আস । কাউকে কিছু বলিস না । তুই আসার পর সব খুলে বলিবনে । তুই আগে আস । একটা ভালো খবর আছে। তোর দরকার । ফরিদ-
ঠিক আছে ।কালকে আসিবো । রাত ১২টার সময় শিশির ফোন দিলো নিশিকে ।নিশি-হ্যালো ।শিশির-হ্যালো ।নিশি-অট্ট হাঁসি হাসিল দুষ্ট এতো রাতে ঘুম আসনাই
। শিশির-না। তুমিও তো ঘুম আসনাই এখনো । তোমার কথাগুলো চিন্তা করিতে করিতে দিশাহারা হয়ে গেছি । । কবে যে তোমাকে ঘড়ে বউ করে উঠাবো, তবে
শান্তি ।নিশি-মন মানে না বুঝি। শিশির-মন নিয়ে দুরে চলে গেছো বুঝাবো কাকে । মন দিয়ে আমাকে ভালোবাসা যদি তবে আমার মনের জ্বালা বুঝিবে । নিশি
তোমার সাথে অনেক কথা আছে ।ফোনে সব কথা বলা যাবে না । কালকে কলেজ শেষে বিকালে ঐ বট গাছে নিচে বসে বলিব ।নিশি-এমন কি কথা আমাকে
এখন বলা যাবে না । শিশির-আজকে অনুরোধ করো না কালকে বলিব । আমিও বলতে চাই । আমার দম আটকে আছে ।না পারি বলতে না পারি ধৈর্য ধরিতে।
পেট পুট পুট করিতেছে তোমাকে বলিলে পেট মন ভালো হয়ে যাবে । কালকে আসিতে ভুলিওনা ।যদি না আসো আমি মারা যাব ।নিশি-(নিশির চোখে পানি
এসে গেলো )এমন কথা কখনো বলিওনা ।মনে হয় অনেক জরুরি কথা ঠিক আছে কালকে আসবো ।আজকে রাখি। খোদা হাফেজ । শিশির-আল্লা হাফেজ ।
(পরেদিন সকালে পিছিলা এক সাথে কলেজে যাইতেছিল কথা বলতে বলতে)পিছিলা-কিরে নিশি তোর মোক্ষ শুকিয়ে গেছে ।চোখ লাল রাতে কি ঘুম হয় নাই
।না আজকে ফেঁস পাউডার লাগাইছ নাই । নিশি-না ঐসব কিছুনা ।পিছিলা-আমি জানি হ্যাঁ হ্যাঁ ।নিশি- তবে কেনো জিজ্ঞাসা করছ । পিছিলা- কালকে কি অনেক
বি জি ছিলি ।নিশি-হ্যাঁ । তুই বুজি জানোস না । পিছিলা-অনেক অপেক্ষা করতে হইছে তোর তাই না।পরে বিনা দেখায় বাসায় চলে গেছোত । আর কিছুক্ষণ অপেক্ষা
করবিনা ।লিটন তোর জন্য রাত ১০টা পর্যন্ত অপেক্ষা করে আমার বাসায় এসে অনেক রাগ করেছে । নিশি-কি বলিস। ১০টা পর্যন্ত বসে ছিল তোর সাথে রাগ
করেছে ।আমিতো মাথা মণ্ডু কিছুই বুঝিনা । আমার সাথে দেখা হয় নাই।পিছিলা-না তুই তো যাস নাই দেখা করিতে ।নিশি-ও কে তাহলে ?পিছিলা-ও কে মানে।
তুই কার কথা বলসত ।নিশি-কান্না চোখে ও আল্লা সর্বনাশ কি করেছি আমি । এখন উপায় ।পিছিলা-তুই কি বলিস । আমি তো কিছুই বুঝি না । তুই কি অন্য
কারোরে লিটন মনে করে…….?নিশি-ঐসব কিছু না। পিছিলা তুই চুপ করতো । আমার কিছুই ভালো লাগছে না ।আমার সাথে কোন কথা বলিস না এখন।
আমাকে একা থাকতে দেয় ।আজকে আমার ভালো লাগিতেছে না ।কাল রাতে থেকে মাথা অনেক ধরিয়াছে । আজকে আমি কলেজে যাবনা । তুই যা আমি
বাসায় চলে যাই । আমি তকে ফোন করিবনে।(মনে মনে বলিল তকে বলে মান সমমান সবকিছু হারাই ) ।(বাসায় রুমে ডোর লাগায়ে ব্যাডে সুইয়ে কান্না
সুরু করিল) আমি কি ভুল করিছি।লিটন জানতে পারলে আমার কি হবে। শিশির-দেখি নিশিকে একটা ফোন দিয়ে অর দিনকাল কেমন যাচ্ছে । হ্যালো ।
হ্যালো।হ্যালো ফোন কেটে গেলো ।আবার দেই।হ্যালো ।(পাঁচ বার ফোন করিলো নিশি ফোন কেটে কেটে পরে বন্ধ করে দিল।)শিশির-(মনে মনে বলিল নিশির
সাথে বন হস্তির দেখা হয়ে গেছে । আমারে আমার ভালোবাসা ডাস্টবিনে ফেলে দিয়েছে । আমার ভালোবাসা ঘুমিয়ে ছিল ।এই অভিনয় করে ভালোবাসা ঘুম থেকে
উঠালে কেনো ।)এক ঘণ্টা হয়ে গেলো আবার ফোন করিয়ে দেখি ফোন ধরেনি । হ্যালো। নিশি-(কান্না চোখে গলা ভাঙ্গা সুরে) হ্যালো ।শিশির-কেমন আছো।
নিশি-(কান্না চোখে) আমার ভালো মন্দ তোমার কি দরকার । লম্পট,লোটেরা অ সর্ব ধোঁকা বাজ।শিশির-(কান্না চোখে)কান তো ফেটে গেলো । নিশি তুমি তো আমারে
অনেক সুন্দর সার্টিফিকেট দিলে। তার মানি কি?আমি কি বলেছি ভালোবাসার কথা।আমি কি বলেছি আমাকে ফুল দেও।কালকে যা কিছু হইছে আমি বলেছি।তুমি
সাধু ।বা কি সুন্দর দুনিয়া ।ভালোই পলে টিকস করিলা আমার সাথে । কালকে তুমি যাই বলেছো সবই সত্য বাস্তব ।আমি অবাক হয়েছিলাম ।তার পর বাস্তবতা
মেনে নিয়েছিলাম ।আজকে দেখিলাম সবই অভিনয় তোমার।তোমারে সাজা হওয়া দরকার ।এতো বড় অভিনয় প্রতারণা আমার জীবনের সাথে ।নিশি-প্রতারণা বা
অভিনয় করি নাই ।একটা ভুলের জন্য ঘটনা ঘটে গেছে ।বিশ্বাস করো আমাকে। শিশির-ভুল বলিতে কোন কিছুই নাই দুনিয়াতে। আল্লা ইচ্ছা আমাদের এভাবে
মিলাবে ।তুমি বলতো কালকে যা কিছু বলেছিলে সব মিথ্যে আর মন থেকে কিছুই বলোনাই ।নিশি-হ্যালো হ্যালো ভালোবাসা এতো সোজা না।আমি তোমাকে চিনি
না জানি না।শিশির-আমি তোমাকে কাল রাতে ফোনে বলে ছিলাম কিছু কথা আছে ।তাইতো তোমাকে আসিতে বলছি । নিশি-আমি আসিবনা ।একটা কথা বলি
মনে রেখ।
ভালোবাসা ভালোবাসা মোখের কথা না
ভালোবাসা ভালোবাসা মোখের কথা না
ভালোবাসা প্রভাতে রক্তিম সূর্য কিরণে ঝলক ।
ভালোবাসা স্বর্গো দান ভালোবাসা স্বর্গের ফুল ।
ভালোবাসা দুনিয়াতে স্বর্গের ফুলের সৌরভ ।
ভালোবাসা অগ্নির শিখা যে পোষ মানাবে সে
স্বর্গো বাস যে হারাবে সে জ্বলে পুড়ে সর্বনাশ ।
ভালোবাসা অগ্নির আঙ্গারে পাহাড় পাড়ি দেওয়া ।
ভালোবাসা কাঁচের গ্লাসে মতন যতন করে
রাখিলে আজীবন রাখা যায় ,একটু টোকা লাগলে
ভেঙ্গে চুরমার হয়ে যায় ।ভালোবাসা মনের বিশ্বাস ,
মনের এই বিশ্বাসের কাছে হার মানায় জ্ঞান বুদ্ধি
দুঃখ বেদনা ।
যে করে ভালোবাসা তার মনে বাঁধে সন্দেহের বাসা
ঝড় তুফান ভূমি কম্পনে ভাঙ্গতে পারে না সন্দেহের বাসা।
ভালোবাসা ভালোবাসার রং মাখানো রঙ্গিল দুনিয়া ।
ভালোবাসা দুটি মনে একটি আসা তার নাম ভালোবাসা ।
দুটি মন এক হলে লুটে নেয় ভালোবাসার মজা ।
মিলে যায় গো স্বর্গে বাসা ।
যার হয় ভালোবাসা তার আঁখিতে ভাসে সুধু রঙ্গিল
ভুবনে বাসা, কখনো যায় না ভুলা ভালোবাসার সুবাস।
ভালোবাসা সত্য নিষ্ঠা শ্রদ্ধার সাথে ভালোবাসা নিভানো ।
ভালোবাসা দুটি মন এক হয়ে বিলীন হয়ে যাওয়া ।
ভালোবাসা পুকুরে ডিলের ঢেউ তরঙ্গ মিষ্টি হাঁসি। ।
ভালোবাসা কচু পাতার পানি না, টলমল করে ঝরে যাওয়া ।
ভালোবাসা অন্তর থেকে বিশ্বাস করে নিভানো ।
ভালোবাসা ভালোবাসা মোখের কথা না ।
ভালোবাসা ভালোবাসা মোখের কথা না।।।।
এখন আমি ফোন রাখি ।শিশির-আমি বুঝিলাম আমরা দুজন দুজনকে ভালোবাসি বুঝিলাম।এখন কিছু পরীক্ষা। তুমিও আগুনে জ্বলিতেছো আমাকে জ্বালাতাছো ।
তোমার মনের কষ্ট তাও বুঝি। তোমার মনের আগুন যদি না নিভে আমাকে ডেকো আমি তোমার পাসে দাঁড়াবো।কারণ আমি তোমাকে ভালোবাসি ।তুমি ভালোবাসা
না বাসো ।তোমাকে জোর করে বা মন ভুলানো কথা বলে ব্রেন ধোলাই করে তোমার ভালোবাসা আমি পেতে চাই না।ভালো থেকো।ফোন বন্ধ করিলো।ফরিদ দরজা
টোকা দিলো।শিশির-কে?ফরিদ-আমি ফরিদ দরজা খোল ।ফরিদ-কি খবর তোর। তোর এই অবস্থা কেনো? শিশির- আস বস। আর বলিস না ।কাল একটা মেয়ে….।
ফরিদ তর কোনো কাজ ফেলে আসসনাই তো। ফরিদ-না দোস্ত । আমি আজকে ঢাকায় আসিতাম । আইরিন ঢাকায় আসছে কিছু দিন ধরে ।ও আমাকে খবর দিয়েছে
দেখা করার জন্য।এর নাম ভালোবাসা বন্ধু ।আজকে তকে নিয়ে যাবনে তুই ফেরেস হয়ে নিস।দুই বন্ধু এক সাথে কথা বলবোনে আর ঘুরিবনে। তর মনটা ভালো
লাগিবনে।শিশির-আচ্ছা ।এক ঘণ্টা পর।ফরিদ-শিশির তুই এখনও তৈয়ার হস নাই।যা তারা তারি তৈয়ার হয়ে নে। তারা তারি আইরিনের সাথে দেখা শেষ করে তর
ভালোবাসা বটতলায় যেয়ে দেখি বনে তোর নিশি আসেনি। (শিশির তাড়াতাড়ি তৈয়ার হলো)।ফরিদ-নিশির কথা শুনে সুন্দর ফিটফাট হইসত তো। তোর ভালোবাসা
মঙ্গল হক।।শিশির-ধন্যবাদ বন্ধু।চল যাই। বাসায় যেয়ে কলিন বেল বাজালো নিশি দরজা খুলিল(শিশিরকে দেখে বলিল)তুমি আমার বাসায় ?কি চাই? ঠিকানা পাইলা
কোথায়?শিশির-ও মাই গট আবাও না জেনে সুনে ফাঁইসা গিয়াছি ।(ফরিদকে দেখায়ে দিলো।হালকা হাত পা কাঁপ উঠিলো জবান বন্ধ হইয়া গেছে)ও ও।নিশি-ও ও
কি?আপনে কে ?ফরিদ-আমি ফরিদ।আইরিনের বন্ধু।আইরিন আছে কি?নিশি-ভিতরে আসেন বসেন।আইরিন তোর বন্ধু আসছে তোর সাথে দেখা করিতে।মনে মনে
বলিল বাহানা ভালই বানিয়েছে।এতো কিছু কিভাবে?অবাক হিস্টরি কিভাবে?এসেছে যখন দেখি কি হিস্টরি।ফরিদ-দাদী ছালাম।ভালো আছেন।দাদী-অলাইকুম
ছালাম ভালো বসো দাদা। আইরিন-ফরিদ তুমি এসেছো ।আমি অপেক্ষায় ছিলাম।তোমার সাথে অনেক কথা আছে।(নিশি চোখ মোক্ষ বেঁকা চোখা করে অভিমানে
একটু আড়াল করে বসিলো।)ফরিদ-তুমি আসতে বলছো।ঠিকানা দিয়েছো, না এসে পারি ।ও তোমাকে পরিচয় করে দেই ও আমার বন্ধু শিশির ।আমাদের গ্রামের
পাশাপাশি বাড়ী। তোমাকে অর সব কথা বলেছি ।ও অনেক ভালো পরিবারে এ মাত্র ভালো ছেলে । আমরা বন্ধু ছোটবেলার থেকে এক সাথে স্কুলে যাইতাম ।এ
বার বি এ পরীক্ষা দিয়েছে ।কাল একটা চাকরি ইন্টার্ভিউ দিয়েছে।(নিশি চোখে পানিতে টলমল করিতেছে ।মাথা নিচে করে চোখ মোক্ষ উল্টায়ে মাঝে মধ্যে আস্তে
আস্তে বলিতেছে হুঁ হুঁ লেজ ধরে বাসায় এসে পরেছে, (আর সব কথা শুনিতেছে। )আইরিন-শিশির তোমার আব্বা তো ভালো চাকরি করে ।শিশির-হ্যাঁ। আইরিন-
তুমি কি চাকরি করিবা? শিশির-এ মে পরিবো চাকরি করিবো। এখন আমি বড় হইছি মা বাবার উপর কতদিন বোঝা হয়ে থাকবো।আইরিন- তুমি তো টিউশনি
করিতা। শিশির-এতো দিন টিউশনি করে নিজের পকেট খরচ চালাতাম ।বাকি খরচ আব্বা দিতেন। আইরিন-তোমাকে নার্ভাস লাগতাছে? ফরিদ-আমি ওদের
বাসায় আসিয়া দেখি ৪০০ডিঃ পাগল পান। আমার সাথে কথা বলার পর কিছুটা কমছিলো পরে আমার সাথে নিয়ে আসিলাম ।আমি যদি না আসিতাম, বা সাথে
নিয়ে না আসিতাম তাহলে মারা যেতো।কাল এক মেয়ের সাথে ভালোবাসা হইছে। দুপুরে শেষ হইয়া গেছে ।এখানে এসে দেখি মনে মধ্যে৮০০ডিঃ পাগল পান আর
নার্ভাস বেড়ে গেছে। (নিশি চোখে পানি দিয়ে গাঁ ভিজিয়ে দিল মনে মনে বলিল ও আল্লা আমি কি করিবো আমি আর পারছিনা ।আমাকে এতো ভালোবাসে। আমি
কোন দিকে যাবো।ওকে আমি এক মিনিটের জন্য ভুলিতে পারি নাই।এখন তো সব সত্য জানিলাম) দাদী-আইরিন আমার ছোট ছেলের মেয়ে ,নিশি আমার বড়
ছেলের ছোট মেয়ে । আমরা সবাই তোমার আপন।নার্ভাস হওয়ার কিছুই নাই। নিশি যা চা টা নিয়ে আস ।নিশি আইরিন চলে গেলো।এমন সময় দরজা ঠাস ঠাস
করে নক করিলো ।বাড়ী কাজের মেয়ে দরজা খুলিল।লিটন-(সাথে সাথে বাসায় ডুকে বুয়ার হাত ধরে বলে) এই নিশি তোমাকে ডিস্টার্ব করছে ও কোথায় থাকে ওকে
বাসায় থেকে উঠায়ে ধরিয়া ফ্রাইরা ফালাবো ।আমার নিশিকে ডিস্টার্ব করছে আজকাই এতো বড়ো সাহস । ওকে না মারা পর্যন্ত আমর রক্ত ঠাণ্ডা হবে না। (হাত
ঝাঁকি দিয়ে বলে)এই নিশি তুমি সুধু আমার, এমন মায়ের বেটা নাই তোমার মতন সুন্দরিকে আমার কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে যাবে ।এই সুন্দরি মনে রেখো।বুয়া-
আচ্ছা । আপনে ঠাণ্ডা হন ।বেশী জোরে লড়া চড়া করিয়েন না ,তাহলে পাঁচ তালা ধইসা পরিবে ।ধইসা পরিলে আপনে তো মরে যাইবেন। মরে গেলে কি ভাবে
প্রতিশোধ নিবেন । আপনে যান প্রতিশোধ নেন।মনে মনে বলিল হারে দুনিয়া বন হস্তি জঙ্গল থুইয়া শহরে অশীলও কি ভাবে ?ও আল্লাহ এটার পেট কোনটা, মাথা
কোনটা,নাক তো মাস আল্লা। এই জন্য আঁক্কল মক্কল সবই ভাগছে।(মনে মনে বলিল) নিশি আপা বাঁচিয়া গেছে ।নিশি আপাকে চিনেনা ।বাসার সবাই অবাক হয়ে
দেখিতে লাগিলো ।(নিশি আইরিন পাসের রুমের থেকে সব দেখিলো সুনীল) দাদী-এই ছেলে তোমার নাম কি?লিটন-আমার নাম লিটন।দাদী-তুমি কি করো?লিটন-
আমি কিছুই করি না ।আমার কিছু করার দরকার নাই।আমার বাবার অনেক টাকা আছে ।বুয়া-এই জন্য বাপ মা ওড়া ভরে খাওয়াইছে তিনি বন ভরে ছেইরায়েছেন।
বন জঙ্গল গান্দা কানা করে এখন শহরে এসেছেন ।দাদী-এই (বুয়া)তুই ভিতরে যা।(আইরিন অশীলও) আইরিন-(লিটনকে বলিল)এই আপনে এখানে। আপনে
আমাকে চিনিতে পারছেন।আমি কিন্তু ভালোকরে চিনি আপনাকে। এখান থেকে চলে জান তা না হলে আপনে জানে আমি কে ।ভালো ভালোই চলে যান।আর
কোনদিন আসিবেন না ।লিটন-ঠিক আছে।(লিটন চলে যাওয়ার পর)দাদী-আইরিন তুই এই ছোকরাটাকে কিভাবে চিনিস ।আইরিন-এই কুকুরটারে কে না চিনে।
আমাদের স্কুলে কলেজে মেয়েদের ডিস্টার্ব করিত। স্কুলে মাস্টাররা বিচারে জুতা মাড়িয়েছে। তার পরেও কলেজে আমাকে ডিস্টার্ব করিতে শুরু করিলো পরে আমি সব
ছাত্র ছাত্রী নিয়ে সারদের নিয়ে থানায় কেস করে দেই।পরে পাঁচ বৎসর জেল হয়ে যায়।অর বাবার টাকার জোরে ছয় মাস পরে বাহির হয়ে যায়।এখন নিশির পিছে
লেগেছে। দাদী- সর্বনাশ। ওকে কোথাও একা যেতে দিবনা। নিজামকে বলিতে হবে।আইরিন-হ্যাঁ দাদু।এই সয়তান সহসায় পিছা ছাড়িবে না।দাদী-দাদুরা তোমরা
কিছু মনে করিয়না । ফরিদ-না দাদু তবে আপনেরা সাবধান থাকিয়েন।আমরা এখন চলি।শিশির-হ্যাঁ অনেক সময় হয়ে গেছে ।আমরা এখন উঠি।(পাশের রুম
থেকে উঠে এসে বলিল)।নিশি-এই ডং করিয়েন না ফরিদ ভাই বসেন ।রাতে খাবার খেয়ে যাবেন।(শিশিরের দিকে চেয়ে বলিল)ডং করার যায়গা পায়না।এখন
চলে যান দেখি।(আইরিন ফরিদ আগে থেকে কিছুটা টের পাইছে।এখন সব কিছু পরিষ্কার হইতাছে।নিশির মোক্ষ মনিল, আর চোখে দেখা, কান্নায়।শিশির মনিল,
মাথা নিচা করে সারাক্ষণ বসে থাকা। ) শিশির-ফরিদ চল আমার ভালো লাগিতেছে না।দাদী-দাদুরা আরেক টু বসো আমরা গল্প করি দেখো তোমার (শিশিরকে
বলিল)মন ভালো হয়ে যাবে। নিশি-এই নেন চা নাস্তা।(সবার হাতে চা নাস্তা দিলো)আইরিন-দাদু একটা কবিতা বলেন। দাদী-আমি বলিব তবে সবাইকে বলিতে
হবে।আইরিন ফরিদ নিশি বলিল ঠিক আছে । দাদী-একদিন বি এন পি নেতা এসেছিলো আমাদের গ্রামে মজলিসে তখন তদের দাদা একটা কবিতা বলছিলো
আমার এখনো মনে আছে তোরা সুন।
দুর দূরান্ত থেকে উড়ে এসেছে পায়রাগুলো শান্তি প্রতীক নিয়ে।
দুর করিবে সমাজে ও দেশের রংমহল।
বানাবে হাজারো ফুলের বাঘ বাগিচা ।
ফুলের সুবাস সৌরভ বিলিয়ে দিবে
সমাজে ও দেশে উঠাবে নতুন সূর্য ইনসা আল্লা ।
পায়রাগুলো পায়রা না এরা হলো শান্তির দূত।।।
সবাই হাতে তালি দিলো বা সুন্দর ।নিশি-দাদু আরেকটা বলো।দাদী-আরেকটা।(সবাই বলিলো) বলেল দাদু আরেকটা।
ফাল্গুনে ফুল ফুটিয়াছে, বইছে হিম হিম ঝিম ঝিম হাওয়া ।
চৈত্র মাসে ভিজে শীতের কাঁথা ।
বৈশাখ/জ্যৈষ্ঠ মাসে মধুর লাগে আম, জাম, কাঁঠাল, কলা ।
আষাঢ় মাসে আসছে জোয়ার ভরছে পুকুর ঘাঁট ।
ডাকছে যৌবন ঝন ঝন ঝংকার ।
বইছে বাতাস, দুষ্টু বাতাস ,দোলাছে পানি ঢেউ তরঙ্গ জোরদার ।
শ্রাবণ মাসে লাগছে বিয়ের ধুম ধাম ।
কার্তিক মাসে পরছে ভাঁটা মনে মধ্যে জাগিল চড়
এই বুজি আসলো জম ছিনিয়ে নিলো আমার জীবন ।।।।।
দাদী-এবার আইরিন তুমি বলো।আইরিন-আচ্ছা
পদ্মফুল পদ্মফুল পুকুরে অথৈই
জলে জল থৈ থৈ করে, জলের
বুকের ভেসে পদ্মফুল ফুট তুমি।
শ্রাবণ ভাদ্র মাসে ফুটো তুমি ।
আসমানে থোকায় থোকায় তাঁরা
ঝলকের মতন তোমার প্রাকৃতিক
অপূর্ব সৌন্দর্য মন মুগ্ধ কর উজ্জ্বল
প্রতিভা দিয়ে সাজিয়েছ পুকুরটারে ।
দুষ্ট বাতাস এসে পুকুরে পানির
ঢেউ তুলিয়ে তোমাকে দোলীয়ে দোলীয়ে
বেড়ায় ,বন্ধু বন্ধুকে একটু দুষ্টুমি মজা
করে দুষ্টুমি মিষ্টি হাঁসি হাঁসায়ে যায় ।
মুসল ধারে বৃষ্টিতে ব্যাঙ বাবাজি সিদ্ধি
নিয়ে গানের সুর তুলে গেঁ গোঁ তোমার
পাতা বাহারে বসে, প্রভাতে পূর্ব গগনে
উদয় হলো সূর্য,সূর্য রশ্মির মাখে তার
গাঁয় পদ্মফুলে পাতা বাহারে বসে।
প্রাকৃতিক অপার্র সুন্দর্য্য উপভোগ
করে মনোযোগ দিয়ে ।।।
সবাই হাতে তালি দিলো বা খুব সুন্দর ।এবার ফরিদ তুমি বলো -ফরিদ
স্বর্গো স্বর্গো স্বর্গো সবাই খুঁজে স্বর্গো ।
স্বর্গো স্বর্গো কোন জগতে, চোখ
বুজে খুঁজিলে কোথায় পাওয়া যায় ।
মন ও চোখ খুলে দেখিলে পৃথিবীর
বোকে নৈসর্গিক পৃথিবীর স্বর্গো ।
স্বর্গো স্বর্গো দেখার জন্য মন ও চোখ
এক করে দৃষ্টি দিলে পাবে দৃষ্টি নন্দন
নৈসর্গিক পৃথিবীতে স্বর্গোময় প্রতিভা ভরপুর
অপরূপ মধুময় মাধুরী স্বর্গবাস ।
তাইতো পৃথিবী ছেড়ে কেউ যেতে
চায় না ।
শীতে প্রভাতে কৃষ্ণ পাথরে পাহাড়ির
গায় ,পাহাড়ে পূর্ব গগন থেকে রবি
মামা দিচ্ছে উঁকি রবির কিরণে রিম
ঝিম ঝিলিক দিচ্ছে পাহাড় জুরে ।
প্রচণ্ড শীতে সাদা তুষার বরফে আলতো
ছোঁয়াতে ছুঁয়ে আছে পাহাড়ে গায়,
কোথাও থোকায় থোকায় বরফের
সাদা সাদা ছোট বড় টিঁলা ।
কালো ছায়া ব্যষ্টিত পাহারে উপর তুষার সাদা
রং তুলি মাখানো বরফে অপূর্ব মন মুগ্ধকর
মাধুরী নীরব দৃশ্য এক অবাক পৃথিবীর স্বর্গো ।
কৃষ্ণ পাথরে পাহাড়ে বোকে বয়ে চলছে
প্রকৃতি অপার্র সুন্দর মন জুড়ানো একটি নদী ।
নদী উপরে স্তরে তুষার বরফে লের, নিচে স্তরে
পানির প্রবাহিত হয় ।
নিস্তব্ধ চোখ জুড়ানো মন মুগ্ধকর মধুময়
প্রাকৃতিক সুন্দর্য্য ভরপুর অপরূপ আল্লাহ দান ।
পৃথিবীর স্বর্গ পৃথিবীর স্বর্গবাস ।
সবাই হাতে তালি দিলো বা খুব ।এবার নিশি বলো।নিশি-দাদু আমি দাদাকে স্মরণ করে বলি শিশির দিকে চোখে চেয়ে বলিল।নিশি-
ও রে আমার অবুঝ মন
তুমি কেনো বুঝনা আমার মন ।
নিশিতে ঢাকছো আমারে
তোমার বীণ বাঁশি সুরে
মন আমার উদাসীন হয়ে
উড়ে উড়ে ছুটে যায় তোমার কাছে ।
রাখাল তোমার বীণ বাঁশী সুরে
হৃদয়ের ভালোবাসা নিশিতে মনের
মিতালিতে স্বপ্নের ভুবনে যুতি
জোছনা মুগ্ধতা ।
রাখালেই বীণ বাঁশির সুরে
মনের আকাশটারে করেছে রঙ্গিল ।
ফুটায়াইছে মন বাগিচায় রং বেরঙের
ফুলের বাহার, সৌরভ বিলিয়ে দিচ্ছে মনে
বাঘ বাগিচায় ।
রাখালে অভিমানে লাগলো মনে আগুন।
আগুনে জ্বলে পুড়ে হলো ছাই হৃদয় আমার ।
আমার হৃদয় জ্বালা কি ভাবে নিভাই ।
ওগো রাখাল তুমি এবার দেও খেন্ত ।
আমার উদাসীন ছোট একটা অবুঝ মন
বিলুপ্ত হয়ে গেলে শূন্য খাঁচা সবই শূন্য ।
আমার বিলুপ্ত মন মগ্নতা, কে তোমার
বীণ বাঁশির সুর ধরে দিবে ।
খুশীর স্বপ্ন বীণ বাঁশী সবকিছু মিছে হয়ে যাবে।
দোহাই তোমার দেও এইবার দেও খেন্ত ।।।
(শিশির মোক্ষে মিষ্টি হাঁসি দিলো)আইরিন ফরিদ বুঝে গেলো নিশি শিশির প্রেমের হাবু ডুবু খাচ্ছে ,ভালো।আইরিন হাঁসি মোক্ষে ফরিদকে চোখের ইশারা করিলো ঠোটের
ভাষায় বলিল তোমরা দুইজন ভায়রাভাই হয়ে গেছো ।দুনজন হাঁসিলো। ফরিদ- হওঁ তাই তো মনে হয়।আইরিন ফরিদ-হাঁসিলো ভালো ভালো খুব ভালো ।দাদীও
কিছুটা বুঝিলো ।আইরিন-শিশির ভাই আপনের যার সাথে ভালোবাসা হইছে তার মধ্যে কি দেখেছেন?নিশি- চমকিয়া উঠিলো।আইরিন ভালো প্রশ্ন করিয়াছো। আমরা
কিছু শিখিবনে।আইরিন-হাঁসিলো নিশি তুই কোন চিন্তা করিস না ভালো উঃ দিলে তোর সাথে বিয়ে দিয়ে দিবো।সবাই হাঁসিলো।নিশি-এরা দুজন ভায়রাভাই হয়ে
যাবেনে হ্যাঁ হ্যাঁ।সবাই হাঁসিলো।দাদী-অনেক জোঁক হলো হাঁসা হাঁসি হলো।আইরিন-শিশির আপনে তো বলিলেন না।শিশির-(মরগিয়া আমার বলতে হবে । সবাই
বলিল হ্যাঁ।সবাই শিশির দিকে দেখিতে লাগিলো)।শিশির-ঠিক আছে বলছি।আমি যে মেয়েকে দেখেছি তিনি এক প্রাকৃতিক পৃথিবী।পৃথিবী সূর্য বা চান সূর্য সম্পক্ষ ।
এই সম্পক্ষ হলো ভালোবাসার সম্পক্ষ।পৃথিবী যদি না থাকতো সূর্য রশ্মি মিছে হয়ে যেতো ।যদি সূর্য না থাকতো তাহলে পৃথিবী মিছে ।বা অন্ধকার হয়ে থাকিতো ।
আমি এমন এক পৃথিবী দেখেছি যার মধ্যে চমৎকার দুনিয়া ।তাই আমি ওকে ভালোবাসি ওকে ছারা আমার জীবন মিছে।আইরিন ফরিদ- নিশির দিকে চেয়ে বলিল
সাম বডি অনেক লাখি। রাতের খাওয়া দাওয়া পর সবার কাছ থেকে বিদায় নিলো ফরিদ শিশির।রাস্তায় ফরিদ-আজকে বিকালটা ভালই গেলো। শিশির তুই
নিশিকে ভালোবাসিস তাই নারে। শিির-হ্যাঁ ।ফরিদ-যাক আমাদের বন্ধুত্ব আরো মজবুত হইলো। এখন বিয়ের পাল্লা আর কি। শিশির-হ্যাঁ তাইতো মনে হইলো।
দাদী-ওগো শূনো।দাদা-কিছু বলিবা।দাদী-হ্যাঁ।আজকে আইরিনে বন্ধুর সাথে একটা ছেলে এসে ছিলো । ছেলেটা দেখিতে কথা বাতা ভালই মনে হলো।নিশির জন্য
ভালই হবে।আমার মনে হলো নিশির ও পছন্দ হইছে।নিশির আব্বার সাথে কথা বলে ছেলে খবরা খবর লও।আমার মনে হয় নিশির সাথে ভালই মানাবে ।
তার পর তোমাদের ইচ্ছা ।দাদা-তুমি নিশির আব্বা সাথে কথা বলিছ ।দাদী-না আমার সাথে দেখা হয় নাই ।নিশির মা মনে হয় রাজি আছে ।দাদা-দেখি তোমার
ছেলের সাথে কথা বলবনে কাল ।পরের দিন সকালে ।নিশি কলেজে যাইতেছে এমন সময় দেখিলো পিছিলার সাথে লিটন আশিতাছে। পিছিলা-লিটন ঐযে তোমার
গিন্নি যাইতাছে ।লিটন-কই কই ঐটা ।পিছিলা-হ্যাঁ।লিটন-তাহলে কি ওদের বাসায় আরেক সুন্দরি ঐটা কে?পিছিলা-লিটন তোমাকে দিয়ে কোন কাজ হবে না আমি
জানি।একটা কাজ ঠিক মতন করিতে পার নাই।লিটন-কোনো অসুবিধা নাই ।আগে নিশিকে বিয়ে করে পরে ঐ সুন্দরিরে দেখিবনে।পিছিলা-লিটনে দিকে তাকিয়ে
বলিল তাই ।লিটন-এতো বড় জীবনটা এক মেয়ে দিয়ে কি কাটে ।পিছিলা-তাইতো হাজারো মেয়েও তোমার মন ভরে নাই আরো চাই।লিটন=দুনিয়া
আনন্দময় আনন্দ করি।পিছিলা-যাও তোমার নতুন গিন্নি কাছে ।লিটন-হ্যালো গিন্নি তুমি কলেজে যাও ।নিশি-কি অ সর্ব পানা আপনে কে।লিটন-গিন্নি আমাকে
চিনোনা ।আমি লিটন পিছিলা সব সময় আমার কথা বলিতো তোমাকে।সেই লিটন।নিশি-ও শুনেছি কালকে ঐ বাসায় গিয়ে কাজের বুয়াকে সরিল ধরে অনেক
হুমকি দিয়েছেন । কি আমি ঠিক বলছিনা । ছোটলোক।যান বুয়ার কাছে ।আমার কাছে আর কোন দিন আসিবেন না।রাস্তায় ডিস্টার্ব করিবেনা ।তাহলে পুলিশকে,
এ যে আসে পাসে লোকজন ডাকাবো ।লিটন-গিন্নি তুমি চিলাইতেছ কেনো। আমি তো তোমার সাথে ভালো ব্যবহার করিতাছি ।তোমার জন্য আমার মনটা সবসময়
কাঁদে। নিশি-মেয়েদের জুতা খেলে সব ঠিক হয়ে যাবেনে। লিটন-এতো বড় কথা। এ গিন্নি শোন তোকে আমি বিয়ে করিবো। বিয়ে পর এই প্রতিশোধ নিবো।নিশি-এই
তুই যাবি না লোকজন ডাকাবো ।লিটন-ঠিক আছে।আমিও দেখে নিবো। নিশি-একবার জেলে গেসত মনে আছে।আমার পিছে আবার দেখিলে আমি আবার জেলে
পাঠাবো।(সন্ধ্যা পর লিটন বন্ধুদের নিয়ে মদের আসোর বসাইছে মদ খেতে খেতে টাল।এমন সময় জহির সাব আশীলও)(লিটনে বাবা)জহির-কি বাবা ফুর্তি
করিতাছো করো বাবা।লিটন-না ইউ রং।আচকে আমি অনেক আপসেট।জহির-কি হয়েছে । ঐ পাড়া নিজাম মিয়ার মেয়ে আমাকে অনেক গালি দিয়েছে।এতো বড়ো
সাহস আমাকে গালি দিয়েছে।তোমার এক মাত্র ছেলেকে গালি দিয়েছে।আমি কি সজ্জ করিবো। ডেট তুমি সজ্জ করিবা।এই মেয়েকে আজকে বিয়ে করে প্রতিশোধ
নিব।ডেট যেভাবে হক আজকে মেয়েকে চাই আমি।আমার রক্ত মাথার উপর উঠে রইছে।জহির-কাম ডাউন বয় কাম ডাউন। তুই বলছো যখন আমার ব্যবস্থা করিতে
হবে । তোর বন্ধুদের নিয়ে বিয়ের ফুর্তি কর।লিটন-ডেট তুমি বলছো তাই আমি কুল হলাম।চিয়াছ এবরি বডি।সবাই বলিল চিয়াচ।সবাই বলিল-বিয়ে মোবারক।বিয়ে
মোবারক।(এইদিকে দাদা তার ছেলের সাথে খাওয়া দাওয়ার পর ছেলেকে ডাকিলো)দাদা-বউমা,মিজান নিজামকে ডাকো সবাই ছিটিং রুমে আসো।বউমা-আসিতেছি
আব্বা।নিজাম-আব্বা আমাকে ডাকিয়াছেন।দাদা-বউমা তোমার শাশুড়ী মাকে ডাকো।এসোছ সবাই বসো।আজকে নিশি কলেজে যাওয়া সময় ঐ পাড়ার বদমাইশ
লিটন নিশিকে অনেক ডিস্টার্ব করিয়াছে।গত কাল আমাদের বাসায় এসে কাজের বুয়াকে নিশি বলে অনেক হুমকি দিয়ে গেছে। এই ব্যাপারে তরা কি বলিস।মিজান
নিজাম-এই ব্যাপারে কিছু করা দরকার।তা না হলে নিশি অনেক বিপদে পরিবে।কলেজে যাইতে পারবেনা বা বাসায় থাকতে পারবেনা । আমাদের এই এরিয়ার
মার্দবর কুদ্দুছকে জানায়ে দেখি ও কি করে।দাদা-মার্দবকে জানায়ে রাখা ভালো।কিন্তু কোন লাভ হবে না । দু একদিন চুপ করে থাকবো,পরে আবার যে হেই হবে।
লিটন জেল খেটে কিছুই হয় নাই।মিজান নিজাম-আপনে কি করিতে বলেন ।দাদা-কুদ্দুছকে (মার্দবর)বলে কিছু দিন চুপ করায়ে নিশিকে বিয়ে দিয়ে দে।নিজাম-
এতো তারা তারি ছেলে পাবো কোথায়।দাদা-গত কাল আইরিনের বন্ধুর সাথে একটা ছেলে আসছিলো ছেলেটা ভালই।তোরা যদি চাস খোঁজ খবর নিয়ে কথা
বাতা চালাতে পারিছ।নিজাম-ছেলে কি করে।দাদা-বি এ পরীক্ষা দিয়েছে। চাকরি খুঁজিতেছে।এ মে পড়ার ইচ্ছা আছে ছেলের। নিজাম-বিয়ের পর পড়ালেখা হয় না।
আর বি এ পাস চা দোকানে মুদি দোকানে ভুরি ভুরি পাওয়া যায়। এসব ছাড়েন। ভালো ছেলে খুঁজেন।দাদা-তুমি বাপ তোমার পছন্দ তুমি খুঁজো ভালো হবে ।তবে
তোমার মেয়ের মতামত নিয়ে লইও।নিশি ঘড় সংসার করিবে তুমি না।নিশি-আইরিন ফরিদ ঢাকায় আছে চল একদিন পিকনিক করি হাতির ঝিলের । সবাই এক
আইটেম রান্না করিবো।আইরিন-তুই যখন বলছত ঠিক আছে।ফরিদকে বলবোনে শিশিরকে রেখে আসতে। অর দরকার কি।তুই তো দেখিছত মাথা নিচে করে মোক্ষ
ফুলায়ে বসে থাকে।আমি ঠিক বলছি না।নিশি-তুইও আমার সাথে।আইরিন-ঠিক আছে আমি ফরিদকে বলিবনে আমি তুই ফরিদ তিন জন যাবো।নিশি-থাক
তোমাদের মধ্যে আমি কাঁটা হইতে চাই না।আইরিন-আমি কিছুই বুঝিনা।তুই এই বললি যাবি আবার না করিস কেন। মন খুলে বল আমি যাতে বুঝি।নিশি-থাক থাক
অনেক হইছে।(এই দিকে শিশির ফরিদে বিএ রেজাল আসিয়াছে পাস করিয়াছে।চাকরি ও হয়ে গেলো।শিশির বাবা মার সাথে দেখা করিলো।ফরিদ আইরিনকে
ফোন করিলো।শিশির ফোন দিলো নিশিকে) শিশির-হ্যালো।নিশি-হ্যালো।শিশির-আমি শিশির কেমন আছো।নিশি-(হাঁসি দিয়ে বলিলো)ভালো না।কার কি আসে
যায়।আমার কে আছে জিজ্ঞাসা করিবে।যাক তুমি কেমন আছো।কি জন্য ফোন করিছো বলো।শিশির-আমি ভালো।আমি বিএ পাস করেছি।আর চাকরি হয়ে গেছে।
আগামি মাসে এক তারিখে জয়েন দিবো।দোয়া করিও।তোমাকে মিষ্টি খাওয়াতে মনে চায় তুমি যদি ঐ বটতলায় আসো তা হলে আমি অনেক খুশী হবো।মানা
করিওনা।তোমার দোহাই।নিশি-দোয়া তো করি আমাদের খুশীর সংবাদ আমার তো আসিতে হবে আজকে আসিবো।শিশির-ধন্যবাদ।আমি অপেক্ষা করিবো।
নিশি-তোমাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ আমাকে ফোন করে সুসংবাদ জানানো জন্য।আমি অনেক অনেক খুশী হইয়াছি।ভালো থাকো।শিশির-তুমিও ভালো
থাকো।নিশি-আইরিন আইরিন শুনিয়াছত।বিএের রেজাল এসে গেছে।ফরিদে কি খবর।আইরিন-ফরিদ ভালো পাস করিয়াছে ।শিশির খবর জানাস।নিশি-হ্যাঁ ও
ভালো পাস করিয়াছে।ফোন করেছিলো কিছুক্ষণ আগে।আইরিন-আমি সব কিছু জানি ফরিদ আমাকে বলেছে। ভালো ভালো।নিশি- শিশির আমাকে দেখা করিতে
বলছে ।আইরিন-দুইজন একসাথে যাবনে।সবাই একসাথে গল্প করিতে ভালো লাগিবনে ।তবে আমরা বাহিরের খানা খাবনা।আমরা সবাই এক আইটেম বানাবো।
নিশি-চার জন চার আইটেম।মজা হবে।আইরিন -(আমি ফরিদকে ফোন দেই)হ্যালো।।ফরিদ-হ্যালো।আইরিন- হাঁসি মোক্ষে আমি আইরিন।ফরিদ-(হাঁসি মোক্ষে)
ভালো আছো।আইরিন- (হাঁসি মোক্ষে) ভালো।তুমি কেমন আছো।ফরিদ-পাস করেছি এখন কি খারাপ থাকিতে পারি।আর তুমি আছো আমার পাসে।আইরিন-
আমি আছি থাকবো তোমরা সাথে।একটা কথা শুনো।আমরা একটা পিকনিক করিতে চাই।তোমার পাস করার খুশীতে তুমি কি বলো।ফরিদ- আমিতো চাই তোমাকে
নিয়ে সব সময় পিকনিক করিতে ।আজকে করিবা তাহলে এখনই আসিতাছি। আইরিন- আসতে চাও আসো।তবে কাল দুইটা বাজে বাহির হবো।ঘুড়িবো পরে রান্না
করে খাবো।ফরিদ-দেরি করিলে লেট হইয়ে জাবে।তুমি যখন পারমিশন দিচ্ছো আজকে আশিবো।কতো দিন ধরে দেখিনা তোমাকে।আইরিন-গত পরশু দিন না দেখা
হলো।ফরিদ-গ—ত পর–সু দিন তার পর কতো বড় বড় পাহারে মতন দুইটা দিন গেলো।আমি আর পারছি না আজকে আসিতেছি।আইরিন-হাঁসিলো আসো
বিকালে দেখা হবে।নিশি-(ফোন করিলো)শিশির-হ্যালো।নিশি- (হাঁসি মোক্ষে) আমি নিশি।শিশির-(হাঁসি মোক্ষে) হ্যালো হ্যালো।আমার তকদির খুলে গেছে।ভালো।
ভালো আছো।দুনজন হাঁসিলো। নিশি-(হাঁসি মোক্ষে) ভালো।তুমি কেমন আছো।শিশির-তুমি আমার হার্টের ব্যাটারি।তাই ফোন করিয়াছ।ভালোতো ভালো খুশীতে
আমার দুনিয়া খুশীতে চমকাইতেছে।তোমাকে বুঝাইতে পারবোনা।(নিশি খিল খিল হাঁসিতে হাঁসিতে পাগল হয়ে গেছে।নিসি-শুনো আমি আর আইরিন কালকে
তোমাদের নিয়ে পিকনিক করিতে চাই। তোমার আর ফরিদ ভাইর পাস করার খুশীতে।তুমি কি বলো। শিশির-আমিতো এখনই রেডি।আর কিছু হক না হক
তোমাকে একটু দেখিতাম।নিশি-ফরিদ ভাইকে নিয়ে আসো ।আসার পর পিকনিকের সব কথা হবে।শিশির- তুমি বলেছো ভুলেও দেরিতে বাস ফেল করিব না কখনো।
এখনই আসছি ।নিশি-হ্যাঁ হ্যাঁ দেখা
যাবেনে। (বিকালে ফরিদ শিশির অশীলও মিষ্টি নিয়ে)দরজা নক করিলো ।নিশি-(দরজা খুলে শিশিরকে দেখে হাঁসি দিলো) আছসালামুআলাইর্কুম এসো এসো
বসো ভালো আছো। শিশির- (হাঁসি মোক্ষে বলিলো)অলাইর্কুমসালাম ভালো।তুমি ভালো তো। নিশি -(নিশি একা টিভিতে বাংলাদেশ বনাম ভারত খেলা
দেখিতেছিলো)এখন অনেক ভালো লাগছে।ফরিদ-নিশি-আইরিন কোথায়। নিশি -(হাঁসিলো) পাসের বাসার ছেলের সাথে বেড়াতে গেছে আসে পরবে এখনই।
(ফরিদের মোক্ষটা কালো হয়ে গেছিলো) পাসের রুমে থেকে এসে আইরিন- (হাঁসি মোক্ষে)হ্যাঁ হ্যাঁ আমি পাসের বাসার ছেলের সাথে ভাইগ্যা গেছি হ্যাঁ হ্যাঁ।নিশি –
আইরিন দুলাভাইয়ের সাথে একটু দুষ্টামি করিলাম। ফরিদ-শিশির দুবোন প্যাক হইছে আমাদের আজ থেকে ঘুম হারাম হবেনে। চিন্তা কোনো কারণ নাই।
আইসক্রিম বেশী করে কিনতে হবে ।সবাই হাঁসিলো।আইরিন-আসল কথায় আসি ।এমন সময় নিশির মা চা টা নিয়ে আসিলো। নিশির মা-এই নেও সবাই
চা।শিশির-ছালাম আংটি ভালো আছেন।নিশির মা- অলাইর্কুমছালাম।আমি ভালো বাবা।শিশির তোমার বাবা মাকে একদিন নিয়ে আসো। বেড়ায়ে যাবেনে।
শিশির-ঠিক আছে আমি আব্বা আম্মাকে বলিবনে।(দাদী আসিলো)শিশির ফরিদ-ছালাম দাদী ভালো আছেন।দাদী-অলাইর্কুম ছালাম আমি ভালো তোমরা
পাস করিছো শুনে অনেক খুশী হইয়েছি । ফরিদ শিশির-দোয়া করিয়েন দাদী। দাদী-অনেক অনেক দোয়া করি তোমাদের।তবে এই খুশীতে শিশির একটা
ছড়া শুনাতে হবে আমাদেরকে। সবাই বলিলো হ্যাঁ হ্যাঁ শিশির একটা ছড়া হয়ে যাক।শিশির-ঠিক আছে।আপনেরা শুনেন।
ধ্বনি ধ্বনি ধ্বনি ধ্বনি জয় জয় ধ্বনি ।
জয় জয় জয় ধ্বনি বাংলার বাঘের জয় ধ্বনি ।
আমরা বাংলার বাঘ ,আমরা বাংলার বাঘ ।
হাড় জিত থাকবে চিরদিন এর নাম দুনিয়া ।
আমি বলি হার জিত বলিতে কিছুই নাই।
যে প্রথম হবে সে পুরস্কৃত হবে,যে শেষে
যাবে শেষের নাম্বার পাবে ।
আমরা বাংলার বাঘ , আমরা বাংলার বাঘ ।
পৃথিবী জুরে খেলবো, করিব না ভয় আমরা ।
ভাঙ্গবো লোহার তালা, খুলিব দরজা, জয়
করিব বিশ্ব, দেখায়ে দিব দুনিয়ারে ইনসা আল্লা ।
দেশে বিদেশের খেলার বন্ধুদের নিয়ে করিব খেলা ।
ছক্কা চৌকা এক্কা দোক্কা উইকেট নিব আমরা, গোলক
ধাঁ ধাঁ দেখিয়ে দিব খেলোয়াড়দের আমরা ।
আমরা বাংলার বাঘ ,আমরা বাংলার বাঘ ।
জয় জয় জয় বাংলার বাঘ,জয় জয় জয় বাংলা বাঘ।
জয় জয় করিব একদিন আমরা বিশ্ব, ইনসা আল্লা ।
সবাই হাতে তালি দিলো বা চমৎকার চমৎকার।দাদী নিশির মা চলে গেলো।ফরিদ-আইরিন তুমি পিকনিক কি জেনো বলিতে চাইছিলে।আইরিন-ও হ্যাঁ ।
তোমাদের পাস করা খুশীতে আমরা বাহিরে যেয়ে পিকনিক করিবো।শিশির-কোথায় ? নিশি-হাতির ঝিলে।শিশির-তাহলে তোমরা কি কি রান্না করিবে।আইরিন-
তোমরা মানে কি।বলো আমরা সবাই। শিশির-কাম সারছে আগেইতো ভালো ছিলাম।ফরিদ-আমরা কে কি রান্না করিবো।তবে আমি খিলি চকলেট বানাবো ।নিশি
-রিছিপি বলেন।ফরিদ-আধা কেজি জোলা গুর,তিনশ গ্রাম গুরু দুধ, আঁরাইশ গ্রাম বাদাম,আরাইশ গ্রাম শুকনা নারিকেলের গুরা,দুইশ গ্রাম একটা চকলেট।গুর আর
চকলেট পাঁচ মিনিট গরম করে পরে দুধ মিলিয়ে জাল দিব গুর আর দুধ মিলে গেলে পরে বাদাম নারিকেল দিয়ে কলাপাতা খিলাইর মধ্যে ঢালিবো ঠাণ্ডা হলে
খিলাইল খুলে খাব।নিশি-হুঁ আইরিনের মোক্ষে পানি আসিয়া গেছে।হ্যাঁ হ্যাঁ।সবাই হাঁসিলো।নিশি-আমি বানাবো হাজারি ফলের পাই। রিছিপি হলো এক কেজি ময়দা
,আধা কেজি বাটার,পাঁচটা ডিম,আধা কাপ দুধ,টেবিল চামিচের এক চামচ চিনি ব্যকিন পাউটার ভালো ভাবে মিস করে পেস্ট বানায়ে ২\৩ ঘণ্টা ফ্রিজে রাখিবো।
আর আম,কাঁঠাল,আপেল,পিয়াস, নাসি,বয়েজনব্যারি, ইষ্টব্যারি, চেরি,আঙ্গুর,গাপ ।টেবিল চামচে দের চামচে চিনি মিলিয়ে ভালো করে জাল দিবো।সিঁধো হলে
পরে ব্যকিন ট্রে পেস্ট রাখিবো।পেস্টের উপর পানি ঝরায়ে সিঁধো ফল রাখিবো,উপরে আরেকটা পেস্ট রাখিবো।পরে ওভেনে রেখে কুক করিব যতক্ষণ পর্যন্ত পেস্ট
কুক না হয়।পরে চারটা হাঁপ বাঁটি দুধের ক্রিমে সাথে পাই মিলিকে সবাই খাবো শিশির-তুমি এতো সুন্দর রান্না করিতে পারো।এই বার আইরিন তুমি বলো।
আইরিন- আমি মাশরুমের ছুপ আর।ফরিদ- গালিক ব্রেড বানাবা।তোমার হাতের মাশরুমের ছুপ আর গালিক ব্রেড অনেক মজা লাগে।রিসিপি আইরিন- মাশরুম
চিকুন করে কেঁটে বাটার দিয়ে ভাজিবো পর ফিসিয়ে তারপর পরিমাণ মতন তিন কাপ দুধ আর এক কাপ ক্রিম মিলায়ে পরিমাণ মতন চিনি দিয়ে ভালো করে
জাল দিবো,পরে মাশরুমের ফেলেবার দিয়ে দিবো।ব্রেড আধা কেজি ময়দা,আরাইশ স গ্রাম বাটা পরিমাণ মতন ব্যকিন পাউটার মিসায়ে রোল করে পরে কেটে বাটার
আর গালিকের গুরা মিসায়ে ভিতরে দিয়ে ভালো করে রোল করে ওভেনে কুক করিবো।এবার শিশির তুমি।শিশির-আমি। এতো কিছু খাওয়ার পর পেটে কি জাগা
থাকিবে।আমি তো কোন দিন রান্না করিনাই। নিশি-ও আল্লা বলে কি।কোন দিন রান্না করে নাই। জনম ভরে আমাকে রান্না করে খাওয়াতে হবে আর কি।শিশির-
চিন্তা করিও না।আমি চা বানায়ে খাওয়াবনে। আইরিন-(হাঁসি দিয়ে বলিলো) চায়ে মরিচ কতো চামিচ দিতে হয়। শিশির-নিশি তুমি চায়ে চিনি কম হলে চিনি দিয়ে
খাস।সবাই হাঁসিলো হ্যাঁ হ্যাঁ। কাল বিকালে দেখা হবে।আজকে আসি।পরে দিন বিকালে।চার জন গেলো হাতির ঝিলে।রান্না বান্না খাওয়া দাওয়া হয়ে গেলো।নিশি
গান ধরিলো(
নিশি -তুমি ভালোবেসেছ বলে আমি বেঁচে আছি।
শিশির-যখন প্রাকৃতিক পৃথিবী দেখেছি,
মন প্রাণ দিয়ে ভালবেসেছি আমি।
তুমি আমার হৃদয়,
তুমি আমার ভালবাসার প্রাকৃতিক পৃথিবী।
পৃথিবী হৃদয় হয়ে থাকিবো আজীবন ।
আইরিন- আমি পৃথিবী আছি বলে তুমি স্বপনে দেখ,
আমি পৃথিবী আছি বলে তুমি আসা বাঁধো ।
আমি পৃথিবী আছি বলে তোমার মন প্রদীপে
আলোতে হাঁসি ফুটে।
আমি পৃথিবী আছি বলে তোমার মন প্রদীপের
আলোর সাথে আমার ছায়া থাকে।
ফরিদ- আমরা স্রষ্টার সৃষ্টি এক দুইজনের জন্য।
ভালোবেসে পারি দিবো এই জীবন।
শিশির-আমি সূর্য হয়ে আঁকাসের ভেলায় ভাসিবো।
নিশি-তোমার সূর্য রশ্মি দিয়ে আমার পৃথিবী ফুল ফুটাবো।
ফরিদ-আমি সূর্য হয়ে আঁকাসে ভেলায় ভাসিবো।
আইরিন-আমি আঁকাসে চাঁদ হয়ে সূর্য রশ্মিতে
মিঠা মিঠা হাঁসিবো।
শিশির -তুমি যখন হারিয়ে যাবে আমি গাংচিল হয়ে
উড়ে উড়ে খুঁজিবো তোমাকে।
নিশি-আমি কচুরি ফুলে শয্যা হয়ে তোমার অপেক্ষা থাকিবো।
ফরিদ-আমি যদি সাগর হোতাম।
আইরিন -আমি পালতোলা সাম্পানে তরী হয়ে ভাসিতাম।
নিশি-আমি নিশিতে তোমার অপেক্ষা থাকিবো।
শিশির-হাড় কাঁপানো শীতের চন্দ্রমার চোখের জলে শি শির হয়ে
আসিবো তোমার কাছে।সাত রঙে রাঙ্গাবো তোমার হৃদয়ের আঙ্গিনা।
আইরিন-আমি আকাশে মেঘ ভেলা ভাসিবো।
ফরিদ-আমি পবন হয়ে তোমাকে রংধনুর দেশে
রংধনুর রঙে মেলায় নিয়ে যাবো।রংধনুর রং দিয়ে রাঙ্গাবো তোমার হৃদয়টারে।।।।)
লিটন-(দুর থেকে দেখে দৌড়ায়ে আসিয়া বন্ধুদের নিয়ে নেচে নেচে বলিল)। গিন্নিরা
তোমরা আছো বলে আমি বেঁচে আছি।কি আমি ঠিক বলিনাই গিন্নিরা।আমি ভালোবাসার কথা বললে দোষ।এখানে যা হইতেছে সতী সাবিত্রী পূজা।তাই না গিন্নিরা।
বন্ধুরা-পূজার ফিনিশিন পাট টা আমরা শেষ করি।ফরিদ শিশির-ঐ ওদের সুইবিনা ভালোই ভালোই চলে যা।তা না হলে ।লিটন বন্ধুরা-(সবাই হাঁসি দিয়ে বলিল) না
হলে কি হবে।আমরা ডরাইয়া গেছি।বাঁচাও বাঁচাও।সালে তদের আগে শিক্ষা দিতে হবে,পরে ঐ দুইটারে দেখিবো।(সবাই চাকু হকি হাতে ঝাঁপিয়ে পরিলো) লাগা
শালাকে ডিসুম ডিসুম। ফরিদ শিশির- ধর শালাকে।(মার খেয়ে লিটন ও বন্ধুরা দৌড়ায়ে ভাগিলো।আর বলিল দেখে নিব।আমি এখনই কুদ্দুছ ভাইয়ে কাছে যাবো।
( কুদ্দুছ ভাই লিটন লিটনের বন্ধুরা ওদের বাসায় হৈ চৈ সুরু করিলো)। কুদ্দুছ-এই তরা থাম। আমাকে কথা বলতে দে।(সবাই চুপ হইলো)দাদা-কি কুদ্দুছ ভাই।
আপনেরা আমার বাসায়। আমাকে ডাকিলে তো আমি আসিতাম।যাক কি ব্যাপার বলেন তো।কুদ্দুছ-পোলাপাইন আমাকে ধরে নিয়ে আসিয়াছে।আমি অনেক মানা
করেছি কিছুতেই মানাইতে পারিনাই।যাক পোলাপানের বিচার চাইছে ।লিটন তুই বল।লিটন-আপনে নাতিনরা এক এক দিন এক এক ছেলে নিয়ে ট্যাংকি মারে।
এটা আমাদের সমাজে জন্য খুব খারাপ।(লিটনের বন্ধুরা সবাই বলিলো)হ্যাঁ এটা খুব খারাপ। লিটন-তর নাতিনরা খারাপ এটা দেখছনা কেনো, আমাদের নামে
কুদ্দুছ ভাইয়ের কাছে নালিশ দিসত।কে ভালো কে খারাপ এখন বিচার হবে।ডাকা তোর নাতিনদের।কুদ্দুছ-এই তরা থাম। তরা যদি না থামছ তাহলে আমাকে কেনো
ডাকায়েছত। তরাই বিচার কর আমি চলে যাই। লিটন-কুদ্দুছ ভাই ঠিক আছে ,আপনে বলেন।কুদ্দুছ-আপনেরা কিছু মনে করিয়েন না ।পোলাপাইনতো মাথা গরম
।মিজান নিজাম-আমরা কি করি না করি।কুদ্দুছভাই আপনার বা ওদের কি আসে যায়।কুদ্দুছভাই আমরা কি আপনেরে বা আপনেরে বাসার কাউকে ডিস্টার্ব করেছি।
কুদ্দুছ-মানে এই ভাবে ছেলেমেয়ে ঘুরা ফেরা করাটা কি ঠিক?তার উপরে অদের মারধর করা এইটা কি ঠিক?আমি তো ওদের থামায়ে রাখিয়াছি।দাদা-আজ কালকার
ছেলেমেয়ে, ফরিদ শিশির আমাদের আত্মীয়।ওরা একই কলেজে ছাত্রছাত্রী পার্কে ঘুরিবে এমন কি দোষ হইছে।লিটনে মতন বাসায় আসিয়া ধমক দিয়ে কাজের
মেয়েকে হাত ধরে টানা টানি করা কি ঠিক।আজকে আবার আমার বাসায় আসিয়া পরেছে।আমাদের ভালো মন্দ আমরা বুঝিবো।অসর্ব লিটনকে জিজ্ঞাসা করেন ও
কি করেছে।দেখে মনে হয় ভালো মার খাইছে ।এইতে মন ভরেনাই আরো দরকার।কুদ্দুছভাই অদেরকে বলে দিন অরা অদের কাজ করিতে।আমাদের বাচ্চাদের
থেকে দুরে থাকতে।(এমন সময় রাস্তা দিয়ে পুলিশ যাইতে ছিলো।পুলিশ দেখে সবাই বলো ঠিক আছে ।আমরা চলি।)দাদা-যতসব কুদ্দুছকে হাত করেছে।নিজাম-অরা
সবই এক।দাদা-চল থানায় যেয়ে একটা জি ডি করে রাখি।মিজান নিজাম-হ্যাঁ চলেন এটাই ভালো হবে। পরদিন শিশির বাসায় হামলা করিলো লিটনদের গ্রুপ
নিয়ে।শিশির ফরিদ সবার হাত পা ভাঙ্গিয়া দিয়েছে পরে ভাঙ্গা হাত পা নিয়ে সবাই পলাইলো।কিছুদিন পর একদিন নিশির বাবার সাথে গাড়ীতে কলেজে
যাইতেছিলো।এমন সময় লিটন গাড়ী সামনে দাঁড়ালো।লিটন-গিন্নি তোমার আব্বা তোমাকে তোমার বন্ধু বাসায় নামিয়ে দিতে যাচ্ছে।মধুর নাচ নাচিবে। আমার সাথে
নাচলে ইজ্জত যায় নিশি-আপসোস এতো মার খাওয়ার পর মানুষ হইলি না।আমার মনে হয় আল্লা পুরা সরিলটা যাউরা হাড্ডি দিয়ে বানিয়েছে।রাস্তা ঘাটে এতো
মাইর খাঁচ তার পর কিছুই হয় না। নিজাম-গাড়ী থেকে নেমে হ্যালো হ্যালো পুলিশ ভাই এই দিক আসেন। এই দেখেন আমাদের গাড়ী থামায়ে অসলিস ভাষায়
বলিতাছে।পুলিশ-এই আপনার নাম।আমার নাম লিটন।কি করেন।এই গাড়ীটা আমার উপর উঠাই দিচ্ছিলো।রাস্তা ঘাট কিছুই দেখেনা।মনে হয় মদ খেয়ে অনেক
স্পিরিটে গাড়ী চালাছে।আর একটু হলে আমাকে মেরে ফেলিতো।আপনে বিচার করেন।আমি কিছু বলিলে দোষ।পুলিশ -আপনার নাম। নিজাম-আমার নাম নিজাম।
পুলিশ-আপনে কি মদ খাইছেন।নিজাম-আমাকে দেখে মনে হয় মদ খাইছি।আমি কোন দিন মদ খাইনাই।আমি গাড়ী চালায়ে যাইতেছিলাম হঠাৎ ও এসে
আমার গাড়ী সামনে দাঁড়ায়ে গেছে ।আমি হাট ব্রেক করায় ও বেঁচে গেছে।আর ওর দিকে চেয়ে দেখেন কে মদ খাইছে। পুলিশ-এই বানচোদ সত্য কি বল
(দুইটা বেতের বারি দিয়ে বলিল)।তোর হাত কি ভাবে ভাঙ্গিয়াছে।লিটন-পরে গিয়ে হাত ভেঙ্গে গেছে।মামা এই নেন ৫০০টাকা।পুলিশ-ঠিক আছে তুই যা।
আপনে ডাকিয়েছেন কিছু দিবেন না।নিজাম-এই নেন ১০০টাকা আর নাই আমার কাছে।বা আপনার তো ভালো ইনকাম হলো৬০০টাকা।পুলিশ-আমরা কি
।ডিউটিতে থাকিতে হাজারো দেশের কাচরা ছাব করিতে হয়, এতো কষ্ট করে ধরি থানায় নিলে সাথে সাথে বড় বড় করতাদের ফোন আসে পরে ছেরে দিতে
হয়। আমার তো চাকরি যাওয়ার ভয় আছে।থানায় নিয়ে এতো মারি ।কোটে নিলে হয় বেল,না হয় ছয় নয় মাস জেল হওয়ার পর বাহিরে এসে সব কিছু ভুলে যায়।
আবার যে হেই।আর যদি সব ক্রিমিনালদের জেলে ভরি এতো ক্রিমিনালদের কে খাওয়াবে, রাখার জন্য এতো জেল কোথায় পাবো। তবে৫০০টাকা পাইলাম
এইটাই ভালো। আর কি। আপনার বিপদ থেকে রক্ষা করিছি কি না।নিজম-হ্যাঁ ধন্যবাদ।(দুই দিন পর।নিশি তার মা দাদী দাদাকে নিয়ে খালার বাড়ীতে বেড়াতে
যাইতে ছিলো ।এমন সময় নিশি দেখিলো শিশির দোতালায় রাজ স্তোকারে কাজ করিতেছে। নিশি-এই ড্রাইভার গাড়ী থামাও এখানে।দাদা-কি হয়েছে।নিশি
-কিছুনা দাদা আমার ভালো লাগিতেছে না।আমি যাবনা। আমি বাসায় চলে যাবো। আপনেরা যান খালার বাড়ী।নিশি গাড়ী থেকে নেমে ভালো করে দেখিলো
কান্না চোখে ।নিশি- কাঁদিতে কাঁদিতে বলিল এতো বড়ো ধোঁকা বাজ। সবাই আমাকে ধোঁকা দিয়েছে।আইরিন কুকুরটারে দেখাবনে মজা। সবাই মিলে আমাকে
মিছে জাল ফান্দে ফালাইছে।আইরিনে আমি কি খতি করেছি তর।(কাঁদিতে কাঁদিতে বেবী করে চলে গেলো বাসায়।)(রাতে শিশির ফোন দিলো নিশিকে, নিশি
ফোন কেটে বন্ধ করে দিলো।শিশির ১০বার ফোন দিলো নিশির ফোন বন্ধ।পরে শিশির চিন্তায় পরে গেলো নিশির কি হলো।আচ্ছা ফরিদকে একটা ফোন দেই।)
ফরিদ-হ্যালো ।শিশির-হ্যালো ফরিদ আমি শিশির।ফরিদ-হ্যাঁ কি খবর।শিশির-আমার খবর ভালই।তবে নিশিরে অনেক বার ফোন করিলাম অর ফোন বন্ধ কি
ব্যাপার আইরিনকে দিয়ে খবরটা নিতে পারবি কি?ফরিদ-ঠিক আছে আমি পরে তরে জানাবনে।(এক ঘণ্ট পর ফরিদ ফোন দিলো)শিশির-হ্যালো ফরিদ কি
খবর ফরিদ-নিশির মা বলিলো নিশির মাথা ধরেছে ।চিন্তার কোন কারণ নাই। কাল বা পরশু তুই একটা ফোন দিস নিশিকে।(নিশি খাওয়া দাওয়া ছেরে দিয়েছে
কাঁদিতে কাঁদিতে দিন রাত কাঁটিতাছে। কলেজে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে।বন্ধু বান্ধবে সাথে দেখা বা কথা বন্ধ করে দিয়েছে।এই দিকে শিশির তিন চার দিন
ধরে কোনো খোঁজ খবর না পেয়ে।নিশির কলেজে এক বন্ধুকে ঠিক করিলো ওদের বাসায় গিয়ে নিশির খবর নেওয়ার জন্য।)মিছি-(ফোন দিলো শিশিকে)শিশির
-হ্যালো।মিছি-হ্যালো শিশির ভাই খবর ভালো না। আপনা শুনার সাহস আছে।তাহলে আমি বলি।শিশির-মিছি তুমি কি বলো আমি কিছুই বুঝিলাম না। মিছি-
যা হবার হইছে সবকিছু ভুলে যান।শিশির-এই সব কথার মানি কি?নিশির অন্য কোনো জায়গা বিয়ে হয়ে গেছে,না ঠিক হয়ে গেছে।মিছি-আর বিয়ে ,হইলে আপনা
চাইতে ভালোই হইতো।শিশির-মিছি ভালো করে খুলে বলো আমার হার্ট এটাক হইয়া যাইতেছে।তুমি কথা পেছাইওনা তো।মিছি-আপনে মেয়েদের কাছে রাজা
হয়ে ফুসলাকে ফাসলাকে প্রেম করেন।এইটা তো জানেন না।যখন সত্য ফাঁস হয়ে যাবে তখন কি হবে।কি হবে জেলে যাবেন।এখন কার মেয়েরা বোকা না।সত্য কি
সব খুঁজে বাহির করে এই কথাটা মনে রাখিয়েন।শিশির-আমি কি মিথ্যা বলেছি বলোতো।মিছি-আপনে বলবেন আমি কি জানি আপনে কে, কি করেন।নিশি
আপনা ছলনা ধরে ফালায়াছে।শিশির-আমি নিশির কাছে কিছুই মিথ্যা বলিনাই। হয়তো বা কেউ আমার নামে মিথ্যা বলে গেছে।মিছি-নিজে দোষ করিবেন আর
কারো উপর চাপায়ে দিবেন।আপনে অনেক চালাক।আপনে কে, কি করেন বলেন তো।শিশি-আমি বিএ পাস করেছি।এ মে ভরতি হয়েছি।মিছি -(মিঠা মিঠা হাঁসি
মোখে বলে)হুঁ আর।শিশির-এই মাসে চাকরি সুরু করেছি।মিছি-(মিঠা মিঠা হাঁসি মোক্ষে বলে)হুঁ সব মিথ্যা।চোর ধরা খাইছে আমার কাছে ও মিথ্যা বলিতাছে সরম
লজ্জা কিছুই নাই হ্যাঁ হ্যাঁ। আপনে কি চাকরি করেন।শিশির-ঢাকা বোডে অফিসার।মিছি-এখনো ও মিথ্যা বলছেন ।আমি বলি আপনে কি কাজ করেন।নিশি নিজ
চোখে দেখিয়াছে ।আপনে ধোঁকেবাজ মিথ্যাবাদী।পড়ালেখা কিছুই করেন নাই।আপনে একজন রাজস্তোকার। নিশি সাথে ধোঁকা দিয়েছেন ওতো খাওয়া দাওয়া
ছেরে দিয়েছে ও কারো সাথে কথা বলে না।নিশি হয় তো আচ কাল মধ্যে মারা যাইবো।ওকে হাসপাতালে চাইটা স্যালাইন দিয়ে রাখিয়াছে।আপনে তৈয়ার হয়ে জান
জেলে যাওয়ার জন্য মিথ্যার কি মজা বুঝিবেনে। আমি ফোন রাখি।শিশির-এ মিছি ফোন রাখিওনা। আমার কথা শেষ হয় নাই।মিছি-কি বলিবেন তাড়াতাড়ি
বলেন।শিশির-আমি কি রাজস্তোকার, হায়রে দুনিয়া।এর নাম ভালোবাসা। হায়রে মেডিন মাইয়ালোক। মাইয়ালোক পাগল তো পাগল তার উপর মাথা খারাপ।
এদের মধ্যে তুমি এক জন।মিছি-কি বললেন?শিশির-(কান্না চোখে বলিল)আমার কথা শুনো।আমি বিকালে আমার বাড়িতে রাজস্তোকার কাজ করি যারা কাজ
করে তাদেরকে দেখায়ে দেই।নিশিকে কখনো বলিনাই এই ব্যাপারে কথা বলার কোনো সময় পাইনাই।নিশি দেখিয়াছে ভালো কথা কিন্তু আমাকে বলিলে সব
সমস্যা সমাধান হইতো।(হাঁসি মোক্ষে বলিল)একে বলে মেডিন মাইয়ালোক।(কান্না চোখে বলিল) হায়রে ভালোবাসা বোম্বাই মরিচ ।আমি ভালোবাসি বলে এই
পরিণাম দিলো।ও তো মরিবো আমারে তো জীবিত লাস বানিয়ে রেখে যাইবো।আমারে একজন খুনি বানায়ে দুনিয়াতে রেখে যাইবো।এতো বড় অভিসাব নিয়ে কি
ভাবে জীবিত থাকিবো। আমার তো হাসপাতালে যাওয়া দরকার ।আমি কি ভাবে যাবো।যাক আমি দেখি কি করা যা তুমি কাউকে কিছুই বলোনা।আচ্ছা আমি রাখি
এখন।ভালো থেকো।মিছি-ঠিক আছে।যে ভাবে হোক নিশিকে বাঁচান।শিশির ফরিদকে ফোন দিলো। ফরিদ-হ্যালো।শিশির কান্না চোখে বলিল হ্যালো ফরিদ আমি
শিশির ।ফরিদ কি হয়েছে তোর কাঁদছত কেনো?শিশির-আর বলিস না।আমার সব শেষ।ফরিদ-কি হয়েছে বলবি তো।শিশির——–।তুই আজকে আইরিনকে
নিয়ে আস ঢাকায়।ফরিদ-ঠিক আছে আমি আইরিনকে এখন নিয়ে আসছি।তুই চিন্তা করিস না।বিকাল বেলা ফরিদ আইরিন আসিলো।শিশির-(রাগ আর কান্না
চোখে বলিল)আইরিন বোন আমার, এই নে এই প্যাকেট টা আর একটা জুসের বোতল নিশিকে দিও।আর বলিও নিঁশি যদি মরে যায় । আমি আল্লাকে বলিবো
আল্লা তুমি দুরে সরো। নিশি আমার মুজরিম আমি আগে সাজা দিবো।এই প্যাকেটে বিচ্ছু তেলাপোকা একটা মাকড় একটা জোক।অনেক ভয়ংকর আওয়াজ করে।
চিকুন সুরে ।চাপটা মতন সরিলে লেগে থাকে।এইগুলা নিশির নাকে উপর রাখিবো।একটা করে নাক দিয়ে দিবো চোখ দিয়ে বাহির করিবো।ও আমাকে অনেক বড়
সাজা দিছে।আইরিন-এই প্যাকেটে তেলাপোকা, বিচ্ছু, মাকড় জোক। শিশির-হ্যাঁ। আইরিন-(প্যাকেট ফিকে দিলো ওড়না ফেলে চিলায়ে ফালায়ে ফালায়ে বাড়ী ঘড়
তুরপাল করে বলিল)ওমা বলে কি, সবই (বেঁকা চোঁকা হয়ে)আমার সব সরিলে আসিয়া গেছে।এখানে এইখানে।(আইরিন ভয়ে জ্ঞানহারা।)ফরিদ শিশির পানি
ছিটায়ে ভালো করিলো।ফরিদ-ভয় পাবার কিছু নাই।তোমার সরিলে কোন কিছু নাই।আইরিন-সত্য।ফরিদ-এই দেখ প্যাকেট কোন দিক দিয়ে খোলা নাই। (কিছু
সময় পর)আচ্ছা এখন যাওয়া যাক নিশির কাছে।আইরিন-এ প্যাকেট আমার সামনে থেকে দুরে রাখো ।ফরিদ-এই দেখো আমার ডান পাসে ব্যাগে রাখিলাম ।এখন
তোমার ভয় নাই। চলো।আইরিন -(হাসপাতালে)নিশি তুই এই কি করেছিস?আমাকে বলতে পারতি। তুই তো অসুস্থ হইসত শিশিকে অসুস্থ করিসত। কিছু না জেনে
শুনে এইটা কি করিসত।এইনে জুস শিশির পাঠায়েছে।আর রাগ করিস না।শিশির ভালো বংশের ভালো ছেলে।তুই ওকে চিনিতে পারিস নাই।আগে চিনে নিস পরে
আমাকে বলিস।আমাকে বলিস কোনটা মিথ্যা কোনটা সত্য। ভালোবাসা না বাসা তর মনের ব্যাপার।তর মনে যেটা বলে সেটা ঠিক। আর কান্না করিস না।শিশির
বলিয়েছে তুই ভালো হয়ে তর মন পছন্দ মতে ছেলেকে বিয়ে করে সুখী হইস।তুই যদি মরে যাস তোকে কোন দিন মাপ করিবে না।শিশির বলছে তুই মরিলে দুনিয়া
যাই বলুক ও নিজেকে কি ভাবে বুঝাবে ।জীবন ভরে একজন খুনি হয়ে থাকবে। এই কি ভালোবাসার প্রতিদান।ফরিদের কাছে একটা প্যাকেট দিছে।তুই মরিলে তর
নাক কান চোখ দিয় মাথায় ঢোকাব আর বাহির করিবে।আমি ,তেলাপোকা, বিচ্ছু,মাকড় দেখে জ্ঞান হারা হইয়ে গেছি।এখন তুই যা করিতে চাছ তাই কর।এখন
জুস খাবি।নিশি-ঠিক আছে খাবো।ওকে পরে দেখে নিবো।ওর এতো বড় সাহস। ( পরে দিন নিশি বাসায় আসিলো।দুই দিন পর নিশির রাগে ফাঁইটা যাইতেছে।
বড় একটা লাঠি লইয়ে শিশির বাসায় হাঁটা সুরু করিলো মনে মনে বলিলো আজকে তোমারে খাইছি।এতো বড় সাহস আমার নাক মোখ দিয়া বিচ্ছু দিবো।না
পারুম মরিতে, না পারি বাঁচিতে,না পারি ভুলিতে আজকে তোমার একদিন, না হয় আমার এক দিন।)পিছিলা-ওরে বাপরে নিশি এতো বড় লাঠি লইয়া কৈ যাস।
নিশি-জাহারনামে। তর কি।তর নাক গলাতে হবে না।তুই যে কামে যাইতাসত সে কামে যা। পিছিলা-(নিশির একটু পিছে গিয়ে বলিল) এই তো গেছে কামছে।
মাথা পুরাটা গেছে।(নিশি শিশির বাসায় যেয়ে উপর দিকে দেখিলো শিশির নাই পরে গেট নক করিলো।)দারোয়ান-আপনে কে?কাকে চান?নিশি -এখান শিশির
আছে। দারোয়ান-হ্যাঁ আছে।আপনে দাঁড়ান আমি ডেকে দিচ্ছি।(শিশিরে দুলাভাই হঠাৎ জানলা দিয়ে দেখিলো খুব সুন্দর একটা মেয়ে মোটা একটা লাঠি নিয়ে দারায়ে
আছে।খুবই ক্লান্ত ।মনে মনে ভাবিলো কি ব্যাপার কাকে চায়। বাহিরে আসিয়া দারোয়ানকে ডাকিলো)দুলাভাই-এই দারোয়ান কোথায় তুই।দারোয়ান-আমাকে
ডাকছেন। দুলাভাই-ঐ মেয়ে কাকে চায়।দারোয়ান-শিশির ভাইকে চায়। দুলাভাই-হুততুরি দারোয়ান গেট খুলে দে।আসেন আসেন সাহেব জাদা ঐখানে মাইর তো দিবেন
মারটা একটু জোরে দিয়েন।যাক আপনে আসছেন বলে আজকে দিনটা ভালোই যাবে।(নিশি যেয়ে দেখে বাসার সামনে ফুলের টপ সাজাইতেছে।নিশি শিশিরে সামনে যেয়ে
কান্না সুরু করিলো পরে দপ্পর করে বসে পরিলো। শিশির দেখে অবাক সাথে সাথে কেোলে উঠায়ে বাসার ভিতরে নিয়ে গেলো)দুলাভাই-যা আজকে দিনটা মাটি হয়ে
গেলো।শিশির-আপু আপু এইদিকে আসোতো। ইয়ার কন্ডিশনটা একটু বারায়ে দেও ঠাণ্ডা বাতাস আসিবেনে।মা মা এক গ্রাস ঠাণ্ডা জুস আনেন তো।মা-ও কে বাবা।
শিশির-ও নিশি।পিয়ারা-(মাকে ইশারায় বলিল)মা আপনা জামাই বলিল ও আপনার ছেলের বউ। মা-(মা মুস্কি হাসিল)মা নিশি তোমার এই অবস্থা কেনো।শিশির-
এই সব কথা রাখেন তো এখন। ও অনেক ক্লান্ত। পিয়ারা-এই নেও এই ঠাণ্ডা কেক ঠাণ্ডা জুস খেয়ে আরাম করো।নিশি তুমি এই ছোপায় সুয়ে পরো মাথাটা
আমার কোলে রাখো ,আমি তোমার মাথায় হাত বুলে দেই তোমার ভালো লাগিবে।পরে কথা হবে।নিশি-এখন অনেকটা ভালো লাগেছে।। শিশির-(মাথা বুলাতে
বুলাতে চোখে পানি ছেরে দিলো।)তুমি যা করিয়াছো এটা কি ভালো কাজ করিয়াছো। আমাকে অনেক বড় সরম দিয়েছো।এই কি ভালোবাসার প্রতিদান।নিশি-
(কেঁদে কেঁদে বলিল) আমার অনেক বড় ভুল হইছে।আমারে মাপ করে দাও।আমি মাপ চাই।শিশির তোমার দোহাই আমারে মাপ করে দাও।আর কেঁদো না
(নিশির ওড়না দিয়ে শিশির চোখ মোছে দিলো।)আমি না পারি মরতে না পারি বাঁচিতে না পারছি এক মিনিটের জন্য তোমাকে ভুলিতে।তাইতো তোমার কাছে
সুটে আসিয়াছি।আর কোন দিন ভুল হবে না।শিশির-মানুষের জীবন সব সময় এক রকম যায় না। সময়ের উপর নির্ভর করে কার কখন কি কাজ করিতে হবে।
তার জন্য মানুষকে খারাপ চোখে দেখিতে নাই।এর নাম দুনিয়া।দুনিয়া কোন কিছু চিরস্থায়ী না।দুনিয়া ও চিরস্থায়ী না।মানুষের জীবন দিনে দিন পরিবর্তন হয় ,
তদ্রূপ দুনিয়া দিনের দিন পরিবর্তন হয়। নিশির নাক ধরে বলিলো এ বাড়ী আমাদের ।আব্বা অনেক আগে কিনেছে।আগে এক তালা ছিলো ।একতালা ভেঙ্গে এখন
পাঁচ তালা উঠাইতেছি।থাক এসব কথা।আচকে কতো তারিখ বলোতো।নিশি-কেনো আজ ১২ আগঃ।শিশির- তোমার কি কিছু মনে পরে।নিশি-আমার কি মনে
পরিবে। ১২আগঃ ও আল্লা আমার জন্মদিন।শিশির-আমি আগে জেলি কেক বানাইয়েছি নিজ হাতে।আপু বলে দিয়েছে আমি বানাইয়েছি।আর আপু বানায়াছে পনির
পাকোরা,সমুদ্রের খাজানা সুপ।আপুকে তোমার কথা বলিনাই।তবে তুমি আসার আগে মনে মনে ধারনা করিয়েছে পরে তোমাকে দেখে বুঝে গেছে।নিশি-সমুদ্রর
খাজানা সুপ বলতে কি বোঝাচ্ছ। শিশির-আপু হাজার রকমের মাছ আর সবজি দিয়ে সুপ বানায়।খাইতে অনেক মজা।খেইলে বুঝিবেনে। খেয়েদেয়ে বাহিরে যায়ে
কিছু খন ঘুরিবো।কি বলো।নিশি-ঠিক আছে ভালই হবে মনটা ফেরেস হইবে।আপু আপু এখানে আসতো।পিয়ারা-কি জন্য ডাকছিস।শিশির-নিশির আজকে
জন্মদিন।পিয়ারা-নিশি জন্মদিন মোবারক ।নিশি-ধন্যবাদ ।শিশির-দুলাভাইকে ডাকো।তোমার রান্না করা পনির পাকোরা আর সুপ দিয়ে আমরা সবাই জন্মদিন
বানাই।( দুলাভাই ছোট মেয়েকে কোলে করে আসিলো।সবকিছু রেডি কেক কাঁটার সময় দুলাভাই বলিল)দুলাভাই-আমি জন্মদিন মোবারক দিব,তার আগে
আমার একটা শর্ত।শিশির-কি শর্ত দুলাভাই।দুলাভাই-আমার শর্ত হলো তোমাদের দুইজনে কাছে। তোমরা যা কিছু করো আমারা কিছুই বলিবনা।তবে তোমরা
যদি নিজেরা বিয়ে করো তা হলে আমরা কখনো মাপ করিবনা।নিশি আমরা তোমাদের পরিবারের সাথে পরিচিত হবো।তোমার পরিবার আমাদের সাথে পরিচিত
হবে।কিছু গোল জোল মিলাবো। তোমার পরিবার রাঁইন্দা বাইরা আমাদেরকে খাওয়ায়ে কান্না কাঁটি করে তোমাকে বিদায় দিবে আমরা তোমাকে তোমার ঘড়ে
উঠাবো।তুমি যে দিন এই ঘড়ে আসিবা সে দিন থেকে এই ঘড় তোমার মরণে শেষ দম তক।তবে কিছু হিসাব আছে। এই ঘড়ে যা কিছু আছে সব কিছু তোমার
আপন করিতে হবে।তুমিও তাদের আপন হতে হবে।এইটা সত্য তোমার কাছে কিছু ভালো লাগিবে,কিছু ভালো লাগিবে না।তেমনই তোমার শশুড় শাশুরি কিছু
ভালো লাগিবে কিছু ভালো লাগিবে না ।এইটা তোমার সমাধান করিতে হবে।তবে সুখী পরিবার হবে।খুশী যত বিলাবে তত খুশী বাড়িবে ।(
জান বাঁচাতে লাগে নিঃশ্বাস।
দুনিয়া চলতে লাগে একজন সাথী।
আসা নিরাশা সুখ দুঃখ মহামায়া দুনিয়া সবই ফাঁকি।
)(নিশি শিশির একজনে আরেকজনে মোখের দিকে আর চোখে চায় আর মিঠা মিঠা হাঁসে।)নিশি শিশির-দুলাভাই আপনের শর্ত
মনজুর।শিশির-এখন কেক কাটা যাবে।(সবাই বলিলো হ্যাঁ।জন্মদিন মোবারক ।জন্মদিন মোবারক।)
শিশির -নিশি অতীত কিছু গরম নিঃশ্বাস ভুলেগিয়ে।
আচ থেকে চম্পা চামেলি সুভাস সৌরভ হৃদয়ে ভরে উঠুক,
মন প্রদীপের মুদ্ধো জ্যোৎস্না ।
রঙিল হক উজ্জ্বল জীবন।
জন্মদিন মোবারক,জন্মদিন মোবারক।
(সবাই বলিল মোবারক মোবারক জন্মদিন।)
(খাওয়া দাওয়া পর দুজন মিলে ঘুরিতে গেলো।একটা baby doll কিনে দিলো।সেই বট গাছের নিচে বসিলো।তখন) নিশি-
ডাকছে পাখি ভাসছে মধু বাতাসে ।
পাখির কলরব সুনে মনে যে বইছে
হিমেল হাওয়া , শুরু হলো যে মনে
গুন গুন গুঞ্জন ।
বেদরদি ,হৃদয় হীন ,পাষাণ সুনে ও
সুনে না, বুঝে ও বুঝনা কিছু ।
নীল আঁকাসে পাখির মেলা,মনের বাঘ
বাগিচায় সবুজ শ্যামল মধ্যে হাজার
রং বিরঙের ফুলের বাহার ।
কি সুন্দর মধুর মাস হারিয়ে গেলে
আর কখনো পাবা নাকো তুমি ।
নীল আঁকাসে নিচে বাঘ বাগিচায়
সবুজ শ্যামলে হরেক রকমে ফুলের
বাগিচায় ময়ূর প্রেগাম ধরেছে ।
প্রেগামে নৃত্য তালে তালে হাজারো
ছন্দ ঝরছে ।
বেদরদি এইতো দিচ্ছে দৃষ্টি নন্দন ।
বেদরদি এসো এসো তোমার হৃদয়ে
আঁকাসটারে ভালোবাসার রং দিয়ে রাঙ্গিয়ে
নেও ।
বেদরদি এসো এসো দুজন মিলে হৃদয়ে
হৃদয়ে ভালোবাসার রঙে রঙে রাঙ্গিয়ে
বিলীন হয়ে যাই।
(নিশি বাসায় যাওয়ার পর সবাই অবাক, নিশির হাতে ট্রিভিয়া, মোক্ষে খুশীতে চমকাছে ।মা হাঁসি দিয়ে বলিল ভালো আমার বাচ্চার জীবনে খুশী ফিরে আসিয়াছে।
আল্লা রহম করুক।)দাদী-কি নাতিন পূর্বের খুশী ফিরে আসছে জীবনে। আমরা সব সময় এই খুশী মোক্ষ দেখিতে চাই।নিশি-দাদু আজ শিশির মা বাবা বোন
ওর দুলাভাই সবার সাথে দেখা হইছে।দাদী-তুর কেমন লাগিলো।নিশি-ভালই লাগিলো।অনেক সমাদর করিছে। দাদী-তাহলে ভালোই হইছে।তোর দাদাকে
বলে শিশির বাপ মাকে একদিন দাওয়াত খাওয়াতে হবে ।(পরে শিশির নিশির ফরিদ আইরিনদের বাসায় দাওয়াত খাওয়া দাওয়া শেষে বিয়ে দিন ঠিক হলো
একদিন আইরিন নিশির বিয়ে।)দুই দিন পর।লিটন-ডেট তুমি বলেছিলে নিশিকে বিয়ে করাবে। এখনও কিছুই হলো না। daddy তোমারে দিয়ে কিছুই হবে না।
জহির-তুই আমার একমাত্র ছেলে তুই যা চাস সবই তো আমি পুড়ন করিয়াছি।আমি ব্যবসা নিয়ে সব সময় ব্যস্ত থাকি।লিটন-থাকো তোমার ব্যবসা নিয়ে ।
আমি কালকে নিশিকে উঠায়ে এনে বিয়ে করিবো।আমার আর ধৈর্য ধরে না।জহির-আমি কালকে নিশির বাবার সাথে কথা বলিবনে।লিটন-কালকে বিয়ে হবে
।যহির-ঠিক আছে। আগে কথা বলিতেদে ।(পরদিন বিকালে নিশি আইরিনকে লিটন উঠায়ে নিয়ে গেলো।এ খবর শিশির ফরিদ পেয়ে ছুটে আসিলো।লিটনের
উপর হামলা করিলো।নিশি আইরিনকে লিটনের হাত থেকে ঊর্ধ্বর করিবার সময় পুলিশ আসিলো।নিশি আইরিন উধার করে শিরি দিয়ে নামিতেছিলো এমন
সময় লিটন গুলি করলো শিশির উদ্দেশে, গুলি লাগিলো পুলিশের হাতে।পুলিশ লিটনে মাথায় গুলি করিলো লিটন মারা গেলো।পরের দিন বিয়ে হলো নিশির+
শিশির।আইরিন+ফরিদের)বাসরাতে শিশির ফরিদ-
অগো বধূ সৌন্দর্য ডালি, আমার স্বপনে জগৎতে শান্তির স্বর্গ ।
লাজুক লাজুক লজ্জাবতী প্রেম নগরের মনটা তোমার ।
তুমি অপরূপ চোখ ধাঁধানো রূপবতী সুন্দরী ডালি আমার বধূ ।
বধূ তোমার সৌন্দর্য ডালি দৃষ্টি নন্দন চন্দ্রর মোক্ষ খানি,
সৃষ্টিকর্তা নিজ হাতে যতন করে নিখুদ কারুকার্য অন্তরে ভালোবাসা
মাখিয়ে বানায়েছে ,ধন্যবাদ ,ধন্যবাদ সৃষ্টিকর্তা ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ সৃষ্টিকর্তা অপূর্ব সৌন্দর্য ডালি বানায়েছো তুমি, ধন্যবাদ ।
বধূ তোমার মাথায় লম্বা কৃষ্ণ কেশে গোঁফ সাজিয়ে আছে, মৃদু
হাওয়া কিছু উঁড়িতেছে ,কি চমৎকার দেখাছচ্ছে ।
মাথার নিচে হালকা গোলাপি রঙে ভাগ্য দাতা ভাগ্যর খাজানা দিয়ে দিচ্ছে ,
তোমার অপরূপ কানে দুল দুটো দো দুল দোলছে ঝন ঝংকার ধ্বনি ,
কৃষ্ণ কেশে গোঁফ সাজিয়ে আছে দুটো চিকন সুরু বন (ভুরু) ,তারি পাসে
দুটো ঝিলের মধ্যে মন মিতালি রঙ্গিল যুতি জ্যোৎস্না মন মহনা ।
কখনো অন্তরের লাভার আগুনের উপ তপ্ত ঝিলের গরম জল ঝরে।
কখনো খুশীর মিষ্টি হাঁসি সুখের অশ্রুো।
বধূ তোমার নোলক ফুল জবাব ছারা ।রবি মামা বসে আছে তোমার
নোলক ফুলে ,দিচ্ছে কিরণে ঝিলিক তোমার মোক্ষ মন্ডলে ।
বধূ তোমার গোলাপের মতন লাল টুকটুকে মিষ্টি ঠোট,মিঠা মিঠা হাঁসিতে
হাজারো মুক্ত ঝরে ,কি চমৎকার গোলাপের মতন সৌরভ ভরপুর অপরূপ হাঁসি ।
বা কি সুন্দর মিষ্টি ডালিমের মতন মিঠা মিঠা ভাষা সৌরভ ।
বধূ তোমার ঠোটের দুপাশে দুটো কমলার রঙে রূপসী চিবুক (গাল)।
সৃষ্টিকর্তার সৃষ্টির চারুশিল্পের সৌন্দর্য ডালি রূপে রূপসী রমণী তুমি।
বধূ তোমার হাতের কাঁচের চুড়ির মাধুরী মধুর কিং কিনি ধ্বনি অপূর্ব ধ্বনি ।
বধূ তোমার পায়ের নূপুর নৃত্যর রিম ঝিম তালে তালে হাজারো ছন্দ ঝরে ।
বধূ তোমার পাসে বসে তোমার হাতে চা পান করিতে তৃপ্তি পাই।
ডানা কাঁটা পরী সাধে বসে চা পান করিতেছি ,যখন মনে হলে অনেক তৃষ্ণা পায় ।
বধূ তুমি স্রষ্টার সৃষ্টির সৌন্দর্য ডালি রূপের রূপসী রমণী অবাক প্রাকৃতিক পৃথিবী তুমি ।

।।।।।সমাপ্ত।।।।।।