Navigation Menu+

জল পরী মৎস্য কুমারী

Posted on Nov 14, 2018 by in Bengali, Stories | 0 comments

এক দিন বিশ্ববিদ্যালয় হলিডে শেষে দেশে থেকে ঢাকা আসিতে ছিল । দেরিতে আসার জন্য লঞ্চ ঘাটে দেখে লঞ্চ চলে গেছে ।এখন কি করিব মন খারাপ করে ভেবে
না পায় কুল ।এটাই আজকের জন্য শেষ লঞ্চ ।আবার আগামী কাল যাবে । ভাবতে ভাবতে হঠাৎ দেখিল একটা খুব সুন্দর একটা বোট ,একটা লোক বসে আছে ।
মেয়েটা কাছে গিয়ে বলিল এ মাঝি এ মাঝি যাই বানি ? ছেলে- বলিল না । আমি মাঝি না ।তবে আমি এই বোট চালাই ।এটা ভাড়া বোট না ।এটা প্রাইভেট বোট ।
এটা আমার বোট ।আপনে অন্য ব্যবস্থা করেন । মেয়ে- আপনা বোট আপনি চালান । আপনি পাইলট । আমাকে একটু উপকার করেন ।ঐ যে লঞ্চ যাইতাছে ।
ঐ লঞ্চ আমাকে উঠাইয়া দিবেন দয়া করে ।ছেলে – বলিল ঐ লঞ্চ অনেক দুরে চলে গেছে আমি কি ভাবে ঐ লঞ্চে উঠাইব । আপনে এক কাজ করেন ।আপনে পরে
লঞ্চে চলে যান । মেয়ে -পরে তো আর কোন লঞ্চ নাই ঐটা ঐ শেষ লঞ্চ ।ছেলে – তাহলে আর কি করা বাড়ী চলে যান । মেয়ে -বাড়ী তো অনেক দুর, অনেক রাত
হয়ে যাবে ।এখন আমি কি করি । ছেলে -আপনি কোথায় যাবেন ? মেয়ে -আমি যাব ঢাকা ।ছেলে -হাসিল হা হা হা । মনে মনে বলিল মেয়েটা সুন্দর আছে ।বন্ধু বনিয়ে
কথা বলিতে বলিতে ঢাকা চলে যাওয়া যাবে ।এইতো জল পরী মৎস্য কুমারী ।মেয়ে- মুখ টা একটুকালো করে বলিল কি আশ্চর্য আপনে হা হা হা করে হাসিতেছেন
কেন ? আমাকে একটু উপকার করেন না । আমার কোথায় যাওয়ার যায়গা নাই ।ছেলে- জিজ্ঞাস করিল আপনে কি আমাকে বিশ্বাস করেন ? মেয়ে -হ্যাঁ না । তবে
আমাকে একটু উপকার করেন , আমি উপকারী হব । ছেলে -মনে মনে বলিল মিঠা মিঠা হাসি দিয়ে বলিল বান্দর মানদার গাছে এমনে কি উঠে ।ঠেকা পরলে উঠে ।
আচ্ছা আমি যদি আপনাকে উপকার করি তাহলে আমাকে কি দিবেন ?ছেলে- মনে মনে বলিল দেখি মেয়েটা কি ধরনে । মেয়ে -আমার কাছে কিছু টাকা আছে ।ছেলে
-আর কি দিবেন ?মেয়ের সরিলটা একটা ঝমকার দিয়ে উঠিল । চোখের পানি ছেড়ে দিল ,পিছন দিকে যেতে লাগল ।আমার মনে হয় আপনার ইমান নাই । ছেলে –
ইমান আছে । তবে আপনাকে দেখিলাম কি ধরনে মেয়ে আপনি । কারণ আমি আপনাকে চিনি না,আপনে আমাকে চিনেন না । তবে আমিও
ঢাকা যাব ।আমি আজকে ঘোড়তে বাহির হইয়াছি ।সারা দিন ঘুরিতে ঘুরিতে ক্রান্ত হয়ে পরিয়েছি ।তাই এখানে একটু আরাম করিতেছি । আর আপনের সাধে দেখা
হলো ।মেয়ে -আপনে বলিয়াছেন আপনার ইমান আছে । যদি ইমান রাখিতে পারেন তাহলে যাব ।তা না হলে না ।বুঝিয়া দেখেন । মনে মনে বলিল দেখা যাবেনে কি
যে হয় আল্লা যানে। ছেলে -এক ঝলকে আমাকে খুব ছোট করিলেন । আমার জীবনে এত ছোট কখনো হই নাই ।বিশ্বাস করেন বা না করেন ।আমি একজন ভদ্র
সংসারে ছেলে । এর বেশী কিছু বলিতে পারিবনা । মেয়ে বলিল আচ্ছা ।আপনার একটা ছবি তুলি আমার মোবাইলে ।আপনাকে দেখিতে খুব সুন্দর । ছেলে -মনে মনে
বলিল হ্যাঁ ছবি তুলে মোবাইলে বাবার কাছে পাঠাইয়া দাও ।যদি কিছু হয় তাহলে আমাকে ধরিতে বেশী সময় লাগিবে না । তার পর মেয়ে বোটে উঠিল । মেয়ে একটু
দুষ্টামি করিয়া হালকা হাসি দিয়া বলিল এই মাঝি জাবানি আমার কাছে একটা জিনিস আছে সেইটা আমার স্বামীকে কোন দিন দেই নাই । সেটা তোমাকে দিব ।যদি
আমাকে নদী পার করে দও ।(ছেলেটাকে খুশী করা জন্য) ।ছেলে -আপনার বিয়ে হইছে ।মেয়ে -হওঁ । আমার কোন বাচ্চা হয় নাই । কারণ বিয়ের দিন ওতো বিদেশ
চলে গেছে । মেয়ে- মনে মনে বলিল এই ছালে জলদি বোট ছার সন্ধ্যা আগে ঢাকা পোঁচায়ে দে । তার পর তরে কে জিজ্ঞাস করিবে । তুই কে কি আমার কি আসে
যায় । ছেলে- তার পর বোট ছাড়িল । চিন্তা করিয়েন না এটা বাতাসে সাথে সাথে চলে সন্ধ্যা আগে চলে যাব ।আপনে আরামে বসেন ।আর জিজ্ঞাস করিল আপনার
নাম কি? মেয়ে -মিতা । ছেলে -আপনার নাম কি খালি মিতা , মিতা জল পরী মৎস্য কুমারী ।
কোনটা ।দুজন হাসিল হা হা হা ।মেয়ে -মনে মনে বলিল এই বুঝি সুরু হল বোটের ঢক ঢক আর মাঝির কর করানি কট্রেল বানায়া আমার কানে ঢালবো আর আমার
সারাক্ষণ সুণিতে হবে ।আল্লা যানে কখন আমার কান ঝাঁঝরা হয়ে যায় ।আল্লা জলদি ঢাকা পোঁচায় দেন বিপদ থেকে রক্ষা করেন ।মাঝির তো ভালবাসার বরফে মন
গলতে সুরু হইয়াছে , ফোঁটা ফোঁটা পানি পরতে পড়তে পেটে তো সাগর হয়ে যাইতাছে ,আর মন তো উড়ে ফুরুত ।হা হা হা । আমার কিছু ভাল লাগিতেছে না ।
ছেলে -আপনে কি আমাকে ভয় পাইতেছেন ? মেয়ে- না । মনে মনে বলে সামনে দিকে চাইয়া বোট চালা ।আমার দিকে দেখিতে হবে না । ছেলে -আচ্ছা আমরা দুইজন
এক সাথে ঢাকা যাচ্ছি ।আমরা দুইজন বন্ধু হয়ে কথায় কথায় চলে যাই ঢাকা ,দেখিবেন জলদি সময় ও নদী পার হয়ে গেছি টের পাবেন না । মেয়ে -ঠিক আছে ।
মনে মনে বলে কিছু ভালো লাগতাছে না। ছেলে -আমাদের বয়স প্রায় সমান , তাহলে আমরা তুমি করে বলি ।আপনে কি বলেন ?মেয়ে -হওঁ । মেয়ে মনে মনে বলে
তকে তো তুই করে বলতে ইচ্ছা করে ।মাঝি আমাকে ঠুমি বলিবে ।ছেলে -তোমরা কজন ভাই বোন ? মেয়ে -৯ভাই আর আমি। তিন ভাই আর্মি ।তিন ভাই থানার
ওছি ।দুই ভাই উকিল এক ভাই জর্জ । ছেলে-মনে মনে বলে আমাকে ভয় দেখাছে না তো সত্য কি না কে জানে ।মেয়েরা যখন মিথ্যা বলে পানির মত সহজ ভাবে
বলে ।আঁকাস বাতাস কেউ টের পায় না । ছেলে – বলো তাহলে তুমি তো প্রধান মন্ত্রী ।মেয়ে- হা হা হা । ছেলে -তোমার শশুর বাড়ী কেকে আছে ?মেয়ে -সবাই আছে
,বিয়ে পড়ের দিন সবাই ফুরুত করিয়া উড়িয়া গেছে এ জন্য বলতে পারিনা কে কোথায় আছে ।এত সব কথা কেনো জানতে চান । ছেলে -আচ্ছা আর জিজ্ঞাস
করিবনা । আচ্ছা তুমি কি কর? মেয়ে -হা হা হা ।মিথ্যুক ,আমি বি এ পরী ঢাকা ভার্সিটি । ছেলে -আমি গত দুই বৎসর আগে ঢাকা ভার্সিটি বি এ পাস করিয়াছি ।
এখন আমি ব্যবসা করি । মেয়ে -মোক্ষ টা বাঞ্ছা করে চোখ দুটো উল্টা করে অন্য দিকে চেয়ে বলিল সত্যি । মনে মনে বললো শালার মাঝি আমাকে পেয়ে ভালই
ট্রাঙ্কি মারতাছত ।ছেলে -তুমি ঢাকা থাক কোথায় ?মেয়ে -কে জেনো বলছে আর কোন প্রশ্নো করিবে না । হা হা হা । আমি ঢাকা পাগলা
থাকি । ছেলে -নদীতে চলতে ভালই লাগে । ঢেউয়ে তালে তালে চলা ,খোলা মেলা নীল আঁকাসের নিচে চলন্ত নদীর পানি সাথে মাঝে মধ্যে কচুরি কচুরি ফুল আর
শাপলা ফুল নদী দুপারে সবুজ শ্যামল আর বালু ঝিকি মিকি আর কাশবন দেখা আর ঝির ঝির বৃষ্টি সাথে আর আচকে তোমার সাথে চলা কত না ভাল লাগে ।মেয়ে
-জি আপনে কিছু বললেন কি? ছেলে -না বললাম নদী কথা ।মেয়ে -ও তাই । মেয়ে – কপালে হাত দিয়ে মনে মনে বলিল এর তো কাম সারা । কখন যে বিপদ হয়ে
যায় আল্লা আমাকে রক্ষা কর । ছেলে -দেখিল মেয়েটা ভয়ে অস্থির হয়ে আছে , আর মনে মনে বলিল মানুষ যখন বিপদে পরে তখন আল্লার নাম নেয় ,মেয়েরা আল্লার
নাম আর কাপড় টেনে মোক্ষ থেকে সুরু করে মেয়েদের কোনা কামছিতে গুজে । তখন ছেলে বলিল জল পরী মৎস্য কুমারী তুমি আমাকে যত খারাপ ভাব না
কেনো তত খারাপ আমি না ।যদি আমি খারাপ হতাম তাহলে এতদূর আসতাম না ।একটু দুরে আসিয়া যা করা করিতাম তারপর বোটে থেকে নামায়া দিতাম । তুমি
দেখো তোমাকে ঠিক ঠাক মত ঢাকায় নামায়া দিব ,মনে একটু সাহস রাখিও । আচ্ছা বলত জল পরী মৎস্য কুমারী মেয়েদের পরদা করা ভাল না খারাপ ? মেয়ে –
হ্যাঁ এটা মেয়েদের ইচ্ছা । ছেলে -যেমন তুমি এখন করিছো ওড়না দিয়ে । লঞ্চ ঘাটে তো দেখিনাই । মেয়ে – ও হওঁ ও হোঁ কাঁসি দিল । ছেলে -মেয়ে আর টাকা পয়সা
সব সময় সাবধানে রাখিতে হয় । না হলে বিপদ ঘটিতে পারে । তারমানে মেয়েদের পরদা করা ভালো । সে যে ধর্ম হক না কেন । মেয়ে – ধর্ম কি? ছেলে -ধর্ম হলো
বিশ্বাস । আল্লার একদিন চিন্তা করে দেখিল , আমার তো অনেক ফেরেশতা আছে ,আমি যা বলি তাই করে। কিন্তু একটু ব্যতিক্রম হলে মন্দ না । তাই দুনিয়া বানালো
।মানুষ পাঠালো । মানুষে কাজ হলো আল্লার নাম নিবে আর সংসার (মা বাবা স্ত্রী বাচ্চাদের ) দেখাশুনা করা ।
কখনো ভুল করিবে আবার ক্ষমা চাইবে । আল্লার মাপ করিয়া দিবে ।আর আমরা রাজা রানী হয়ে বসেছি । এই হলো দুনিয়া । মেয়ে -মানুষ মানুষের সাথে পাপ করে
আল্লার কাছে মাপ চায় তাহলে মাপ হবে না? ছেলে -মানুষ মানুষের কাছে পাপ করে ।আল্লাহ কি ভাবে মাপ করিবে ।মানুষ তাকে ক্ষমা করে তাহলে হবে । আর যদি
আল্লাহ কাছে বিচার দেয় তাহলে বিচার হবে । মানুষের শেষে দিন আল্লাহ বিচার করিবে । আচ্ছা তুমি কি আমারে খরিদ করিতেছ ।মেয়ে – খরিদ মানে কি ? ছেলে –
ভালবাসা কথা বলিনাই । মেয়ে – ও ।
আর কত দুর ঢাকা । এইতো গেলে দেখিবানে । মেয়ে – হা হা হা । ছেলে – বোটের স্পীড আস্তে করিলেন ।মেয়ে -কি হলো ?কি হলো ?বোট স্পীড কমালেন কেন ?
ছেলে -ঘাবড়ানে কিছু নাই । তুমি ঠিক মতন বসো । এই নদী বোক দিয়ে আমরা যাইতাছে । কিন্তু কিছু মাছ না ধরি তাহলে নদী বেজার হবে ।তাই এই নেও জাল ,
আমি একটু আস্তে চালাবো আর তুমি জালের রশি ধরিয়া রাখিবা । ভোটের সাথে বাঁধ দিয়ে লও তা না হলে তুমি ও মাছের সাথে চলে যাবা । আর তোমার হেয় খুব
খুশি হবেনে । বলিবে আমাকে আর ব্যাঙ্গ বাজাতে পারবেনা ।মেয়ে -হা হা হা ।মেয়ে -মনে মনে বলিল ইডিয়েট আমার কি বিয়ে হই ছেনি ।ছেলে- রশি ধরে
টানিয়া উঠাইল ।মেয়ে – না না আমি ধরিতে পারবনা ছেলে -ঠিক আছে ঠিক মতন বসো তা না হলে তুমি নদীতে পড়ে যাবা( দশটা ইলিশ আর সবুন খুরা মাছ ধরিল)
। ছেলে -আমি দুইটা মাছ পরিষ্কার করি । আমরা দুই জন রান্না করিব দেখিব কার মন পরিষ্কার কে ভাল রান্না করিতে পারে । বোট চলতে থাকিব ভয়ের কিছু নাই ।
তুমি কোনটা রান্না করিবা ।মেয়ে -কোন ঝন ঝাটে পরিলাম রে বাবা ।বাসা গিয়ে—————।ছেলে -এখন তো অনেক খুদা লেগেছে । মেয়ে – মনে মনে বলিল
উপায় নাইরে বাবা ,কি করি এখন ।বাসা তো রান্না করিনা । মেয়ে -আচ্ছা আমি মাছ রান্না করি ।মনে মনে বলিল তর হাতে মাছ রান্না খাওয়া যাবেনা কি? ছেলে -ঠিক
আছে ।আমি সবুন খুরা বোড়া আর খিচরি রান্না করি ।আমরা ভুলি নাই কার মন পরিষ্কার হ্যাঁ । গ্যাসের চুলা করাই সব মশলা ঘি আছে ।সুরু হয়ে জাঁক ছেলে -বললো
আজকে একটা দপটের খানা হবে ইলিশে দোপেয়াজো দিয়ে মেয়ে টেরা চোখে ছেলে মোখের দিক দেখিল আর মিঠা মিঠা হাসিল মনে মনে বলিল এ তো গিয়া হা হা হা।
রান্না শেষে ছেলে – বলিল জল পরী মৎস্য কুমারী বোট টা নদী এ পারে একটু রেখে গোসল করি কি বল । মেয়ে -এ আল্লা কি বলে । ছেলে – গোসল করিলে
দেখবা কি মজা মনটা হালকা হয়ে জাবে ।মেয়ে – না আমি কিভাবে কাপর বদলাব । ছেলে -কোন বেপার না ।আমি ঐ গ্রামে চলে যাবনে । মেয়ে -হা হা হা ।ছেলে –
বোট থামাল । আর বললো তুমি যদি চাও তাহলে গোসল করিতে পার কাপর বদলাতে সময় ঐখানে চলেযাবনে ।আমি পুরুষ আমার সরম নাই । আমি গেলাম গোসল
করিতে । মেয়ে – একটু চিন্তা করে বলিল জীবনে কখন নদীতে গোসল করিনাই । আজকে করে দেখি । এই আপনে সামনে থাকিবেন ।
আমি যেন নদীর মধ্যে চলে না যাই । ছেলে – ঠিক আছে তুমি এই জাগায় গোছল করো এখানে অল্প পানি আছে গোসল কর ।মেয়ে – ঠিক আছে । এই এই আমাকে
ধরেন । আমাকে পানিতে ঠেলে নিয়ে গেল । ভয় করিয় না আমার মতন সামনে দিকে ঝুঁকে দাঁড়াও । আমি তো আছি । ঠিক আছোতো এখন ?মেয়ে – হ্যাঁ ।ছেলে –
ভয়ের কিছু নাই । ছেলে -তোমাকে রংধনু দেখাই ।তুমি মোক্ষে পানি নেও তারপর সূর্য দিকে মোক্ষ করে জোরে ফু দিয়ে পানি ছারো তা হলে দেখিবা রংধনু। দেখ
দেখ নদীর পানিতে নীল আঁকাস আর সূর্য ভাসিতেছে ।(ঐ দেখ গাং চিল, ডানা মেলে উড়ে যাচ্ছে, খোলা আকাশের নীল পানির নীল সাথে আমরা মিলে যাই চির তরে)
। আমি একটু সাঁতার কাটিয়া আসি । এই সময় ছেলে একটা সাপলা ফুল আর একটা কচুরি ফুল এনে ছেলে মেয়ের হাতে দিল আর বলিল চলতি পথে এক বন্ধুর
উপহার গ্রহণ করে নেও ঢাকা যাওয়ার পর আর দেখা হবে কিনা কে জানে । (মেয়েটা গোসল করিতে সারাক্ষণ ছেলে দিকে চাহিয়া রহিল )মনে মনে বলিল ছেলেটা
কে ?ছেলে – এসো আমরা দুজন পানি নিয়ে খেলা করি । তোমার হাত দুটো ফাঁকাকরে সামনে দিকে দাও ।আমার মতন ।কচুরি ফুলটা তোমার মাথার চুলের সাথে
বাঁধো ।এইতো বা গ্রামের খুব সুন্দর একটা মেয়ে লাগিতেছ । সাপলা ফুলটা পানি মধ্যে রাখ এখন হাত দুটো ফাঁকা করে আমার সামনে দিকে দাও ।আমার হাতের
আঙ্গুল আর তোমার হাতের আঙ্গুল সাথে মিলিয়ে আস্তে আস্তে আমার মতন হাত উপর আর নিচে দিকে করিতে থাক । দেখ কি সুন্দর হাতের ভিতরে পানিতে ঢেউ
উঠিতেছে -( সাপলা ফুল ,সাপলা ফুল, ঢেউয়ে ঢেউয়ে ঢেউ তরঙ্গ সাথে দোদুল দুলে একুল ঐকুল যাও।
এক বার আমার দিকে তাকাও ।) । দেখ দেখ কি সুন্দর লাগছে না । মেয়ে অবাক হয়ে দেখতে লাগিল ।খুশীতে মন ভরে গেল ।
কি সুন্দর মিঠা মিঠা হাঁসি । মেয়ে – সুন্দর গোসল হইলো উঠিতে মন চায়না।এইবার উঠি । ছেলে -ঠিক আছে চলো । তার পর খাওয়া দাওয়া । ছেলে -এবার
প্লাষ্টিকের ভেলা পদ্যও ফুলে দুইটি আসন ফুঁ দিয়ে ফুলায়ে নদীতে ভাসালো ।মেয়েকে বলিল তোমার যেটা ইচ্ছা এটা মধ্যে বসো ।মেয়ে আরো অবাক হয়ে গেল
এতো সুন্দর মন মুগ্ধ নদী চারো
দিক কচুরি ফুল ,কাশবন ,শাপলা ফুল অপূর্ব ছেলের দিকে তাকিয়ে রহিল।মেয়ে -হ্যালো হ্যালো মিস্টার এতকিছু কি ব্যাপার ।কত বৎসর ধরে এই ব্যবসা করিতেছেন
। ছেলে -তুমি যদি বিশ্বাস কর তাহলে প্রথম বার । আর আমার মা বাবা সাথে দুপুরে খাবার অনেক বার । আর যদি বিশ্বাস না কর হাজার বার( কি জ্বলন হইতাছে) ।
ছেলে -নদী মধ্যে খানার সৌরভ আর পদ্ম ফুলে আসন কি সুন্দর অপরূপ প্রাকৃতিক দৃশ্য তোমাকে অনেক ভালো লাগিতেছে । তোমার ফোনটা দেও একটা ফট
উঠাই ।ছবি উঠালো ।মেয়ে হাতে ফোনটা দিয়ে ছবিটা দেখ দেখ কি সুন্দর না । খানা শেষে আবার বোট ছাড়িল । মেয়ে -চুপ চাপ বসে ভাবতেছে এ নদী দিয়ে সব
সময় আসা যাওয়া করি কিন্তু আজকে মতন এতো আনন্দ পাইনাই কখনো ।অপরূপ দৃশ্য কখন দেখিনাই । ছেলে -কি মন খারাপ ?মেয়ে- ছেলের দিকে তাকিয়ে
বলিল না । ছেলে -তাহলে তুমি চুপচাপ বসে আছ যে । মেয়ে-এমনে ।ছেলে -ভাবিতেছো বাসায় আর তোমার স্বামীকে কি বলিবা । মেয়ে একটু হাঁসি দিয়ে( মনে মনে
বলিল স্বামী কথা আসে কেন জ্বলন হইতাছে) বলিল না এসব কিছুনা । তা ছাড়া আমি আমার মা বাবাকে কিছু ছুপাই না কখন । আর যখন বিপদে পরী তখন মা
বাবা আমাকে সত্য পথ দেখায় বিপদ মুক্ত করে দেয় । ছেলে- তারা মা বাবা তো তাই ।মেয়ে -হ্যাঁ । মেয়ে -গোসল করার পর থেকে সরিলটা একটু মেচ মেচ করিতেছে
। ছেলে -তাই নাকি ,তুমি চুপচাপ বসে আছোতো তাই একটু খারাপ লাগছে । এক কাজ কর ,তুমি আমর জায়গা বসো আর বোট চালাও ।আমি তোমার জায়গা
বসি । মেয়ে -এই না না ।ছেলে -নানা বাড়ীতে এখানে না ।এসো বসো এই লও একটু আস্তে করিয়া দিলাম । মেয়ে-বসে বলিল তাহলে ঢাকা যাওয়া হচ্ছে । বোট এ
দিক ঐ দিক করে কিছু দুর যাওয়া পর হঠাৎ চড়ে বোট ঠেকিল । ছেলে -বা খুব তাড়াতাড়ি ঢাকা নিয়ে আসিলে । মেয়ে-এখন ।
,এটা তো আপনে দোষ । ছেলে – হ্যাঁ আমি তো বলছি চরে উঠাতে , মন খারাপ করার কিছু নাই ।দেখি আমি কি করিতে পারি । ছেলে বোট ধাক্কা দেয় বোট লরে না । ছেলে -ঐ
যে এক লোক দেখা যাইতেছে ।আমি ডাকিয়া নিয়া আসিতেছি ।মেয়ে -আমিও যাব । (যেয়ে দেখে এক পাসে কলই খেত আর আরেক পাসে বাদাম খেত । লোকটা
কাজ করিতেছে )। ছেলে -সালাম চাচা কেমুন আছেন । চাচা-অলাইর্কুম সালাম । আপনেরা এখানে কি চান ।ছেলে- আমাদের বোট চরে ঠেকে গেছে । আপনার
সাহায চাই । চাচা চাচা কিছু মনে করিয়েন না কি সুন্দর বাদাম আর কলই খেত , কিছু বাদাম আর কলই দিবেন আমি টাকা দিব । আমরা এখন খাব । মেয়ে –
সেটআপ u । চাচা -ঠিক আছে ।চাচা কিছু বাদাম আর কলই গাছ সহ উঠায়ে দিল ।চাচা আগুন ধরাইয়া দিল । পোড়া শেষে চাচা বলিল নেন খান । আমরা খাওয়া
সুরু করিলাম ।আধা কাঁচা আর আধা পোড়া কলই বাদাম ভিতরে গরম গরম জুস কি যে মজা মজা লাগিতেছে । চাচা জিজ্ঞাস করিল ।আপনেরা কি স্বামী স্ত্রী ? ছেলে
-হ্যাঁ চাচা । মেয়ে -কি । ছেলে -আস্তে বলিল চুপ চুপ ঐ যে দেখিতেছো কতো লোক যাইতেছে ,চাচা তাদেরকে ডাকিয়া আমাকে লাঠির সাথে জুতা বাঁধিয়া পিটাই
করিয়া বাড়ীতে পাঠায়ে দিবেনে । মেয়ে- গুড।ছেলে- তোমাকে ধরিয়া হুোঁ । ভালই ভালই চাচার সাহায নিয়ে কাঁইটা পরী ।মেয়ে-কি কি ?আমার জন্য এতো দরত
কেন। ছেলে -চাচা ও রাজি আছে ।(মেয়ে মোক্ষে ওড়না দিয়ে ডাকিল মাথা নিচে করিল ।) চাচা- কি রাজি আছে ।ছেলে -পেট ভরে বাদাম কলই খাবে । মেয়ে -হা হা
হা । চাচা দুজনকে দেখিতেছে ।আর বলিল কালি মোক্ষে দেখিতে ভালই লাগে । ছেলে -মেয়ে দিকে চাহিয়া বলিল তাইতো হা হা হা ।মেয়ে -নিজের চ্যম্পার দেখতো
আগে হা হি হা হা । চাচা -শহরে মেয়ে ভালো আর সবসময় সুন্দর লাগে ।ছেলে -শহরে মেয়েরা মোক্ষে সব সময় গাবের দানা রাখিয়া স্টাইল করিয়া কথা বলে ।
আর আঁটা ময়দা মাখিয়া আই ভুরু কাটিয়া গলার মধ্যে ওড়না দিয়ে বাদাম টাঙাইয়া ছোট ছোট কাপড় পরে চলে ।
তাদের কে আপনে ভালো সুন্দর বলেন । মেয়ে -এই ছালে শহরে যাইয়া খালি মেয়েদের দেখো । গ্রামে মেয়ে চুলার কালি আর খেতের ধুলা মাখিয়া চলে হা হা হা। ছেলে
-তুমি তো আধা শহর আধা গ্রাম তাই তো তোমাকে বলিনাই ,তুমি তো আই ভুরু কাটোনাই ।আই ভুরু উঠাইয়া পাতিলা তলে কালি দিয়া রাখে এইটা কোন ধরনে
ফ্যাশন দেখতে খুব খারাব লাগে। বা বাহারে বা তুমি কি সুন্দর উপহার দিলে গ্রামের মেয়ে কি সুন্দর প্রকৃতি অপরূপ পৃথিবী দেখেতে ।।চাচা -হাসিল হা হা হা
আপনেরা ভালো জোক করিতে পারেন । চাচা-আপনেরা বোটে বসেন ।মেয়ে- চাচা এই ফ্যানটা বোতল রাখেন ।চাচা -না। মেয়ে -আরে রাখেন চাচা ।চাচা-ঠিক আছে ।
চাচা ভোটের কাছে গিয়া ভোট ধরিয়া ধাক্কা দিল অমনে ভোট পানিতে ভাসিল ।দুজন বলিল ধন্যবাদ খোদা হাফেজ চাচা । ছেলে -জল পরী মৎস্য কুমারী তুমি ভালই
কাজ করিছো ।অনেক মজা হইলো । কিছু দুর যাইতে যাইতে দেখিলো একটা বাজার । ছেলে -এই বাজারে ছাইটে থামি একটু রেস্ট নেই ।মেয়ে -আবার থামাবে ।
ছেলে -জল পরী তুমি রাজি হওয়া জন্য ধন্যবাদ । জল পরী চল ঐ খেতে আলু উঠাইতেছে ওখানে যেয়ে দেখি । খেতের মালিক বলিল আপনেরা শহর থেকে আসছেন
আলু উঠাতে দেখিতে আসছেন দেখেন।ছেলে -হ্যাঁ ভাই । খেতের মালিক তাহলে দেখেন ।
আমার এ খেতের কি জন্য বিখ্যাত বলতে পারেন ।গরম গরম আলু পোড়া খাওয়া ।খাবেন কি ? ঐ মাইনকা দুইটা আলু পুড়ে দে তো । মাইনকা গরম গরম দুইটা
পোড়া আলু আনিয়া দিলো । এ নেন সার ম্যডাম । ছেলে -বা কি সুন্দর গরম মিঠা মিঠা লাগিতেছে না ।মেয়ে -ওোঁ ওোঁ সত্যি মজা মজা । ধন্যবাদ ভাই ।খেতের মালিক
পোড়া আলু ভালো লাগিয়াছে তো ।ছেলে -হ্যাঁ ভাই । আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ ।মেয়ে- চলো আমরা ঐ দিকটা ঘুরে আসি । ছেলে -অনেক ঘুরা হইলো
এবার বাজারে যেয়ে কিছু খাই ।
মেয়ে -ঠিক আছে চলো ।ছেলে -গ্রামে বাজারে খাঁটি দুধের দই মিষ্টি আর খিরসা ভালো লাগিবে খাওয়া দাওয়া শেষ হলো ।মেয়ে- আমি টাকা দিচ্ছি টাকা দিয়ে ।সবাই
বোটে আসিয়া বোট ছাড়িল ।ছেলে -কি হলো চোখ বুঝে আছো কেন ।মেয়ে -আমার অনেক ঘুম পাছে ।কথা বল না তো । ছেলে -তোমার সিটের নিচে চাঁদর আছে গা
দিয়ে নেও । আচ্ছা তুমি ঘুম আস আর আমি তোমার নাকটা দেখে রাখিবনে । মেয়ে-কি ?আমার নাকটা কি হয়েছে । ছেলে -না মানে যদি নদী থেকে মাছ ফাল দিয়ে
তোমার নাকটা থাবা দিয়ে নিয়ে যায় । মেয়ে -হা হা হা ।ভেরি ফানি ।একটা থাপ্পড় দিব ।ছেলে -বাচ গিয়া আধা রাস্তা থেকে থাপ্পড় চলে গেছে । আচ্ছা তুমি ঘুম আসো
আমি গান গাই । (গ্রামে থেকে দৌড়াইয়া আসিয়া বোটের গ্রেট ভাঙ্গিয়া বোটের ভিতর এসে করল কি ।এই মাইয়াটা থ্যাবড়া ম্যাই ছিন মাইরা আলু ভর্তা বানাইয়া
ফেলাইছে ।গ্রাম থেকে দৌড়াইয়া আসিয়া বোটের গ্রেট ভাঙ্গিয়া বোটের ভিতর ঢুকিয়ে করল কি ।)মেয়ে -হা হা হা ।হাঁসি হাঁসিতে মগ্নও । ইডিয়েট ।দয়া করে চুপ
থাকো ।(অনেক ঘুম আসিলো ঘুম ভাঙ্গার পর দেখিল নিজেকে ঠিক আছেনি আর মনে মনে বলিল এই তো ইজ্জত লোটনে আলা না । এই তো লঙ্গ টাইম ডিস্টার্ব
করনে আলা ।তার পর দেখিল একটা শহর ।)মেয়ে-তুমি কি বিয়ে করেছো ? ছেলে -না বিয়ে করিলে বউ সাথে থাকিত । আমার বউ জন্মে পর জন্ম কুন্ডুলিতে
দেখিয়াছে আমার নাম তখন মারা গেছে । মেয়ে -হা হা হা।আমি ও না ।ঐটা কোন শহর ? ছেলে -ভোল শহর। মেয়ে -কি কি?(ভালো করিয়া দেখিলো )বলিল মিথ্যুক
।এটা ফতুল্লা শহর । আমাকে পাগল বানাতে ভাল লাগে । ছেলে-তাই নাকি ।
আমি ঠিক মতন দেখিনাই । (ছেলে মেয়ে দিকে চাহিয়া দেখতে লাগল মেয়ে মন ভরা খুশী আর খুশী হাঁসির মুক্ত ঝরে খুশীতে দুনিয়া চমকাতেছে বাড়ী এসে গেছে
আর কোন ভয় নাই ।) মেয়ে -হইছে হইছে । ছেলে -ঘুম হইছে তো।তা হলে মুখ ধুয়ে নেও চা টা পাবে না ।ঐ দেখ শহর কারবার । মিছিল যাইতাছে ।গনতন্ত নাম লয়ে
যার যার স্বার্থ উধার করে আর মারামারি খুনখারাবি করে ।আর গনন্তত ডরে পালায়ে কোথায় যে গেছে কে জানে ।জল পরী বলতো গনতন্ত কি? মেয়ে-গনতন্ত হলো
সমাজ আর দেশকে রক্ষা করা কার চেয়ে কে বেশী উন্নতি করিতে পারে দেশকে।জনগনে মলিক অধিকাগুলো ফুটে তোলা ।গনতন্ত একটা ভাল ফল কিন্তু পোকা
মাকড়ে খারাপ করেছে । ছেলে -ঐ যে তোমার
পাগলা শহর । কোথায় নামবে ।মেয়ে -আমি তো পাগলা থাকি না । ছেলে -(মনে মনে বলিল তাহলে আমাকে বেকুব বানাইয়াছ আর কি )। তাহলে কি আপনে পাবনা
পাগলা গারতে থাকেন ?আপনার কথা সুনে একটা গান মনে পরিল শুনেন (শুনো বন্ধু শুনো বন্ধু প্রাণ হীনার একটি মেয়ের কথা শুনলে খারাপ হয়ে জাবে চৌদ্দ গুষ্ঠির
মাথা)(মেয়েটা মাথা নিচে করে চোখের পানি ছেরে দিল) ।।আপনি কোথায় থাকেন । মেয়ে -শান্তিনগর । ছেলে -আর একটু দুষ্টুমি করি ।শান্তিনগর আর শান্তি বাগ
অশান্তিতে ভরা ।আরামবাগে নাই আরাম ব্যথা চোখের জলে ভরা ।রাজারবাগ নাইরে রাজা চোরচোরটা ভরা । ধানমণ্ডিতে নাইরে ধান ইটের পর ইট । কি ভালো
লাগছে । -মন খারাব করার কিছু নাই । আমিও ওদিক দিয়ে যাব তুমি যদি কিছু মনে না নেও আমি তোমাকে নামায়ে দিব । মেয়ে -তাহলে ভালই হয় । বোট থামাল
।গাড়ীতে করিয়া গেল শান্তিনগর ।মেয়ে -আমাদের বাসা এখানে গাড়ী থামান । গাড়ী থামালো । ছেলে -এই নেও চারটা ইলিশ আর কিছু সবুন খুরা বোড়া বাসায় নিয়ে
যাও । মেয়ে বলিল আমার জীবনে এই ধরনের বিপদে পরি নাই ।আর এ ধরনে আনন্দ কখনো পাইনাই ।তোমার সাথে একটা অপরূপ জানি করিলাম ।জীবন ভর
মনে থাকিবে এদিন টা স্মরণীয় হয়ে থাকবে ।এই দিনটা আসিলে তোমার কথা আর তোমায়ে নিয়ে নদী যাত্রা কথা মনে করিব তুমি অনেক অনেক ভালো লোক।
আমি যদি কোন ভুল করে থাকি তাহলে আমাকে মাপ করিবা । তোমাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ । । এসো আমাদের বাসায় ।ছেলে -না ।
বাসা গিয়ে আরাম করিব । খোদা হাফেজ ।মেয়ে-খোদা হাফেজ ।।।।।
(মেয়েটা বাসায় গিয়ে সব ভুলে গেল । ঠিক মতন ভার্সিটির আসা যাওয়া সুরু করিল । কিন্তু দুদিন পর সব কিছু মনে পরতে সুরু করিল যতো ভুলার চেষ্টা করে
ভুলিতে পারে না
।মেয়ে মনে মনে বলে নাম ঠিকানা কিছুই জিজ্ঞাস করি নাই ।ও অত বলতে পারতো । কিছু ভাল লাগে না । তাই মনে মনে পাগল হয়ে খুঁজিতে লাগল ।)