Navigation Menu+

ঘুরে এলাম চিটাগাং

Posted on Nov 14, 2018 by in Bengali, Stories | 0 comments

(অনেক দিনের আগের কথা সপ্তম শ্রেণীর ছাত্র ছিলাম। এক দিন নানা বাড়ী যাওয়ার পর দেখি ছোট মামা এসেছে,
মামা আমাদেরকে দেখে খুব খুশী হলো আরো বেশী খুশী হলো নানা নানী।মামাত ভাইবোনদের মধ্যে খুশীর
হোররা পরে গেলো।নানা বাড়ীর চারো দিকে খুশীর বিজলি চমকাচ্ছে ,চারো দিকে বিজলি মুক্ত ঝরিতেছে । নানা নানী
ভাইবোনে ভালবাসার মেলা সত্যি স্বর্গ মেলা মিলছে। পরে দিন মামা আমাকে বলিল চলো মামা চিটাগাং ঘুরে আসি,
আমি খুব খুশী হয়ে বলিলাম চলেন চলেন দেরি করিলে লেট হয়ে যাবে।জীবনের প্রথম চিটাগাং যাবো মামা মিষ্টি হাঁসি
দিলেন।যাবার বেলা ডলফিন কোচে খুব আরামে চারো দিকের দৃশ্য দেখিতে দেখিতে হঠাৎ মাঝে একবার বিরতি দিলো
ঘণ্টি ঘরে এ চায়ের দোকানে সামনে। চায়ে দোকানদার ডাকিতেছে।
।।।চা ।।।
এই চা গরম, এই চা গরম, এই চা গরম, গরমা গরম চায়ে।
আসেন আসেন চলতি পথের পথিক গন আসন গ্রহণ করুন ।
একটু খানি বিরতি, দুর করিবেন ক্লান্তি মিলবে শান্তি ,মজা
নিবেন গরমা গরম চা সিঙ্গারা ডাইল পুরীর আর বন রুটির।
আসেন আসেন চলতি পথের পথিক গন ক্ষণিকের জন্য
বিরতি চায়ে জলসা ঘরে মিলবে অনেক বন্ধু বান্ধব শুনিবেন
বন্ধুদের রূপকথার রূপনগরে রানিদের গল্প।
আপনে রূপ কথার গল্প সুনায়ে বোকা বানাবেন রাজা বাদশাহ
সরকারকে, বন্ধুদের সামনে বুদ্ধিমান আপনে ছারা এই দুনিয়াতে
আর কে।
মারছেন আপনে তীর ধনুক মরেছে অনেক বাঘ ভাল্লুক
শিকার করছেন বনে হরিণ মজা নিবেন গরমা গরম চা সিঙ্গারা
ডাইল পুরী আর বন রুটির।
আসেন আসেন চলতি পথের পথিক গন একটু খানি বিরতি দুর
হবে ক্লান্তি মিলবে শান্তি পথ হবে ছোট পাহাড় পর্বত পারি দিবেন
অতি দ্রুত।
আসেন আসেন চলতি পথের পথিক গন দুর দূরান্ত থেকে আসিয়া-
ছেন, যাবেন আপনেরা অনেক দুরে, মাঝ পথে চার দিকে খোলা মেলা
ঘণ্টি ঘরে একটু বিরতি দুর করিবেন ক্লান্তি , মিলবে মনে শান্তি,
মজা নিবেন গরমা গরম চা সিঙ্গারা ডাইল পুরী আর বন রুটির।।।।।।।।।।।
মোগলাই পরটা গরুর মাংস ভুনা খেয়ে আবার চললাম চিটাগাং উদ্দেশে।চিটাগাং পৌঁচিলাম ।গাড়ীতে করে
বাসায় আসার সময় এই প্রথম কর্ণফুলী নদী দেখিলাম ফেরীতে কর্ণফুলী নদী পারি দিলাম আর এই প্রথম
ঐ যে সাগর দেখিলাম। আসার সময় রাজধানী ট্রেনে বগি নাম্বার ছিট নাম্বার দেখে বসে পরিলাম পাঁচ ঘণ্টায়
আরো অনেক আরামে ঢাকা আসিলাম ।
কমলাপুর রেল ইষ্টি সনে থেকে বাহির হওয়া পর দেখি মাথা ছাতি ফাটা রোদ আর গরম তখন ভাবিলাম এ
গরমে তার উপর বাসে মানুষের দলাদলি বিরক্ত কর ,এই বার লঞ্চে দেশে যাব। ঢাকা সদরঘাট থেকে লঞ্চে
দেশে যাব।সদরঘাটে মানুষে ভিড় লঞ্চ নাই কোনো ,কি হয়েছে লঞ্চ নাই কেনো? একজন বলিল ঐ দেখেন
পাঁচ নাম্বার লাল বাতি জ্বলিতেছে ঝড় হইতাছে ভোলায় ,বরিশাল ,ফরিদপুরে, ঢাকায় ও হবে,এ জন্য সব লঞ্চ
বন্ধ করে দিয়েছে। আমি বলিলাম কি গরম ছাতি ফাটা রোদ আকাশে কোথায় কোন সাদা আভ ও নাই ।তুফান
কোথায় থেকে ফাল দিয়ে আসিবে। রেডিও বা টিভি খবর সুরু হয় আমি রেডিও টিভি বন্ধ করিতে করিতে
একটু শুনি(আমি আলখাল্লা পড়ুয়া আচকে ঝর তুফান বা বৃষ্টি হইলে হইতে পারে না হইলে কিছুই করার নাই।
চিন্তার কোন কারণ নাই।যদি হয় বিস্তারিত জানাবনে ।)তাছাড়া আমি কোঞ্চা বরিশাল, ভোলা ,ফরিদপুর যাব।
আপনে কোথায় যাবেন।ঢাকা ডহুরী লঞ্চ কোথায়? সব ঐ পারে। এমন সময় সুণিতে পারিলাম গুদারার মাঝি
বলিতেছে যাবেন নি সিরাজদিখাঁন, যাবেন নি সিরাজদিখাঁন । আমি ডাক দিলায়ে বলিলাম তুমি কি গুদারা দিয়ে
দেশে পৌঁছায়ে দিবা কত মাসে ? মাঝি বলিল ঐ যে ঐ পারে লঞ্চ আপনার অপেক্ষায় আছে।
আমি উঠে পরিলাম মাঝি লঞ্চে উঠায়ে দিলো । লঞ্চ ছাড়িলো কিছু দুর তিন নদী মোর পারি দিয়ে যাওয়া পর
আরো ৩০/৪০ মিনিট যাওয়া পর নদীতে তুফান উঠিলো ।
একটা বড় নৌকা তারা তারি বইঠা চালানো বন্ধ করে বাদাম নামায়ে নোঙ্গর ফেলে ভিতরে চলে গেলো ।আর নৌকা
তুফানের সাথে দুলিতেছে আর ঘুরিতেছে। আমাদের লঞ্চ
পানির ঢেউয়ে সাথে দুলিতেছে মনে হলো লঞ্চ নদীর নিচে যায় আবার উঠে আসে আর ঝাঁপটা দমকা হাওয়া
এক দিকে থেকে আরেক দিকে ঘুরায়ে নিয়ে যায় লঞ্চ কাঁত করে ফেলে দিতে চায়।এমন করিতে করিতে
চরে উঠে গেলো। সে দিন দেখেছি আল্লাহকে মন প্রাণ দিয়ে কি ভাবে ডাকে ।
আল্লাহ আমাদের ডাক সুনে আমাদেরকে রক্ষা করেছে।পরে লঞ্চ চরে উঠে গেল নদীতে ভাঁটা পরে গেলো ।তুফান
থামিয়া গেলো আধা ঘণ্টা তুফান হইলো পরে থামিয়া গেলো। কিন্তু বৃষ্টি পরিতেছে।
আমি কিছু সময়ের জন্য কেবিনে থেকে বাহিরে এসে দাঁড়ালাম বাহিরে মুসল ধারে বৃষ্টি হইতাছে । খুব ঠাণ্ডা ।
এমন সময় একটা মেয়ে এসে আমাকে দেখে একটা অপূর্ব হাঁসি দিলো কিছু বলিল না ।ভ্যানিটিব্যাগের
থেকে কি জেনো বাহির করে হাতে নিলো ,কিছুক্ষণ পরে আরেক দিকে চেয়ে পানিতে ছেরে দিলো ,পরে
আচতে আচতে চিৎকার করিতে সুরু করিলো ,আমি নিচের দিকে চেয়ে দেখি লঞ্চের খালাসি পানিতে নেমে
দেখিতেছে কোন দিকে পানি বেশী আমি খালাসিকে বলিলাম ঐ যে মোট করা কাগজ উঠায়ে দেন তো এই
মেডামকে। মেডাম মোক্ষ বেঁকা চোখে করে বলিলো হইছে আলো আমার দরুদী হইছে হইছে আর
দরদ দেখাতে হবে না। আরেক জনের উপর হুকুম চালাইতে হবে না।
আমি মনে মনে বলিলাম এই বয়সে এই তুফানে মুসল ধারে বৃষ্টিতে ভিজে ঠাণ্ডা পানিতে, না বাবা না ,এ পিরিতে
দরকার নাই , এক বৎসর বা দুই বৎসর পরে বলিবে বিয়ে করো। তার পরে বালবাচ্চা ।আর যদি পর পর মেয়ে হয়
তাহলে ব্যাপারী হয়ে যাবনে না বাবা দরকার নাই। বাড়ীতে সুনীলে জুতা ধোলাই করে বাড়ী থেকে বাহির করিবে
আমাকে। আরেক কথা যখন আমি কেবিন থেকে বাহির হলাম দেখি এক বৃধালোক দারিয়ে আছে। ঠাণ্ডায়
কাঁপিতাছে আর কি কাশিতেছে ।আমি বললাম ভিতরে কেনো আসে নাই । না আমি এখানে ঠিক আছি। আমি বুঝে
নিলাম যে ভাবে ঝড় হইতাছে যদি লঞ্চ ডোবে যায় ভতরে যারা আছে সব মারা যাবে । আর কতিপয় কিছু লোক
যারা বাহিরে আছে তার বাঁচিয়া যাবে । কিন্তু যে ঠাণ্ডা বাতাস ঠাণ্ডা বরফের মতন পানি কিভাবে সাঁতার কাঁটিবে । এ
ঠাণ্ডা বাতাসে তার উপর বৃষ্টি এর ত নিমনিয়া হয়ে যাবে। যাই হোক আমি যে কথা বলতে ছিলাম আমি ভিতরে যেয়ে
বসি। এমন সময় সারেং এসে বলিল আজ লঞ্চ যাবেনা কারণ লঞ্চ চরে উঠে গেছে ।নদীতে ভাঁটা পরে গেছে আবার
কালকে জোয়ার আসিলে লঞ্চ চলিবে।
এখন উপায় । উপায় আর কি।কেউ বলে তুফানের হাত থেকে বাঁচিয়া গেছি ডাকাতের হাত থেকে বাচা বড় দায়।
তার পর রাস্তা তো নাই চরে মধ্যে পিছল খেয়ে পরিলে কি হবে। যাই হোক অনেকের অনেক কথা ,বাধ্য হয়ে
আমরা সবাই তুফান শেষে এ বৃষ্টিতে সবাই হাঁটা সুরু করিলাম । মেয়েটা শীতে কাঁপিতেছে আমি আমার ব্যাগের
থেকে একটা আপেল বাহির করে দিলাম মেয়ে খেলো পরে পরিচয় হলো নানার গ্রামের পাসের গ্রাম, তারা আমার
নানার বাড়ীর সবাইকে চিনে। কিছুক্ষণ পর রাত হয়ে গেলো, রাতের আধারে ঠিক মতন দেখা যাচ্ছে না।মানুষ
গুলো কালো ভুতের মতন অল্প অল্প দেখা যাচ্ছে ।আর ঠাণ্ডা তো ঠাণ্ডা তার উপর বৃষ্টির পানিতে রাস্তা পিছল হয়ে
গেছে মাঝ রাস্তার মধ্যে হঠাৎ দেখি পানি চমকাচ্ছে তার মানে রাস্তা ভাঙ্গন ,রাস্তা ভাঙ্গনে মধ্যে
অথৈই পানি অনেক দ্রুত স্রোত বইছে ঠিক মতন দেখা যাচ্ছে না পানি কতটুকু গভীর। যত টুকু দেখা যাচ্ছে মনে
হলো অনেক গভীর পাসেও অনেক বড় চরা ভাঙ্গন,তা উপর দিয়ে যেতে হবে বাঁশের সাঁকো দিয়ে।
বিপদে উপর বিপদ । তার উপর বাঁশের সাঁকো একটা বাঁশ নিচে আরেকটা উপরে ধরার জন্য ।
দেখে মনে হলো এই পুলছেরাত পারি দেওয়া অসম্ভব ।মুসল ধারে বৃষ্টি রাতের আধারে ঠাণ্ডা তো ঠাণ্ডা ডাকাতের ভয়
তার উপর এই পুলছেরাত আল্লাহ মাপ করিছে তুফান শেষ হয়ে গেছে। না আছে পাসে ঘর বাড়ী না আছে নৌকা,
কিভাবে এই পুলছেরাত পারি দিব। সবাই চিন্তিত । আমি বলিলাম এ বাঁশের সাঁকো দিয়ে পার হোতে হবে আর কোনো
উপায় নাই ।আমরা সবাই একজন আরেক জনের সাহায্যতে এ পোলছেরাত পারি দিতে হবে।তখন আমরা সবাই
একজন আরেক জনকে সাহায্য করে আমরা সবাই এ পোলছেরাত পারি দিলাম । এই মনে করে, যদি এ পুলছেরাত পারি
না দিলে এই বিপদের উপর আরো কতো না বিপদে পরিতে হয় কে জানে?
আল্লাহ আমাদের বিপদ মুক্ত করেছে। একে একে সবাই এ পোলছেরাত পারি দিলাম। তবে মহিলাদের আর কিছু
লোকের ছোট ছোট কোলের বাচ্চা নিয়ে এই পোলছেরাতে কি ভাবে ভয়ে পারি দিয়েছে এই ভয়ানক কথা থাক।
এ পোলছেরাত পারি দেওয়া ।আবার অনেকে অনেকে কথা ধরনে কথা বলিতেছে আসে পাসে আপন না হক দুরকা
হক যদি গ্রামের কারো আত্মীয় সজনের বাড়ী হক আজকের রাত থাকার জন্য খুঁজিতেছে ।খানা দেক ,না দেক এই
রাতটা থাকতে দিলে চলিবে।পরে সবাই হাটা সুরু করিলাম মেয়ের ফ্যামিলির সাথে কথায় কথায় চর পারি দিলাম ।
এখন সামনে আসিলো ইছামতী নদী।
এখন উপায় । ঐ যে একটা ভোট আসিতেছে। রাতের আধারে কিছুই দেখা যাচ্ছে না । তবে ভোটের মেশিনের আওয়াজ
পাওয়া যাচ্ছে । ভোট চালক ভাই আমাদের কে একটু সাহায্য করেন ।চালক বলিল
আমার অনেক তারা আছে আমি পারিবনা । আমি বাজারে অন্য কোন ভোটকে বলে দিবেনে। কিছুক্ষণ পর গুদারা
আসিলো আমরা সবাই পার হলাম। বাজারে আসার পর আমি মেয়ের ফ্যামিলির কাছ থেকে বিদায় নিলাম।তারা
বলিল আমাদের বাড়ীতে চলো কাল চলে যেইও। আমি বলিলাম আমার নানা বাড়ী কাছে ।আপনেরা বাড়ী যেতে যেতে আমি
খাওয়া দাওয়া করে সুইয়ে পরিবো।আর আপনাদের বাড়ী বেশী দুর না আপনাদের বলে লাভ নাই।খোদা হাফেজ ।বাজার থেকে
সবাই বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলো। নানা নানী দেখে অবাক এ তুফানে মধ্যে কি ভাবে
আসিলি। বড় মামাতো ভাই বলিল পুরুষ পোলা না, ঝড় তুফান, বিপদ বলেন দুনিয়াকে জয় করা নাম
পুরুষ পোলার আর এই তো পুরুষদের কাম।ঘাবড়ানের কিছু নাই। পরের দিন সকালে নাস্তা করে মা বাবা কাছে চলে গেলাম।
আল্লা ঠিক ঠাক মার বাবা ছেলে মার বাবা বোকে পৌঁছায়ে দিয়েছে আল্লহ দরবারে সুকরিয়া। (আরো দুইবার গিয়েছিলাম অনেক
মজাকরে ছিলাম। )এবার শোনেন চিটাগাঙে ঘুরে কি দেখিলাম।
চিটাগাঙে একে তো নতুন জাগা প্রথম রাতে সাগরে সো সো শব্দ আর মিঠা হাওয়া জানালার পাসে বসে খোলা মেলা প্রাকৃতিক
দুনিয়া নৈ স্বর্গ অনেক মজা লাগিতেছে। এমন সময় দেখিতে পারিলাম ঝিক মিক করিতেছে অনেক গুলো লাইট চমকায়ে আস্তে
আস্তে চলিতেছে । আমার মনে হলো চিটাগাং শহর চলে যাচ্ছে । তখন মামাকে ডেকে বলিলাম চিটাগাং শহর চলে যাচ্ছে কোথায়
জেনো । মামা হাঁসতে শুরু করিলো। হাঁসতে হাঁসতে মামা এসে বলিল আরে বোকা এটা একটা বড় জাহাজ সাগরে চরে এক দেশ
থেকে আরেক দেশে পণ্য পৌঁছায়ে দেয়।চিটাগাং আসিলাম ঘুম থেকে জলদি উঠি সাদ সকালে উঠে চিটাগাঙে প্রথম সকালটা
উপভোগ করি আমার জীবনে প্রথম চিটাগাঙে সাদ সকালটা মন দিয়ে উপভোগ করিবো ঝট পট উঠে গেলাম।চিটাগাঙে প্রভাতে
রঙে রাঙ্গাবো আমার জীবনটা। আধার কেটে ঐ যে সাগরে পানি ভেদ করে পূর্ব গগনে উঠিল সূর্য মামা এ দিলো বিলিয়ে দিলো
প্রভাতে রং,রঙে রঙে নানান রঙে রাঙ্গাইত করিলো চিটাগাং, ফুটিয়ে তুলিলো সোনার চিটাগাঙের প্রাকৃতিক নানান রঙে রাঙ্গানো
প্রতিভা।
সূর্য মামা নানান রঙে রাঙাইত চিটাগাঙের প্রতিভা দিয়ে রাঙ্গালো আমার মন। রং রঙে রাঙ্গানো নানান রঙে রাঙ্গানো পাখি
গুলো উড়ে আসিলো আমার কাছে চার তালা উপরে, জানালো সু প্রভাত, স্বাগতম চিটাগাং।স্বাগতম চিটাগাং।
আর সবচেয়ে সুন্দর রাঙা পাখি সুর তুলিলো প্রভাতের গান।
।।।সকাল।।।
কাক ডাকা ঐ প্রভাতে ।
সূর্য মামা উঠিল ভেসে ঐ পূর্ব গগনে ।
কাক ডাকা ঐ প্রভাতে ।
সূর্য মামার কিরণে ফুটিল ফুল বসন্তের
প্রভাতে দিচ্ছে হাঁসি পৃথিবীরে।
ফুলের সৌরভ বসন্তের প্রভাতের মধু
ভাসিতেছে বসন্তের প্রভাতের পবনেতে ।
কাক ডাকা ঐ প্রভাতে ।
রাত্রির স্বপ্নগুলো পূর্ণ করিতে, রং
বিরঙের মানুষগুলো ছুটে চলছে দিক
দিগন্তে ।
কাক ডাকা ঐ প্রভাতে।
সূর্য মামা উঠিল ভেসে ঐ পূর্ব গগনে ।
কাক ডাকা ঐ সকালে ।
চড়ই পাখি বাবুই পাখি দল বেঁধে কিস
মিস সুর তুলে প্রভাতের মেলা মিলাচ্ছে ।
কাক ডাকার ঐ সকালে।
রাতের ঠক ঠক শীতে চন্দ্রমার চোখের
জলে বসন্তের প্রভাতের ফুলে শি শি
বিন্দুগুলো উপরে প্রভাতের হাঁসি দেওয়া
পৃথিবী ভাসে, নীল আঁকাসটা ভেসে বেড়ায়
সূর্য মামা কিরণের ।।।।
পরে গোসল করে নাস্তা করে সার কারখানা কলোনি চার তালা উপর বসে ভাবিতেছি ঘুরিতে যাব কোথায় যাবো ।
সাদ সকালে সার কারখানা কলোনিতে চার তালা উপর কক্ষে সাগরে হিমেল হাওয়া কি যে মজা, মজা নিচ্ছি
বসে ভাবিতেছি কোথায় যাব দক্ষিণে সাগর গর্জন ধারি উথাল পাতাল শাড়ী শাড়ী পানি ঢেউ, ঐ দিকে ঐ যে দেখা
যাচ্ছে পতেঙ্গা সাগরে সৈকতে কাঁকরা মেলা লেগেছে আজ না কাল যাবো ।
দেখে ফেলেছি দেখে ফেলেছি ঐ যে দেখা যাচ্ছে পাহাড়িয়া গায়ে পাহাড়িয়া বধূ কি সুন্দর সাজ দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে
আঁকাস ছোঁয়ে,সাজের চমকানো ঝলক দিয়ে রঙের ইশারায় আমাকে ডাকিতেছে। এই না দেখে আমি সিদ্ধান্ত নিলাম
আজ ঐ পাহাড়িয়া বধূকে দেখিতে যাবো । রওনা হলাম গাড়ী নিয়ে পাহাড়িয়া গায়ে যেয়ে আমি পাহাড়ে উপর
উঠিতেছি আমার মনে হলো আমার ওজন বেরে যাচ্ছে ,হাঁটু ভেঙ্গে যাচ্ছে, হাঁটু ব্যথা করিতেছে ,বয়স হওয়ার আগে
বুড়ো হয়ে গেলাম না কি রে?নানী,দাদী ঠোকনা দিয়ে আফসোস করে বলিবেন আহরাই দাকে যা খাওয়াচ্ছি সবই
মিছে।
অনেক কষ্ট করে হাপুর পেরে উঠিলাম ,উঠে প্রথম চোখে পরিল পশ্চিমে আমাদের বিক্রমপুর ঐ যে আমার বাড়ী ।
তার পর চোখে পরিল সূর্য মামার বাড়ী সূর্য মামা সাক্ষাতে একটা কথা জিজ্ঞাসা করিলাম মামা আপনে সন্ধ্যা সময়
মিছে হয়ে জান কেন?
সূর্য মামা বলিল আমার ছোট ছোট ভাগিনা ভাগ্নি সাথে খেলা করিতে করিতে অনেক পিপাসা পায় তখন পতেঙ্গার
ঐতিহাসিক তরমুজে সুবাসের কাঠির মাথায় যে হিম সিম বানায় না ঐ হিম সিম খাইতে খাইতে মিছে হয়ে যাই।
।।।সূর্য মামা।।।।
আগুন আগুন আগুন আমার নাম আগুন।
আমি দোযখ থেকে এসেছি আমি দোযখের
আগুন ।
আমি অনেক সুন্দর সাত রঙের রাঙাইত ।
আবার অনেক ভয়ংকর ইবলিশ বলো দুনিয়া
বলো ইনসান হউক না কেনো সবাই আমাকে
ভয় পায়।
আমি করো শত্রু না কেউ আমার বন্ধু না ।
আপন পর বলিতে আমার কেউ নাই ।
ভুল ত্রুটি বলো বা ইচ্ছায় অনিচ্ছায় যে আমার
উপর পরিবে তাকে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছাই করে
দেই ।
আমি নিজেও জ্বলি এই হলো আমার ধর্ম।
আমি আগুন আগুনের কুণ্ডলী হয়ে একই জাগায়
ঘুরিতে থাকি আর সাত রং মাখানো আলো আর
কিং চিৎ পরিমাণ তাপ বিলিয়ে দেই পৃথিবীতে,
আলোকিত করি পৃথিবীকে।
পানির সাহারা নিয়ে রং বেরঙের ফুল ফুটাই পৃথিবীতে।
আমি যখন জেগে উঠি আমার আলোতে পৃথিবীতে
নতুন প্রভাতে নতুন দিন সুরু হয়, আবার যখন
ঘুমিয়ে পরি তখন আধারে কালো রাত নেমে আসে
পৃথিবীতে।
তাই তো পৃথিবী আমার নাম দিয়েছে সূর্য মামা।।।
একটু সামনে পাহারে কিনারে দাঁড়ালাম আমার মনে হলো আমাকে নিচের দিকে চুমুকের মতন টেনে নিয়ে যাচ্ছে।
(তার মানি পৃথিবীর আকর্ষণ আছে ,এই আকর্ষণে আমরা পৃথিবীর মাটির সাথে চলা ফেরা বসবাস করিতে পারি ।
অতি সহজে আর পৃথিবীর আকর্ষণে পৃথিবীকে আকাশে ভাসায়ে রাখে। এই প্রথম অনুভব করিলাম )
পাহাড়ে উপর বসে দেখিলাম পৃথিবীর বাংলাদেশর এক কোনে চিটাগাঙের বাটালি পাহার।
।।।বাটালী পাহাড়িয়া বধূ।।।
”পাহাড়ে প্রাকৃতিক সুন্দর্য্য প্রতিভা সবুজ শ্যামল পাহাড়িয়া গায়ে
পাহাড়িয়া বধূ নিজের প্রতিভা নিয়ে আঁকাস ছোঁয়ে দাঁড়িয়ে আছে।
বইছে বঙ্গোপসাগরে হিমেল হাওয়া ,ঐ যে ফুটে আছে কর্ণফুলীর
নদীর প্রতিভা,সবুজ শ্যামল অপূর্ব পাহাড়িয়া বধূর মন মুগ্ধকর।
রাতে আকাশে ফুটে আছে চান তারা তোরার বাহার,আকাশ আকাশ
বলি আমরা আকাশ পৃথিবীর মাটির থেকে এক সুতা উপরে মানুষে
চিন্তার বাহিরে আকাশ এতো উপর, সূর্য মামা নীল রং না বিলাতো
আকাশ বলিতে কিছুই থাকিত না ।
তাই তো আমি শামীম হায়দার বলি বাংলাদেশে চিটাগাঙের বাটালি
পাহাড়ে প্রতিভা আমার মনে রং আকাশে নীল রং দিয়ে ফুটে তুলেছে
এক অবাক পৃথিবীর বাংলাদেশের চিটাগাঙের বাটালি পাহাড়িয়া বধূ”।।।।
এই এই এতো উঁচু পাহারে এইটা কি ,বা কি সুন্দর পাখা বিনা ছোট ছোট পা দিয়ে হেটে হেটে এই উঁচু পাহারে উপরে
উটে বাসা ব্যাধে ছে। মনে হচ্ছে বাতাসের খুশীর কর্ণিকা সবটুকু বাসার এই জালে আটকিয়ে রেখে উপভোগ করে অবাক
পৃথিবী আর হিমেল হাওয়ার খুশী কর্ণিকাগুলো এই অট্ট লিকায়। অট্ট লিকায় বাসার মালিকে দেখিতে অপূর্ব বাটালি পাহারটা
স্বর্গে মেলা বলতে হবে পাহারে উপর ছোট একটা বৃক্ষের অট্ট লিকায় বাসা বেধেছে উপভোগ করিতেছে অপূর্ব দৃশ্য।
।।।মাকড়।।।
৩৩ হাজার জাতি ও বেশী মাকড় আমরা, আমাদের
অনেক গুলো হাত পা ।
আমরা লম্ফ দিয়ে অল্প কিছু দুরে যেতে পারি।
আমরা অনেক পারিশ্রমিক দিনে দুইটা বড় ঘড় বানাতে
পারি।
আমরা মাকড় জাতি পৃথিবী সর্ব তরে ঝাঁর জঙ্গলে
ঘাসের উপর ঘড়ে অট্ট লিকায় আমাদের বাস।
আমাদের পিছে একটা ফুটা আছে তার মধ্যে আঠালো
সুতর নাটাই বসানো আছে, নাটাই সুতা লম্বা হয় ৩৫
মিটার পর্যন্ত।
এই সুতোর নাটাই থেকে সুতো হাওয়াতে ছেরে দেই
১০০কিলো মিটার বেগে, হাওয়াতে উড়ায়ে নিয়ে যায়
পাহাড়ে উপর, আমি সুতা বেয়ে উপরে উঠে যাই ,
আর যখন আমি খাবার দেখি তখন এই সুতা দিয়ে
বেধে ফেলি পরে আহার গ্রহণ করি এই আঠালো সুতা
দিয়ে ঘড় বাধি।
আমরা চোখে কম দেখি আমাদের সামনে পা দুটো
দিয়ে পথ খুঁজে চলি।
আমরা যখন ডিম পারি তখন এই সুতো দিয় এমন ভাবে
ঘর বানাই যাতে ভিতরে গরম আর কীটপতঙ্গ থেকে
রক্ষা পায়।।।।।
ঐ দিকটা ছোট ছোট টিলায় সবুজ শ্যামল অরণ্য মধ্যে রঙে রঙে রাঙানো সূর্যে রোশনি ঝিল মিল রঙের খেলা করিতেছে।
মামা ঐখানে কি? একটু আরাম করিতে দেও, কালকে ঐখানে যাবনে।
এক ঘণ্টা আরাম করে নামিতে সুরু করিলাম । বা এখন দেখি সরিল অনেক হালকা লাগিতেছে মনে হলো কে জেনো
পিছে থেকে আমাকে ঠেলে অনেক দূরত নিচে নামিয়ে দিচ্ছে আমি নেমে গেলাম।তার পর গাড়ীতে বসিলাম ড্রাইভার গাড়ী
ছাড়িল আমরা সবাই ঘুমাইয়া গেছি কখন যে কর্ণফুলী নদী ফেরী ঘাট পার হয়ে বাসায় এসে গেছি টের পাই নাই।
পরের দিন সকালে সকাল সকাল উঠে আমি বাহির হলাম সূর্য উঠার কিছু সময় পর দেখি কোথায় থেকে একটা পাখি
উড়ে এসে বসিলো। আমি একটু দাঁড়ালাম পাখিটা দেখিতে খুব সুন্দর। এমন সময় পাখিটা আমাকে দেখে নেচে নেচে
আকাশে উপরে উঠে আবার নিচে নেমে গাছের ডালে বসিলো কিস মিস গান ধরিলো । অনেক সময় ধরে নাচিলো আর
উড়ে আকাশের অনেক উপরে উঠে আবার ডালের বসে আর গান গেয়ে পরে চলে গেলো। আজকের এই সকালটা সুরুতে
এক অপূর্ব প্রভাত আজকের দিনটা অনেক ভালই যাবে।
।।।টুন টুন।।।
টুন টুন টুনটুনি টুন টুন টুনটুনি পাখি
ত্রিন ত্রিন নেচে নেচে এক ডালে থেকে
আরে ডালে যাও ।
ত্রিন ত্রিন নেচে নেচে উড়ে উড়ে বেড়াও।
তুমি উড়ে উড়ে আকাশ থেকে কাব্য এনে
সোনালী ধানের সুরে গুচ্ছ বেধে ত্রিন ত্রিন
নেচে নেচে এক ডাল থেকে আরেক ডালে
ঘুরিয়ে বেড়াও তুমি।
তুমি আকাশের সূর্য মামার নাড়ু বেলের মা-
থায় দিয়াশলাই ঘসা দিয়ে প্রদীপ রাঙ্গায়ে
রঙিন কিরণ রঙ্গিল শাড়ী পরে ত্রিন ত্রিন নাচে
নেচে রাঙাও তোমার জীবন।
টুন টুন টুনটুনি টুন টুন টুনটুনি পাখি তুমি
আর্তি সুন্দর ,সুন্দর তোমার প্রতিভা।।।।
বিকালে বাহির হলাম গাড়ী নিয়ে রঙে মেলাতে যাবার পর দেখিলাম ছোট একটা চিরাখানা আর অপূর্ব দৃশ্য এক
অপূর্ব সময়। চারো দিকে ঘুরে দেখিলাম। এমন সময় অপূর্ব সময় রঙে রঙের খেলা পেয়ে গেছি এ সেই রঙের খেলা।
রঙের মেলাতে রং মেখে রাঙাইত করি আমার জীবন।
।।।ফয়েজ লেক।।।
মান ভরা লজ্জা সরমে শর মিলা প্রাকৃতিক পৃথিবী আমাদের।
লজ্জা সরম প্রাকৃতিক পৃথিবীর রঙে রঙে রংধনুর মেলা।
অফুরন্ত মায়ার জালের অবাক পৃথিবী, ছয় ঋতুর মধু মাসের
প্রাকৃতিক পৃথিবী, চোখ ধাঁ ধাঁনো মন জুড়ানো আমার পৃথিবী।
যত দেখি তত দেখিতে মনে চায়, দেখে দেখে নয়ন জুড়াই।
নয়ন আমার আলসি ভরা ভ্যাবলা মনি এক দৃষ্টিতে ঢেপ
ডেবিয়ে দেখতে থাকি অবাক পৃথিবীর সুন্দর্য্য ধারাগুলো।
নয়ন জুড়ানো চারো দিকে গহিন অরণ্য মধ্যে ফুটিয়াছে এক
অপূর্ব ঝিলে মাছ গুলো টুপুর টাপুর খেলা করিতেছে এক অবাক
পৃথিবীর মেলা মিলছে।
তুমি আমার দৃষ্টি নন্দর চারুলতার প্রজাপতি অবাক পৃথিবী।
তুমি আমার চৈতা দিনে দুখ প্রহরের বসন্তে বাহার ,তুমি
আমার ভালবাসার অভিমানের ঘুম ভাঙ্গানো মায়াময় নায়িকা।
তুমি আমার মধুর মায়াময় নায়িকা আষাঢ়ে বাদলা দিনের
ভিজা আউশ ধানের গরমা গরম চিরা মুড়ি আর খৈয়ের খুশীর
মেলা ফয়েজ লেকের মেলা।।।।।
চিটাগাঙে টেক চান্দা মাছ ভাঁজা আর গরমা গরম চিটাগাঙে মুড়ি কি যে মজা বলে বা লেখে বুঝাতে পারিব না। দুই
সপ্তাহ ছিলাম প্রতি দিন একটা করে টেক চান্দা ভাঁজ আর গরমা গরম মুড়ি। মুড়ির সাথে মাছের কাঁটা ও চিবায়ে
খেয়ে নিতাম।এতো সাধের মাছ। মামা দ্বিতীয় দিন বুঝিতে পারিলো তার পরে প্রতিদিন আমার জন্য টেক চান্দা এনে
রাখিতো।একদিন মামা আমাকে নিয়ে বাজারে নিয়া গেলো একটা বড় মাছ কিনিলো কি মাছ আমি নাম জানি না।
দেখিতে রুই মাছের মতন মামা বলিলো এইটা সাগরে মাছ। জেলে পরিষ্কার করে কেটে দিলো।গাড়ীর পিছে বোটে
রাখিলাম। কিনা কাঁটা করিতে করিতে বিকাল হয়ে গেলো, বাসায় যেতে সন্ধ্যা হইয়ে গেলো ,বাসায় এসে মাছের বেগ
খুলে দেখি মাছ পচিয়া গেছে পচা গন্ধে বাসা গন্ধে ভরে গেছে,মামা বলিল হায়রে কিছমত। পরে ফালাইয়া দিলো।
রাতে ফ্রিজের তেলাপিয়া মাছ ভাত খেলাম।পরের দিন বিকালে রনা হলাম পতেঙ্গা সৈকতে । পতেঙ্গা সৈকতে যেয়ে দেখি
সাগরে ভয়ংকর গর্জন শাড়ী শাড়ী উত্তাল পাতাল ঢেউ আর লবণাক্ত পানি,সাগরে মনে একটু শান্তি নাই,না আছে
একটু বিশ্রাম ।মনে হলো এক পলোকে আমাদের গিলে ফেলিবে। বিশাল বড় এক ভয়ংকর দস্যু ।পৃথিবী ক্রাশ করিতে এক
পলকে সময় লাগিবে না।
আরেক দিকে বালু আর বালু অনেকগুলো ঘণ্টি ঘর।সমুদ্রের পারে লাখো কাঁকরা অনেক বড় বড় কাঁকরা দল বেঁধে খেলা
করিতেছে,আহার খুঁজিতেছে বা অনেক সুন্দর মন মুগ্ধকর মেলা। কাঁকরা মেলা দেখে মনে রং লাগিলো।তাই তো বলি
।।।কাঁকড়া।।।
আমরা কাঁকড়া দল পানির প্রাকৃতিক দেশে
প্রজাতি।
আমরা কাঁকড়ার দল,দল বেধে চলি, কখনো
কখনো সমুদ্র সৈকতে একা একা ও চলি।
আমাদের অনেক গুলো পা তাই আমরা দ্রুত
চলিতে পারি,আমাদের দুটো মোটা মজবুত
হাত, কেঁচির মতন দুটো আঙ্গুল আছে, তার
মধ্যে ধারালো দাঁত তা দিয়ে আহার ধরে গ্রহণে
সাহায্য করি আর নিজেকে বিপদ থেকে রক্ষা করি।
আমারা কচুরি ছোবার মধ্যে, পুকুর , ঝিলের
পার সমুদ্রের সৈকতে গুহার মধ্যে বাসকরি।
আমরা সবাই স্বাধীন প্রিয় প্রজাতি ।
পুকুর, ঝিল , সমুদ্র সমুদ্রের সৈকতের প্রাকৃতিক
সাথে আমরা মিলে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের প্রতিভা ।।।
কিছুক্ষণ পরে সাগর দেখিতে দেখিতে ভয় ভেঙ্গে গেলো আস্তে আস্তে পানির কাছে হাঁটু কোমর পর্যন্ত পানিতে নামিলাম ।
পানি মোক্ষে দিয়ে দেখি লবণাক্ত । শুনেছি সাগর পানি দিয়ে গোসল করিবে যদি কারো কোন চর্মো রোগ থাকে ভালো
হয়ে যায়।আমার তো হয় নাই আমি প্রমাণ দিতে পারিব না ।
আরো শুনেছি সাগরে পানিতে প্রসাব করিলে আগুন জ্বলে অনেক মানুষ তাই সরমে প্রমাণ করিত পারি নাই। বিদেশে
আসিয়া শুনিলাম যে মহিলাদের যত দিন প্রে রীড হয় ততদিন সাগরে নামা সাঁতার কাঁটা ঠিক না।কারণ হাঙ্গর রক্তে গন্ধ
পেয়ে চলে আসে বিপদ বা জান যাইতে পারে।এক মহিলার জন্য অনেকে বিপদে পরিতে পারে জান ও যেতে পারে।
কারো সরিল কাটা খায়ে রক্ত পরে তার সাগরে পানিতে নামা উচিত না।
আমি ভালো সব ভালো।সাগরে আরেকটা আছে জল দস্যু পানির ঘোলনা,সবাই সাবধান ।সাগরে পানি লবণাক্ত কেনো
আপনে সবাই জানেন। আমি সাগরে পানিতে কিছুক্ষণ সাঁতার কেটে পানি সাথে খেলা করিলাম।পরে সাগরে রং তুলি খুঁজে
পেলাম।
।।।।।সাগর।।।
ও হে সাগর চঞ্চল সাগর তোমার মোহনায় মহ ভরপুর
অপরূপ রঙে রঙে নানান রঙে রাঙ্গাইত ছোট ছোট বৃক্ষ
বাগিচা নানা রঙের মৎস্য মেলা দৃষ্টি নন্দন অপূর্ব এক
জগত।
নানান প্রজাতি জল প্রাণীর রঙে মেলা এক প্রাকৃতিক
চোখ ধাঁ ধাঁনো নৈ স্বর্গ অবাক পৃথিবী এক অংশ তুমি
সাগর ।
ও সাগর তোমার চঞ্চল মন, তুমি রাগান্বিত যৌবন
জোয়ারের বিরাম হীন উথাল পাতাল ঢেউ ,মাঝি মাল্লা-
রা ঢেউয়ে সাথে লোকোচুরি খেলিতেছে, চান সূর্য ঢেউয়ে
সাথে মিষ্টি হাঁসি দিয়ে দুলিতেছে। তাই না দেখে আমার
অঙ্গ নাচে ঢেউয়ের তালে তালে।
তোমার সো সো গঞ্জন ভয়ংকর উথাল পাতাল ঢেউয়ের
গঞ্জনে মনে হয় এক মুহুতে পৃথিবী ধ্বংস করে গিলে
ফেলিবে।
তাই তো পৃথিবী এক তৃতীয়াংশ দখল করে পানিতে
প্লাবিত করে আছো তুমি ।
বাতাসের সাথে দুস্তি বানিয়ে বায়না ধরেছো তুমি
আকাশ থেকে বড় হবে এক দিন হবে মহা মহা সাগর।।।।
সাগরে পানি থেকে উঠে কাপর বদলায়ে কিছুক্ষণ বসে কাটালাম মনটা কি যেন খুঁজিতেছে দেখা পাইতেছি না।এমন সময়
চোখে পরিলো ঘণ্টি দোকান যেয়ে দেখি কি আছে । যেয়ে দেখি ঝিনুকে ঐতিহাসিক মেলা লেগেছে বা কি সুন্দর সাংস্কৃতিক
মেলা লেগেছে।একটা ঝিনুকে বধূকে হাতে নেওয়া পর দেখি রোদে আলো পেয়ে ঝঁমকাইতেছে। বা কি চমৎকার। আমি বলিলাম
(ওগো বধূ দোলায় দোলে রোদে আলোতে উজ্জ্বল প্রতিভা ঝিলমিল রাঙ্গায়ে মুক্ত হাঁসি দিয়ে জয় করিয়াছ আমার মন।
কোন দক্ষ নিখুদ কারিগর বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ইতিহাস মাখিয়ে বানিয়েছে তোমাকে । সে একজন পারদর্শী কারিগর
সাংস্কৃতিক প্রতিভা।)হাজারো সাংস্কৃতিক ইতিহাসের খাজানা মূর্তি আছে। এই ক্ষুদ্র শিল্পীদের মানুষে কাছে
ইজ্জত আছে কি না কে জানে । এরা বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ইতিহাসকে স চোখে উপভোগ করে ফুটে তুলিয়েছে । তার পরে
দেশের মানুষে কাছে সাংস্কৃতিক ইতিহাসে পুতুল বানায়ে বিলিয়ে দিয়েছে । আমি জানিনা মানুষ যারাই এগুলো কিনে নেয়
চোখের সুন্দর লাগে বলে, না বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সাংস্কৃতিক কিনে এটা বলা বড় মুস্কিল ।আমি অনেক
সময় দাঁড়িয়ে দেখিলাম সবাই কি খুঁজিতেছে সুন্দর না সাংস্কৃতিক ইতিহাস। অনেক মহিলারা/মেয়েরা অনেক ছেলেরাও
বিরক্ত হয়েছে মনে মনে বলিতেছে এই ছেলেটা এইভাবে দেখিতেছে কেনো ।কে কি মনে করিছে কে জানে। তবে সবাই
আমাকে হাঁসি দিয়ে চলে গেছে।আমাকে কেউ কিছু জিজ্ঞাসা করে নাই।যদি কেউ কিছু জিজ্ঞাসা করিতো আমি অনেক গুলো
প্রশ্নো করিতাম।এ পুতুলটা কে?কে এই পুতুল বানিয়েছে? কোথায় থেকে আসিয়াছে? কোনটা কি সাংস্কৃতিক ইতিহাস দেখিয়েছে কেউ কোন খবর
নিচ্ছে না ।সুধু সুন্দর সুন্দর সুকেশে সাজাইয়া রাখিবে তা না হলে বাচ্চাদের খেলনা। সাংস্কৃতিক বা ইতিহাস সবই রাজধানীর
গোল চক্কোরে হারিয়ে গেছে ।রেখে গেছে সুধু সুন্দর আর ফ্যাশন ।
এইতো আমাদের দেশের পড়ালেখার ইতিহাস সুধু পয়সা আর ফ্যাশন। পড়ালেখা করে মানুষে সামনে বড় বড় কথা আর ধোঁকা
দিয়ে লোটে নেওয়া। এখন ইন্টারনেটে হ্যাকিং করে মানুষের মান সমমান টাকা পয়সা আর ফটো লুট করে
সে বানে রাজা। এ সব কারণে বাংলাদেশের মানুষ আর পড়ালেখা বাহিরে দেশের কাছে মূল্য হীন ।
পড়ালেখা করে নিকৃষ্ট ফ্যামিলির ছেলে মেয়েরা নিকৃষ্ট কাজ করে বেড়ায়। তারা ও জানে । পড়ালেখা শিখে মানুষকে ধোঁকা
দিয়ে বড় হইবে ।তা না হলে পড়ালেখার কি দাম আছে। চাকরি করে সৎপথে চলিলে পেটে ভাত জুটিবে না।
।।।।আমাদের চিটাগাং।।।
বাংলাদেশের পূর্ব প্রান্তে একটি শহর তিলোত্তমা শহর ।
একদিকে প্রাকৃতিক নৈ স্বর্গ পাহাড়িয়া গাও তার উপর
প্রাকৃতিক কাব্য মাখানো পাহাড়িয়া গায়ের বধূ বাটা-
লিয়া পাহার।
অন্য দিকে সমতল ভূমি, প্রাকৃতিক পানির দুনিয়া ,স্থলে
লালমাইটির প্রকৃতি চোখ ধা ধানো মন জোরানো পৃথিবীর
স্বর্গ ময় বাংলাদেশের একটি জিলা চিটাগাং চিটাগাং
চিটাগাং আমাদের চাটগাঁও।
যেখানে আছে স্বর্গের প্রাকৃতিক বর্ষিষ্ঠ, রং বেরঙের মানুষ।
নানান রঙের মানুষের নানান ভাষার সৌরভ, স্বাধীন
স্বদেশ আমাদের বাংলাদেশের চিটাগাং জিলা, মন ভুলানো
ভালোবাসার মায়া জুড়ানো আমাদের চিটাগাং চিটাগাং
চিটাগাং চিটাগাং শহর আমাদের জিলা চাটগাঁও জিলা।।।।
“খোদা হাফেজ”