Navigation Menu+

কলিযুগ

Posted on Nov 14, 2018 by in Bengali, Stories | 0 comments

আল্লাহ পৃথিবীকে এতো সুন্দর করে বানায়েছে যে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে মন মুগ্ধ কর।তাই তো পৃথিবী ছেরে কেউ যেতে চায় না।
সুধু আল্লার প্রিয় ইনসানের জন্য।সব কিছু অফুরন্ত ,কিছু আল্লার হাতে রেখে দিয়েছে।আর সুধু পাপ পূর্ণ বেহেস্তের দোজখের
ইঙ্গিত দিয়ে
দিয়েছে পৃথিবীতে। ইনসান চাওয়া পাওয়া অসংখ্য তাই এই পৃথিবীতে এতো কোলাহল।এই সৌরজগতে বা সৌরজগতে বাহিরে
এত সুন্দর গ্রহ বানায় নাই।আর ইনসান পৃথিবীর সৌন্দর্যে দেখে আল্লার সুক্রিয়া আদায় করে আল্লাহ খুব খুশী হয় । আল্লাহ
খুব খুশী হয় ইনসান আমার সুক্রিয়া আদায় করিতেছে ।প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে অবহেলা করে আল্লার সুক্রিয়া আদায় না করে
কেমিক্যালে সাহারা নিয়ে বানায় কেমিক্যালের রসগোল্লা। এই রসালো কেমিক্যালে ক্ষতি করিতেছে মানুষের জীবন,ধ্বংসের
মোক্ষে পেলে দিচ্ছে পৃথিবীকে । কেমিক্যাল নাইছ এন সাইনি চমৎকার দুনিয়া,কেমিক্যাল মাখানো তরতাজা ফল ফলাদি,
তরি তরকারি মাছ মাংস ।সুধু পয়সা পয়সা ।দুনিয়া যাক জাহার নামে । কেমিক্যাল নাম্বার ওয়ান। তাই তো ইনসানে যেমন কর্ম
তেমন মৃত্যু,মৃত্যুর পরে ফল। আমার নানা একদিন একটা কথা বলিলো ইনসানের তিনটা কর্ম দুনিয়াতে আখেরি দিনে ফল পায়।
প্রথম একজন ইনসানকে কাপড় পরিধান করিয়ে ইজ্জত ডেকে একজন ভদ্র ইনসান বানানো। দ্বিতীয় অসুস্থ রোগীকে রোগমুক্ত
করা। নাম্বার তিন এক খুদার্থ ব্যক্তিকে অন্য দেওয়া তার খুদা মিটানো ।সে/তিনি একজন খাঁটি ইনসান।তার ইহকাল পরকাল
ভাল।এর মধ্যে কথা আছে রোগ জীবাণু কেমিক্যাল মুক্ত ভালো খাবার ল্যাজো মূল্য হতে হবে (কাপড় কিংবা ডাক্তার হোক বা
খাবার হোক)।এই কথা সত্য সত্যি কারে ইনসানকে দেখে শয়তান ভয়ে অনেক দুরে চলে যায় আর মওতে ও
ভয় পায়। আমি কি কষ্ট মুক্ত সহজে জান কবজ করিতে পারিলাম তো। আর আফসোস করে দুনিয়া থেকে এক সত্যি করে
ইনসান চলে গেলো আবার কবে যে আসিবে আল্লাহ জানে। কলিযুগ বলা বড় দায়। ইনসান বানতে পুরো জীবন লেগে যায়
আর ইনসান রূপে শয়তান হইতে সময় লাগে এক সেকেন্ড । সব চাইতে সোজা পথ হলো আপনে আপনাকে প্রশ্নো করেন আপনে
কে ?আপনে কাকে বা কি বিশ্বাস করেন । আল্লাহ কে? আপনার জীবন বলেন বা কর্ম বলেন আগে কে আপনে না আল্লাহ ? আর
উক্তর খুঁজুন আপনা মঞ্জিল পেয়ে যাবেন। আপনার জীবন আপনার মন ও ইচ্ছা।কাড়ন দুনিয়া আগে চলেগেছে কলিযুগ শুরু হয়েছে ।।
।।।। কলিযুগ।।।।।।।
কলির জীবন মডার্ন জীবন হাতের নাগালে
নাকের ডগায় ঝুলিতেছে কেমিক্যালের রস-
গোল্লা ।
এই কেমিক্যালের রসগোল্লা দেখিতে চমৎ-
কার ঘুমন্ত নিস্তব্ধ মিঠা বিষাক্ত নিশা যুক্ত
এক সাপ, সবাই ভালোবেসে কাছে টেনে নি-
য়ে নেশা মত্ত থাকে ভুলে যাচ্ছে আল্লা খোদা
নাম হয়ে গেছে লোভী কলিযুগের সন্তান।
কলিযুগে এ কেমিক্যালের দুষিত করেছে
পৃথিবীর প্রাকৃতিকে,উপ্ত করেছে পৃথিবীকে,
ধ্বংসের মোক্ষে ফেলে দিচ্ছে পৃথিবীকে বিপ-
র্যয়ে ফেলেছে মানুষকে, বানিয়ে দিয়েছে কলি
যুগের মানুষকে কিছু দিনের মেহমান, মানুষ
নামের কলিযুগের লোভী মেহমান।।।
কলিযুগের মানুষের হাজারো কারণ সুতরাং , অবুঝ মন ভালমন্দ বুঝার বড় দায়। সুধু পয়সা পয়সা পয়সা পিছে ঘুরে মন। পয়সা
পয়সা এই পয়সার কাছে হার মানে অনেকের ইমান।তাই তো এ পয়সায় বিভক্ত করেছে পৃথিবীর তিন শ্রেণীর লোক। যার
আছে পয়সা তার পয়সার প্রতিভাতে সে বানযায় দুনিয়ার বড় ইনসান ।এই না দেখে কিছু দুষ্ট লোক বুঝে নেয় পৃথিবীর নিয়মে
আমার কিছু মিলিবে না। তখন খারাপ রাস্তা বেছে নেয় বলে দুনিয়াকে হাতে মুঠে করে নিজে লাভবান হবো চির তরে। কিন্তু
শেষে কি হয় ? এই দুনিয়া যায় প্রথম থেকে শেষে ভাল এই দুনিয়া আর আখেরে দিনে সম্মানিত ইনসান নামে পরিচিত।
দুষ্ট লোকের পয়সার লোভে দুনিয়ার পরিবেশকে দুষিত করে আর দুষ্ট লোকের কি হয় দেখেন।
।।।সাদের দুনিয়া।।।
দুনিয়া দুনিয়া না আমার না তোমার তবে কেনো দুনিয়া নিয়ে এ তো কোলাহল।
দুনিয়া দুনিয়া দৌড়ের প্রতিযোগিতা দুনিয়া কার আগে কে যাবে ।
দুনিয়া দুনিয়া এমন এক খেলার প্রতিযোগিতা ময়দান যেখানে দুনিয়া জিতে ।
দুনিয়া দুনিয়া রঙ্গিল দুনিয়া,দুনিয়া দুনিয়া চাওয়া পাওয়া দুনিয়া, দুনিয়া দু-
নিয়া লোভ লালসার দুনিয়া, তাই চাওয়া পাওয়া ছারা বৃথা দুনিয়া ,
দুনিয়া দুনিয়া মৌসুমি ফল ফুলের দুনিয়া,দুনিয়া দুনিয়া মৌসুমি বাতাসে
দুনিয়া।
দুনিয়া দুনিয়া খাট্টা মিঠা সাদ নেওয়ার দুনিয়া,ভুলে যায় কিছু সময় জন্য
দুনিয়া , আসা যাওয়া চলতে থাকিবে কোলাহল চলতে থাকিবে।
যে আসিবে তার কাছে থেকে বাব\মা চাইবে,(জন্ম দিয়ে বড় করেছি আমাদের
জন্য কি করিবা) বাল বাচ্চা চাইবে,(আমাদেরকে বড় করে সম্পত্তি ভাগ করে
দাও)বউ চাইবে(দামী শাড়ী অলঙ্কার দিয়ে সব চাইতে সুন্দরী সাজ সাজায়ে
ঘুরাতে নিয়ে যাও)আল্লা চাইবে ,(সর্বক্ষণ আমার কাছে প্রার্থনা আর সুক্রিয়া
আদায় করো)দেশ ও সমাজ চাইবে(আমাদের জন্য কিছু করো)।
এই দিকে দিয়ে দুনিয়া দেয় রঙের তুরুক ইনসান তুরুক খেয়ে লাড্ডু মতন
ঘুরিতে থাকে, ইনসান ঘুড়িতে ঘুড়িতে ছিটকে পরে কেউ জ্বলে পুরে ছাই, কেউ
মাটির পেটে।এই তো দুনিয়া গরীব ধনী মধ্যবিত্ত ইনসানের সাদের দুনিয়ার ।।।।
এ দুনিয়া এমন একটা ঠিকানা যার নাম সুণিতে প্রতিযোগিতা সুরু হয়ে যায়।মানুষ যখন জন্ম নেয় তখন সুরু হয় প্রতিযোগী
তা। যখন মার পেটে মানুষ আসে তখন কুটি কুটি মানুষ আসে কিন্তু একজন ১জন বা ২জন কিং বা ১১জন জাগা পায়।
একজন পৃথিবীতে আসে। আর বাকি সব বাস করা স্থান না পেয়ে মারা যায়। এইটা একটা প্রাকৃতিক নিয়ম। পৃথিবীতে জন্ম হয় ছেলে বা
মেয়ে হয়ে ।আমরা মানুষ আমরা দুই লিঙ্গের মানুষ।আমরা দুই লিঙ্গের চাল চলন । কোন দিন ও এক রকম চাল চলন হইতে পারে
না, মানুষ যত চেষ্টা করুক না কেন। আর র গিয়া যে সে/তিনি ভালো ভাবে নিজের সংসার চালাতে পারে সে/তিনি দেশ বা দুনিয়া
চালাতে পারে। তবে মিডিয়া হর্তা কর্তাদের মন জয় করে তার পর দেশ বা দুনিয়া চালাতে পারিবে। মেয়েদের রাস্তা ঘাটে চলা ফেরা
করা প্রশ্নো আগে দুনিয়ার সম্বন্ধে শিক্ষা দাও তার পর রাস্তা ঘাট মার্কেট যেতে দাও। আর ভদ্রতা ইমানে অঙ্গ । যেখানে কুপুরুষ
থেকে রক্ষা পায়। কেউ যেন টু শব্দ করিতে না পরে।তিনি হলেন আদর্শ মহিলা। তবে একটা কথা দুনিয়াতে ইনসান আসিবে আবার
যাবে। দুনিয়া গোল মেল মেলা চলতে থাকিবে ইনসানে ইনসানের পরিচয় মিলিবে।একদিন সবকিছু ধ্বংস হয়ে যাবে ।সুধু থাকিবে
আল্লাহ তার নাম।আর এই দুনিয়াতে এসে
কেউ কেউ চায় দুবেলা খাবার আবার কেউ চায় দুবেলা খেয়ে মান ইজ্জত নিয়ে মরণ চায়,আবার কেউ চায় সারা দুনিয়া আর
পয়সা পয়সা । দুনিয়া রঙের মেলা রঙের সাথে মিলিতে চায়।একদিনে দুনিয়া, যা কিছু করো না কেন মরণ একদিন হবে।এ কথা
ভুলে যেওনা ।উপারে
প্রশ্নও উক্তর দিতে হবে।তুমি যা কিছু করেছো জেনে সুনে করেছো কিনা। না কি দুনিয়া আর পয়সা দেখে লোভ লালসা চাহিদা
বারায়ে লোভী জীবন যাপন করেছো । এই কথাটা সব ধর্মে বলেছে।তার মানি আমি তুমি এই প্রশ্নর এরায়ে যেতে পারিবেনা
কেউ। তোমার আমার মৃত্যুর পরে ও দুনিয়া বলিবে ।
।।।পৃথিবীর কিছু কথা।।।।
এসো ওহে মানব সন্তান স্বাগতম শুভেচ্ছা স্বাগতম ।
ওহে ইনসান যখন তুমি এসেছো আমারি পৃথিবীতে।
আপন করে আমারি বোকে নিয়েছি,আমারি পৃথিবীর
সব রং তুলি তোমাকে বিলিয়ে দিয়েছি।
এখন তোমার মন মানুষিকতা তোমার দুনিয়া তোমারি
মন মুগ্ধতা।
তোমার দুনিয়া বাস করিবা আর সৃষ্টি কর্তার সুক্রিয়া
প্রার্থনা আর পাপ মোচন করিবা।
এসেছো একদিন যেতে হবে একদিন মনে রেখো।
তোমার দুনিয়াতে সৃষ্টি কর্তাকে ভুলে গিয়ে শেরেকী
গুনা, দুনিয়া রঙে মাতানো সব তোমার কর্ম আর ধর্ম।।।
আমি তোমাকে ডেকে আনি নাই তোমার নিজে ইচ্ছায় পৃথিবী মাটির ফল খেয়েছো তাইতো তোমার ওখানে কোন জাগা নাই তাই
তুমি পৃথিবীতে আসিয়াছো। এখন তোমার যাবার বেলা আমার রঙে রাঙ্গিয়ে অনেক নাচিয়েছো এখন একটু চিন্তা করে দেখ যাবার
বেলায় তোমার হাতে যে রং লেগে গেছে এই রং নিয়ে গেলে ভালো জাগা বা বিছানা পাবে না ।কারণ তোমার সরিল দুনিয়ার
আবর্জনা লেগে আছে। আল্লাহ যখন তোমাকে এই দুনিয়ায় পাঠায়েছে তোমার মন পরিষ্কার করে আপন দুনিয়াতে যেতে পারো ।
এখন তো তোমার হাতে রং লেগে আছে এখন তো সময় নাই পরিষ্কার করার। এখন আর কোন উপায় নাই।পয়সা বলিবে কে
আসিল কে চলে যাচ্ছে আমার কিছুই আসে যায় না। তুমি যাচ্ছো আমার কোন কথা নাই।তুমি যাওয়ার পর আমি আরেক জনে
কাছে চলে যাবো। তবে তুমি আমারে দিয়া দুনিয়া রং কতটুকু হাত রাঙ্গাচ্ছো এখানে একটা প্রশ্নো। যাবার পর কেউ কেউ দুনিয়াতে
বুঝিতে পারে আমি পয়সা একজন মনের শান্তি পুরী।আবার মরার পর এক কাল যাইত বিষাক্ত সাপ । আমারে নিয়ে সাবধান না
হলে ভবিষ্যৎ অন্ধকার ।
আর আরেকটা কথা তোমার ছেলে মেয়েরা বলবে বাবা রেখে গেছে ভালমন্দ দেখার কিছু নাই।তার মানি তোমার পয়সা পাপ পূর্ণ
তোমার ।আর যদি তোমার ছেলে মেয়ে যদি এই পয়সা দিয়ে পাপ করে তুমি ভাগি ধার হইবা । যদি পূর্ণ সহকারে আল্লার কাছে
দোয়া চায় মাপ চায় তবে মাপ হইতে পারে।তবে এখন কলিযুগ বুজিতে পারছতো ।তোমার ছেলে মেয়েদের কাছে কতটুকু সময়
আছে বা তাদের মন মানসিকতা কতটুকু তোমার প্রতি তা তুমি ভালো জানো। টাকা দিয়ে সমাজের সম্মান কুড়াইবে না তোমাকে
বিপদ থেকে রক্ষা করিবে? এই পর্যন্ত যা রেখে যাচ্ছো চিরদিন থাকবে কি না আল্লা বলতে পারে। তোমার ছেলে মেয়েরা জানে কি?
তোমার বিশ্বাস করে লাভ নাই ।ভালো হইলে ভালো,না হলে তুমি তোমার বিপদ। আমার নাম পয়সা যার হাতে যাই দুনিয়া
ভুলায়ে আপন দুনিয়ার রঙে মাতিয়া তুলি। তাই তো সবাই বলে পয়সা পয়সা হায়রে পয়সা।
।।।পঁয়সা।।।
পয়সা পঁয়সা পয়সা পয়সাই দুনিয়া জন্য।
পঁয়সা পয়সা পঁয়সা পঁয়সা রঙ্গিল দুনিয়া ।
পয়সা পয়সা পয়সা পয়সার মধ্যে সমস্ত
সুখ শান্তি হাঁসি খুশী মাখানো পয়সার
দুনিয়া ।
তাই তো সবাই ছুটে বেড়ায় পয়সা পিছে।
পঁয়সা পয়সা পয়সা পঁয়সার জন্য সবাই
পাগল ।
পঁয়সা পয়সা পয়সা যার আছে তারই দুনিয়া।
পয়সা পয়সা পয়সা পয়সাই মনের শান্তি ।
পয়সা পয়সা পয়সা পয়সাই স্বপ্নের দুনিয়ার
ভাঁটির বাতাসের রঙ্গিল বাদামের তরী ।
পয়সা পয়সা পয়সা পয়সার দিয়ে দুনিয়া
খরিদ করে দুনিয়ার শুক শান্তির সাধ নিবো
প্রাণ ভরে ।
পয়সা পয়সা পয়সা পয়সা ঝন ঝন ধ্বনি
উজ্জ্বল প্রতিভা শুক শান্তির হাঁসি খুশীর
ছোঁয়া দুনিয়া।
পয়সা পয়সা পয়সা মানি শুক শান্তি হাতের
মুঠে চাওয়া পাওয়ার সারা দুনিয়া ।
পয়সা পয়সা পয়সা পয়সাও গোল, লাড্ডু ও
গোল ,দুনিয়াও গোল, গোলক ধাঁ ধাঁয় গোলা
কারে সবই ঘুরে ।
গোলক ধাঁ ধাঁয় গোলাকারে ঘুরিতে ঘুরিতে
কেউ এখানে ,কেউ ওখানে পরে, কেউ বা
ঘুরিতে ঘুরিত হারিয়ে যায় ।
পয়সা পয়সা পয়সা পয়সাই মিলে রঙ্গিল
দুনিয়া ।
পয়সা পয়সা পয়সা পয়সার মধ্যে সমস্ত সুখ
শান্তি খুশী মাখানো রঙ্গিল দুনিয়া, পয়সা
কোনো দিন মিলে না সুখ শান্তি, বানায় পাপে
বোঝা বড় ।।।
পয়সা সম্পদ আরেক নাম হলো লোভ লালসা লোভী। নিজের পয়সা সম্পদ দেখে এক মোট ভাত খেতে অনেক মজা লাগে।
পয়সা থাকলে
মসিবত না থাকলে ও মসিবত।পয়সা সম্পদ জোয়ার ভাটা মতন ।পয়সা দিয়ে পয়সা বাড়ায়ে সম্পদকে ডেভ লাভ করা বা
আরেক জনে সম্পদ নিজের নাম করে নিজের সম্পদের সাথে যোগ দেওয়া মানি নিজের নাম রসন করা ।আর যদি পয়সা ঘরে
রেখে দিলে পয়সার মান কমে যাবে আর দুনিয়া আগে চলে যাবে ।তদ্রূপ সম্পদকে ডেভ লাভ না করিলে সম্পদের মূল্য কমে
যায় ।পয়সা আর সম্পদ হলো জীবনে সবচাইতে প্রিয় সোনার হরিণ ।
।।।সোনার হরিণ।।
ভোর হল সূর্য উঠিল ঘর থেকে দেখে,
দুর বহু দুর সোনার হরিণ সূর্য রশ্মিতে
ঝিল মিল, ঝিক মিক করিতেছে ।
তাই ছুটেছে সোনার হরিণ ধরিতে।
দৌড়াতে দৌড়াতে দুনিয়াতে আঁকা বাঁকা
পথে ক্লান্ত হয়ে এটুকু বিশ্রামে সময় নাই ।
পিপাসা বুক ফেটে যায়,যত পানি পান করে
তত পিপাসা বারে । তার পরেও না দেয় খেন্ত ।
তবুও সোনার হরিণ ধরতে হবে ।
পিছন দিকে চাইয়া দেখে বেলা বেশী নাই ,
বেলা গেলো সন্ধ্যা হলো ,
চেয়ে দেখে সন্ধ্যা লগনে কিছুই নাই ,
যা কিছু ছিল সব হারালো ।
সব হারায়ে পাগল হয়ে চিরতরে বিদায় নিলো।
এটাই হলো দুনিয়ার খেলা । ।।।।।
দুনিয়ার খেলায় যে আসক্ত হয়ে যাবে সে/তিনি আপন মঞ্জিলে রাস্তা হারিয়ে বাস্তুহারা বলো বা নদীর অথৈই জলে হাবো ডবো
খাওয়া । ক্ষণিকের ভালো বা ক্ষণিকের পরিচয় পরিচয় না। টাকা সম্পদ সবার প্রজন কিন্তু শত অসৎ প্রশ্নো। আমাকে বলেন
আর ছেলে/মেয়ে বলেন একবেলা খাওয়াবে আমি না করিবো না ।ছেলে/মেয়েরা না করিবে না। তবে আমার হিসাব কিতাব
দায়িত্ব নিবে না কখখনো। আমিও না।আমার জীবন আয় আমার বেয় আমার হিসাব কিতাব আপনার।ছেলে/মেয়েরা বা আত্মীয়
সজন দেখিবে মূলধন আমার নাম করেছে কি না বা কোনো ভাবে করা যায়নি।
আমারে বলেন বা সমাজ বলেন কিং বা দেশ বলেন আল্লাহ বলেন আপনা ছেলে/মেয়ে বলেন ,আমাদের দোয়া আল্লাহ রোগ মুক্ত
রোগ মুক্ত আর আল্লাহ আপনাকে জ্ঞান বুদ্ধি আর শান্তি নাজির করুক। কিন্তু আপনে আরেক জনকে ধোঁকা দিয়ে টাকা পয়সা
সম্পদ পাপের পাহার বানিয়েছেন এ পাপ আল্লাহ মাপ করিতে পারিবে না। যাকে ধোঁকা দিয়েছেন সে/তিনি মাপ না করিলে সে
পাপের ভুক্ত ভোগী হতে হবে।এই জন্য ইসলাম ধর্মে বলে ইনসান হয়ে জন্ম নিয়েছ ইনসান হয়ে থাকিয়েন, মৃত্যু বা আখেরি দিনে
দিনে ইনসান পরিচয় দিয়েন । ইনসান হলো পাক পবিত্র ইমানদার ইনসান।
।।।ইনসান।।।
নাপাক থেকে পাক হইছি পবিত্র ইনসানের রূপ ধারণ করেছি।
আমরা ইনসান পবিত্র ইনসান ইমানদার ইনসান।
আমাদের মধ্যে আছে আদর্শ ভালবাসা শ্রদ্ধা বিশ্বাস আরো
আছে ইমান ।
ভাগ্যের ছিনি মিনি খেলায় মনকে করে দুর্বল হইয়ে যায়
লোভী, লোভে হইয়ে যায় নোংরা ইনসান বা শয়তান ।
যে ইনসান লোভ লালসা ভুলে ইমান নিয়ে চলে সে হলো
আদর্শ শ্রদ্ধার পবিত্র ইনসান।
ইনসান যদি গরিব হয়ে পেটের দায়ে ভিখারি হয়, ইনসানের
কত্যর্ব হলো ভিক্ষা দিয়ে ভিখারি না বানায়ে সবাই মিলে
সাহায্য করা আল্লার কত্যর্ব হলো তার রহমতের সব দুঃখ
ভুলিয়ে দেওয়া।
বিনা স্বার্থে যে সাহায্য করিবে কুকর্ম থেকে দুরে থাকিবে
সেই হলো প্রকৃতি ইনসান।।
কলিযুগ ভয়ংকর যুগ মানুষে কাছে মানুষ মূল্য হীন বিবেক হীন। হিংসা অহংকার ব্যভিচার লোভী ।হৃদয় হীন ।কে কাকে ধোঁকা দিতে একটু
দিদা বোধ করে না। কে কার মাথার উপর উঠে কাঁঠাল খাবে ।কে কাকে মাথায় বাড়ী মেরে বড় হবে।দুনিয়াকে ভুলে যায় । যায়
ভুলে সমাজে আর্দশতা । আদর্শতা বিহীন ইনসানকে কি ইনসান বলে? নাকি দুনিয়ার ময়লা ড্রামের কাচরা? ভালো মন্দ নাম
হলো দুনিয়া।
।।দুনিয়া।।।।।
দুনিয়ার রঙে ভুলে যায় স্বর্গ।
আসা নিরাশায় কাঁদে কেনো মন?
দুনিয়া হলো ক্ষণিকের পরিচয় তা
হলে দুনিয়া নিয়ে কেনো কোলাহল?
ইনসান ইনসান যদি সমান হয়।
তাহলে ইনসান ইনসানকে নিয়ে
ছিনিমিনি খেলা কেনো হয়?
ভালোবাসা যদি স্বর্গের ফুল হয়
তাহলে ধোঁকা কেনো খায়?
এই সৌরজগতে আসমানের দুনিয়াতে দুই চোখে সামনে যা কিছু দেখা যায় ,যা দেখা যায় না, তা মানুষ জ্ঞান দ্বারা যা কিছু
বুজিতে পারে বা দুনিয়াকে দেখাতে বুঝাতে পারে তাকে আবিষ্কার বলে।মানুষের জ্ঞান অনেক সীমিত।
।।।সীমিত জ্ঞান।।।
মানুষ মানুষ মানুষের নিঃশ্বাসে নাই কোন বিশ্বাস।
মানুষ পৃথিবীতে ক্ষণস্থায়ী হলে ও বোক ভরা
আসা নিয়ে চলে সর্বক্ষণ।
মানুষ মানুষ মানুষের জ্ঞান বুদ্ধি অতি সীমিত।
মানুষের জ্ঞান বুদ্ধি দুনিয়াতে চোখে সামনে যা কি-
ছু আছে তাই দেখিতে পায় , চোখের যুতিতে যা
কিছু দেখা না যায় তা খুঁজে পাওয়া কে আবিষ্কার
বলে।কিন্তু নতুন কিছু বানাতে পারে না।রূপান্তর
করিতে পারে।
মানুষ কিন্তু এপার ও পারে ঠিকানা কেউ যানে না
কেউ যানে না।
( কোথায় থেকে আসিয়াছে কোথায় যাবে কেউ
জানে না।)
পৃথিবীতে কিছু মানুষ ভাবিতে ভাবিতে আধা ত্মন-
রায় চলে যায় পৃথিবীর কাল্পনিক জগতে তারা,
তারা ধার্মিক বলে পরিচয় দেয় । আসলে কি তারা
ধার্মিক?
আল্লাহ নবীদের মাধ্যমে যে খবর পাঠাইয়াছে সেটা-
ই হলো সর্ত।।।
দুনিয়ার মোহময় আপন রক্ত ভুলে যায়।তাইতো মানুষকে তোয়াক্কা না করে কুকর্ম করে বানায় টাকা সম্পদ। কলিযুগে টাকা
সম্পদ বড় ধর্ম।টাকা সম্পদ ভাগ করে ভাই ভাইকে। দুর করে আত্মীয় সজনকে। মানুষের পাপে ভারে বেড়ে গেছে পৃথিবী ওজন
।ভারি হইয়া গেছে আকাশের স্তর ।উপ্ত হয়ে গেছে পৃথিবী।ভুক্ত ভুগি সাধারণ মানুষ ।কুকর্ম করিতে করিতে সাহস বাড়িয়া
গেছে।ভুলে গেছে ধর্ম আল্লাহ প্রতি বিশ্বাস।ভুলে গেছে আল্লাহ শ্রদ্ধা ইবাদত বন্দেগি আস্তা। সুধু আছে সমাজকে দেখানো
সে অনেক ধার্মিক সমাজ সেবক। যে ইনসান ইনসান খুন খারাবি অত্যাচার করে সে ইনসান আল্লার ইসলামে সব চাইতে বড়
শত্রু।আল্লাহ বলেছে আখেরি দিনে দোজখে তার ঠিকানা ।মানুষকে বুঝিতে হবে এই দুনিয়া এক মুসাফির আস্তানা। একজন
আরেক জনকে খুন করে বড় হবে কিন্তু যে খুন করিবে তার মন সব সময় ছোট থাকিবে, আতঙ্কে থাকিবে। জীবন থেকে শান্তি
চলে যাবে। যে দিন মৃত্যু আসিবে সে দিন বুজিবে এই দুনিয়া এক মুসাফিরে আস্তানা।
।।।মুসাফিরে আস্তানা।।।
এ দুনিয়ায় গরিব খানা, এ দুনিয়া গরিব মুসাফিরের
আসা আকাঙ্ক্ষা ভারা মনে আস্তানা ।
তাই তো এ দুনিয়া কোলাহলের ময়দান, বাঘ বাগি-
চার সাজ ঘরের কলরবে কলতানের ধুম।
এ দুনিয়া ক্ষণিকের পরিচয় ক্ষণিকের মেহমান ।
এ দুনিয়া একটা জংশন ঘাট, এ দুনিয়া একটা পরি-
বহনের সদরঘাট,এ দুনিয়া একটা শিং পাড়া বাজারে
ইষ্টি সন ঘাট দুর থেকে এসে একটু বিশ্রাম একটু কর্ম ,
কর্ম ফল নিয়ে চলে যাওয়া।
কর্ম ফলে টিকেট কেটে যেতে হবে সময় সাথে।
কর্ম গুনে কর্ম মঞ্জিলে পৌঁছিয়ে দিবে ঠিক সময়।
পিছে ফিরে কেউ কোন দিন দেখিতে পারে নাই কোন
দিন, পারিবে না কেউ কোন দিন দেখিতে।
কোথায় থেকে আসে কোথায় যাবে কেউ জানে না
কেউ জানে না।
যাবার বেলা কেউ কেউ বলে ও যেতে পারে না কিস্তি
চলে যাচ্ছে বলে।
বেহেস্ত দোজখ যার যে ইষ্টি সন আসিলে নেমে যেতে
হবে।
কর্ম গুনে কর্ম মঞ্জিলে পৌঁছিয়ে দিবে ঠিক সময়।।।।
যদি কর্ম মঞ্জিল পেতে হলে পাক পবিত্র ইমানদার ইনসান বানতে হবে । ইনসান ইনসানে প্রতি সহানো ভুতি হতে হবে।উপকার না
করিতে পারিলে কোন কথা নাই,অপকার করিও না।সংসার আর সমাজের প্রতি শান্তি বজায়ে রাখিয়ে আল্লার প্রতি বিশ্বাস রেখে
জীবনে প্রথম থেকে শেষ দম তক পর্যন্ত আল্লাহ প্রতি ইমান এনে আল্লার আদর্শকে পালন করে আল্লাহ আলোতে আলোকিত
করা । আল্লাহ নিজে সেই ইনসানকে সারা জীবন সুখ শান্তি আর আখেরে দিনেও সাক্ষী দিবে ।এ ইনসান আমাকে জীবন ভরে
সংসার সমাজ ইমানের শহীদ রক্ষা করে ,আমাকে মনে প্রাণে বিশ্বাস করে ভালবাসার ইমানের সাথে আমার হুকুম পালন করে
ছে।আমার নুর দিয়ে এই ইনসান নিজেকে নিজে আলোকিত করিয়াছে ।তাই তো আমি চলছি প্রভুর নাম জপিতে।
।।প্রভু।।।
মন যে আমার বাস করে আল্লার দরবারে।
মন যে আমার বাস করে সৃষ্টিকর্তার ঘরে।
মন যে আমার মন মঞ্জিল সৃষ্টিকর্তার ঘর।
ভালবাসা বিশ্বাস শয়নে স্বপ্নে জাগরণে,
মন প্রদীপের আলোতে যুতি জ্যোৎস্না ।
আল্লাহ আমার দুনিয়ার আঁখেরে দিনে আসা ভরসা।
আসা ভরসা ভালবাসার মধুর সম্পক্ষ
প্রভুভক্তি শ্রদ্ধা ও আদর্শতা মন আমার।
আল্লাহ আমার আঁধারে দিবা মনের শক্তি ।
আল্লাহ বিনা জীবন মরণ বৃথা আমার মন।
তাইতো প্রভু মনে বাস করি সর্বদায় ।
তাইতো প্রভু আমার কলবে ঘড়ির কাঁটা টিক
টিক মানে আল্লাহ আল্লাহ বলে দিবা রাতি সর্বক্ষণ ।।।
।।।মাহে রমজান।।।
দীর্ঘ একটি বৎসর পরে হাঁসি মোক্ষে ভেসে উঠেছে ঐ আসমানে মাহে রমজানের চাঁদ।
বিলিয়ে দিচ্ছে মাহে রমজানের খুশী মমিনদের ঘড়ে ঘড়ে, রমজান মাহে রমজান
মোবারক হোক, , মোবারক হোক মাহে রমজান, রমজান মোবারক হোক মমিন
ইনসানদের,মোবারক হোক মমিনদের ঘরে ঘরে সবার।
দীর্ঘ একটি বৎসর পরে আবার ঐ উঠেছে আসমানে মাহে রমজানের মাসের চাঁদ, মমিন
ইনসানদের ইবাদতের মাসের চাঁদ ,আল্লার সাধে মমিন ইনসানদের সাধে এস্কের ফানা
ফিল্লার মাস এসেছে ,রোজা নামাজ ইবাদতের খুশীর সাথে আল্লার রহমতের নুর, খানা
খাজানা দরজা খুলে দিচ্ছে মমিন ইনসানদের ঘরে ঘরে ।
মমিন ইনসান রোজা নামাজ এবাদতে এস্কের ধুম আল্লার নুরে সাধে ফানা ফিল্লা হয়ে
মমিন ইনসানদের ঘরে ঘরে আল্লার নুরে নুরানিত হয়ে থাকবে সর্বক্ষণ।
অন্তর থেকে ভালবেসে রোজা নামাজ ইবাদত বন্ধে গিরি মাগরিবের সময় মমিনদের সমাজে , পরিবারবর্গ,
সাক্ষাতে ইফতার, কাঁধে কাঁধ মিলায়ে তাড়াবি পড়া কি যে আনন্দ কি যে মধুর মাস।
কি চমৎকার আনন্দ খুশী খুশী খুশীয়া, ঈদে খুশী চাইতে চমৎকার, ঈদ ঈদ ঈদ ঈদের
খুশী একদিন, রোজা নামাজ ইবাদতে খুশীয়া ৩০ দিন খুশী খুশী খুশীয়াই।
মমিন ইনসান ইবাদত কায়েম করার মাস, ইবাদত আর ক্ষমার চাওয়া মাস, আল্লাহ সাধে
এস্কের ধুনে মাস।
হোক মাহে রমজানের খুশী মমিনদের ঘড়ে ঘরে, রমজান রমজান মাহে রমজান মোবারক
হোক, মোবারক হোক, মোবারক হোক মাহে রমজান, রমজান মোব্বারক হোক মমিন
ইনসানদের, মোবারক হোক মমিনদের ঘরে ঘরে সবার হোক আল্লাহ সাথে এস্কের বন্ধন
মমিন ইনসানের সাথে।।।।।
ভুলে গেছে ভালবাসা হৃদয়ে কথা।ভালবাসা হৃদয়ের কথা বলিলে পাগল বা বেকুব পরিচিত হয়।ব্যবসা বাণিজ্য আর টাকা লেন
দেনে কথা বলিলে অনেক মজা, মনে ফুর্তি লাগে।এই টাকা কেরে নেয় অনেকের জীবন । টাকার কাছে মানুষ খুঁজে বেড়ায় ভাল
বাসার ।টাকার কাছে আছে কি ভালবাসা? যদি টাকার কাছে থাকিত ভালবাসা তাহলে মানুষে কি পরিচয়? মানুষে পরিচিত হয়
কর্ম গুনে ।মানুষে স্কুলে, কলেজে,ভার্সিটি পাস করে শিক্ষা গ্রহণ করে ।সে শিক্ষার উপর তার কর্ম ।কর্ম গুনে তার পরিচয়।
ভালো কর্ম করলে ভালো শিক্ষা করছে,খারাপ কর্ম করলে কুশিক্ষায় কুকর্ম। তাইতো সবাই বলে মানুষ মানুষে জন্য।টাকা শুধু
ব্যবসা বাণিজ্য জন্য। ব্যবসা বাণিজ্য প্রতিযোগিতা করে খাবারের মধ্যে বিষ মিলায়ে একজনে আরেক জনকে খুন করে টাকা
পাহাড় বানায়।এইটা ভুলে যায় আমি যে খাবারের মধ্যে বিষ মিলায়ে আরেক জনকে খুন করিতেছে ।সে ও তো আমাকে অন্য
খাবারে আমার পরিবারকে বিষ খাওয়ায়ে খুন করিতেছে ।। এইটা চিন্তা করে না লাভবান শুধু টাকার। টাকা না আমার না
তোমার। টাকা সম্পদ কখনো চিরস্থায়ী হয় না। আজ আমার কাছে কাল তোমার কাছে পরশুদিন আরেক জনের কাছে।সুধু নাম
পরিবর্তন ।মানুষের জীবনে এক কালে সুখ আরেক কালে দুঃখ ।টাকা যখন আসে অনেক খুশী নিয়ে আসে,বাড়ায় পাপের বোঝা।
যখন যায় তখন সংসার ও জীবন লুটে যায়। এই যে আমাদের লোভ লালসা আমাদেরকে করিতেছে ধ্বংস । করিবে ধ্বংস আনে
আলা জেনা রসন ।তাই তো আমি বলি সততা হলো ইমানে অঙ্গ।
।।।সততা।।।
মানুষ মানুষে জন্য ।
মানুষ মানুষকে করে
ছোট নিজের স্বার্থে জন্য ।
বিপদ মানুষকে দেয় শিক্ষা ।
টাকা সম্পদ বানায় লোভী ।
ভালোবাসা চাওয়া পাওয়া বড় কথা না।
ভালোবাসা সততা সাথে নিভানো বড় কথা ।
ধৈর্য মানুষকে দেয় জ্ঞান ।
ধর্ম দেয় জ্ঞান আর মনের শান্তি ।
সততা আর ইমান হলো বটবৃক্ষ ।
ইনসান ইনসান মানে সত্যতা নিয়ে থাকা ।।।।।
সততা আর ফটকা বাজি একই নদীর দুই নৌকার মাঝি ইনসানের পছন্দ, কোন ধারায় চলিবে।।
সততা হলো বটবৃক্ষ,সততা হলো একটা চমৎকার ফল,সততা হলো শান্তির প্রতীক। আর তার উল্টাটা হলো
ফটকা বাজি।
।।।ফটকা বাজি।।।
ফটকা বাজি মিথ্যা বাজি এখন আর চলবে না।
ফটকা বাজি মিথ্যা বাজি ছোট করে নিজেকে,
নষ্ট করে প্রাকৃতিক পরিবেশ, দোষী বানায় বংশ
আর বাপ দাদা নাম।
তাইতো বলি আমি ইনসানে রূপ হলো চরিত্র ।
ইনসানে কর্ম ও বংশ গুনে পরিচিত হয় ইনসান।
ফটকা বাজি মিথ্যা বাজি ক্ষণিকের বর্তমানে খুশী।
ক্ষণিকের বা বর্তমানে খুশী এই খুশী না ।
ক্ষণিকের বা বর্তমানে খুশী ভবিষ্যৎ অন্ধকার ।
ফটকা বাজি মিথ্যা বাজি ভয়ংকর একজন ইনসান।
ভয়ংকর ইনসানে থেকে সবাই দুরে সরে থাকে বা
তালে তাল মিলাকে নিজের কাজ শেষ করে চলে যায়।
ফটকা বাজি মিথ্যা বাজি নিকৃষ্ট নোংরা ইনসান ।
ইবলিস শয়তান ও লজ্জায় মোক্ষ লুকায়ে আপসোস
করে বলে আমি যে শয়তান আমি তো কিছুই না এই
সমাজের সামনে এই ধরনে লোক থাকতে আমাকে
আর কি দরকার, আল্লাহ আমাকে মাপ করো আমার
আর দরকার নাই আল্লাহ তোমার দুনিয়া ,আমার চেয়েও
বড়ো শয়তান আছে তুমিও কখনো দেখো না লজ্জা পাবে ।।
।।পৃথিবী যেমন গোল তেমনই পৃথিবীর সময় চলে একটা গোল রিং এর মধ্যে। এই রিং এর মধ্যে কুকর্ম সুকর্ম ঘোরতে থাকে ।
কখনো রিং এর উপর কখনো নিচে ঘোরতে থাকে সুকর্ম কুকর্ম। সময়ের সাথে মানুষে বিশ্বাস আর কর্ম বদলায়।পৃথিবীতে
মানুষের যা যা দরকার সবকিছু পর্যাপ্ত পরিমাণে আল্লাহ পৃথিবীর মাটিতে দিয়ে দিচ্ছে,(আল্লাহ আড়ালে বসে মানুষ কে কি
করিতেছে সবকিছু দেখিতেছে।)মানুষ সুধু খুঁজে ব্যাবহার করিবে।এই জন্য পৃথিবীতে মানুষ মানুষে মধ্যে গরিব ধনি অনেক
কোলাহল।এই কোলাহলের জন্য বেয় হচ্ছে পৃথিবীর তিন ভাগের দুইভাগ সম্পদ।বানাচ্ছে আধুনিক বন্দুক আর বোমা।ইনসান
ভয়ে পালাচ্ছে নিজের বাসস্থান ছেরে। কেউ বা পেটের ক্ষুধার অভাবে।ক্ষমতা দুঃশাসন ,পয়সা আর নাড়ী এই তিনটা পৃথিবী
ধ্বংসে মুল । কেউ কেউ অনেক টাকা সম্পদ বানায়ে বে বিচার রং মস্তি মদ মস্তিতে ভুলে যায় দিন দুনিয়া।
।।।মদ মস্তি।।।
দুনিয়ার রংমহল যে যতো রং মস্তি করলো।
ধরা পরতে হবে একদিন যেতে হবে একদিন
সেদিন বহু দুরে নাই’,দিতে হবে পরীক্ষা,
করিতে হবে পাস।
পাবে প্রাকৃতিক নিসর্গ অবাক পৃথিবী।
দুনিয়ার রং মস্তি মদ মস্তি নিয়ে যাবে অগ্নি পুরে।
অগ্নি পুরে অগ্নি রাক্ষস তোমার রক্ত মাংস দিয়ে
করিবে রং মস্তি আজীবন বুঝবে মজা সে দিন।
ভালোবাসার আপন জন মোখের লজ্জায় বলেনা
সে তো অপরিচিত একজন।
দুনিয়ার মদ মস্তি ছিনিয়ে নেয় আদর্শতা প্রেম
ভালোবাসা রেখে যায় দুর্নাম আর শূন্য খাঁচা।
যখন ইনসান মৃত্যু বরন করে তখন সামনে যাকে দেখে তাকে বলে আমি চলে গেলাম তুমিও একদিন আসবে।আর যে ব্যক্তি
মৃত্যু ব্যক্তিকে দেখে বা ইনসান মৃত্যুর খবর পায় সেও বলে তুমি চলে গেছো আমিও আসিতেছি।ইনসান মারা গেলে ক্ষণিকের
জন্য দুনিয়া ভুলে গিয়ে তার জানাযায় দাফন কাফন করে।আর তখন ইনসান ইনসানের সাথে দেখা হয়। তখনই চারো দিকে
নিস্তব্ধ প্রকৃত ভালোবাসা বয়ে বেড়ায়।মান অহংকার কিছুই থাকে না ।মানুষ যখন যে কাজ করে একবার যদি মৃত্যু কথা মনে
করে।মৃত্যুকে ভয় করে সে/তিনি কোনদিন খারাপ কাজ করিতে পারবেনা । এই ত্রিভুবনে ইনসান ইনসানের জন্য । সেই
ইনসান ইনসানের মতন হয়ে মিলেমিশে চলা নাম ইনসানিয়াত। মানুষের মনে যে দিন জাগিবে চাওয়া পাওয়া চেয়ে ইনসানে
মূল্য বেশী ।সে দিন ভুলে যাবে হিংসা বিবাদ অহংকার ।হবে একটি নতুন সুন্দর পৃথিবী।ঘড়ি কাঁটা ঘুরিতে সময় লাগে ,একটা
সুন্দর পৃথিবী বানাতে সময় লাগেনা।যেমন একটা ময়লা সার্ট পানি দিয়ে ধুইলে পরিষ্কার হয়ে যায়,তেমনই মনকে পরিষ্কার
করিলে পৃথিবী সুন্দর হইয়ে যাইবো।চোখের এক পলকে মধ্য ইমানকে পবিত্র করে ভুলে যায় কুকর্ম থেকে । হবে প্রকৃতি পৃথিবী।

।।।ধর্ম।।।
ধর্ম দেয় জ্ঞান আর মনকে দেয় শান্তি ।
কুচিন্তা করে সংসার আর সমাজকে ধ্বংস ।
সুচিন্তা বানায় সংসার আর সমাজে চার
কোনার চারটি খুঁটি ।
মানুষে মন আঁকাসের রং বুঝা বড় দায় ।
এক দিন আসে, ,যাবে এক দিন ,দুনিয়ার
মোহময় সব কিছু ভুলে যায় ।
যার মন সুন্দর তার সুকর্ম গুনে গুনি ,
আর ধর্ম গুনে জ্ঞানী গুনি সেই লোক ।।।।।
বাংলাদের রাজনীতি দেশের জন্য ক্যান্সার। রাজনীতি বিদরা এই ক্যান্সার বিলিয়ে দিচ্ছে দেশে মানুষে মধ্যে।করে দিয়েছে দেশকে
পঙ্গু। কলিযুগে জন্ম দেওয়া মা বাবাকে ভুলে যায়। খুঁজে বেড়ায় মা বাবার সম্পদ টাকা পয়সা।ভুলে যায় মা হলো আল্লাহ নুরে
রহমতে ফেরেশতা বা স্বর্গ । আর মানুষ মানুষের মধ্যে ভেদাভেদ ,মানুষ মানুষের মধ্যে কোলাহল দুনিয়ার রঙে রাঙ্গাইত ।তাই
আমি বলি মানুষ কি।
।।।মানুষ।।।
মা বাবার ভালোবাসার মিলনে ইনসান জন্ম হয়।
মা হলো জমিন বাবা হলো ফসলে বীজ ।
মা বাবার রক্তের ইনসানের রক্ত মাংসে সরিল ।
আল্লাহ স্বর্গ থেকে রুহু এনে মা বাবার রক্তের
সরিলের হৃদয়ে মধ্যে বসাইয়া দেয়।
তাইতো ইনসান প্রভু ভক্ত।
মা বাবার রক্তের ইনসানের সরিল যতদিন সুস্ত থাকে
ততদিন রুহু থাকে ,যেদিন সরিল অক্ষম হয়ে যায়
সে দিন সব শেষ, রুহু সরিল ছেরে দিয়ে চলে যায়।
আর মা বাবার রক্তের সরিল হলো পৃথিবী মাটির পৃথিবীর
মাটিতে মিলে যায়।তাই আমরা হলাম পৃথিবীর রংমহলে
মাটির পুতুল ।পৃথিবীর এক দরজা দিয়ে এসে ক্ষণিকের
জন্য ,আরেক দরজা দিয়ে চলে যায়, দেয় হিসাব নিকাস।
রুহু পৃথিবীর কোনো পদার্থ না তাই পৃথিবীর সাথে কোনো
সম্পক্ষ নাই,রুহু পৃথিবী মাটির উপর ভর বা ছুঁইতে পারে না।
তাই আল্লাহ পৃথিবীর মাটির পুতুলে ভিতর রুহু বসায় পৃথিবীতে
চলা চল করার জন্য।।।।
মানুষ আর প্রাকৃতিক নিয়ম একজন আরেক জনের সাথে মিলিত।যেখানে মানুষ আছে সেখানে ধর্ম
আর প্রাকৃতিক নিয়ম আছে। এই প্রাকৃতিক নিয়ম আছে বলে আল্লা আখেরি দিনের প্রমাণ করিবে আল্লাকে কে প্রকৃত ভাল
বাসে আল্লাহ আদর্শ পালন করেছে ।আর প্রাকৃত ইনসান প্রমাণ করিবে ।আল্লাহ নিজে মনের খুশীতে বলিবে এই ব্যক্তি আমার
সব চাইতে ভালবাসার ইনসান। তাই পৃথিবীর সবার জন্য প্রাকৃতিক নিয়ম ধার্য। আর সবাইর প্রাকৃতিক নিয়মের কাছে হার
মানতেই হবে।
।।।প্রাকৃতিক নিয়ম।।।
যখন জীবনে ইতিহাসের পাতা খুলি মন আমার অনেক তুচ্ছ লাগে ।
(মা আমার জন্য কি না করেছেন, আমি কিছুই করিতে পারলাম না)
যখন সাধ্য কাছে হার মানিতে হয় তখন আকাশ পাতাল ভেঙ্গে এক
হয়ে আমার নাকের ডগায় বসে আমি বোকা হয়ে দেখিতে থাকি।
মন আমার দুঃখ কষ্টের সরমে দরিয়ায় হাবুডুবু খেতে খেতে ডুবে যাচ্ছি।
যখন আল্লার কাছে প্রার্থনা করে দোয়া চাই আল্লাহ ছুটে পলায় আমি
সরম নিয়ে দোয়া থেকে উঠে আসি।
হয় তো বা আমি পারদর্শী না, আমি তো তোমারি বান্দা মাফ কর বা না।
যখন আকাশের দিকে দেখি খোলা মেলা আকাশটা কত ভাল লাগে।
যখন পৃথিবী প্রাকৃতিক নিয়ম দেখি মনের সাধ্যর কাছে হার মানি।
দুনিয়ার রাজা মহা রাজা অলি আউলিয়া নবী রাসূলগন পৃথিবীর
প্রাকৃতিক নিয়মে কাছে হার মেনেছে আমার মা তো একজন ইনসান।
প্রতি দিনে মতন সকালে সূর্য উঠে সন্ধ্যা অস্থ যায় কিন্তু আল্লাহ রহমতের
দোয়া আর মিলে না আর কখনো মিলবে না।
আল্লার রহমতের ফেরেশতা চিরো বিদায় নিয়ে চলে গেছে আর আসবে না।
আল্লার রহমতের ফেরেশতা হলো মা আমার মা ।।।।।
মানুষ স্বর্গ থেকে আসে পৃথিবীতে।আর আমরা দেখি মার পেটে থেকে আসে।বাবা হলো স্বর্গে ফসলে বিচ। আল্লাহ মা বাবা হাতে
সব কিছু দিয়ে দিচ্ছে।মা বাবা যে যে ধর্ম শিক্ষা দিবে।মা কখনো যানে না কে আসিতেছে ।ভালো হবে না খারাব হবে ।যাই
হোক মা পৃথিবীর চাইতে সবচাইতে আপন করে নেয়।
।।।।মা মা ও মা।।।
মা মা ও মা যখন আপনার পেটে ভূমিষ্ঠ হইছি তখন থেকে মনে
প্রাণে বিশ্বাস করে আপন করেছেন আমাকে মা মা ও মা মা।
যতন সহ কারে দুনিয়াতে জন্ম দিয়ে মা বেটা সম্পক্ষের দুয়ার
খুলে দিয়েছেন, কলিজা টুকরা করে রাখিয়াছেন আর বলিতেন
বাবা তুই যখন চোখের আড়াল হইলে তখন আমার বোকে ঘড়ি
কাটার মতন টিক টিক করে আতঙ্কে বজ্রপাত সৃষ্টি হইতো কখন
যে আসিবে আমার বোকে অপেক্ষায় থাকিতাম মা মা ও মা মা
এতো আদর ভালবাসিতেন মা মা ও মা মা মা।
মা মা ও মা গুরুজন হয়ে আদর ভালবাসা আদর্শতা বড় করে-
ছেন,এক মুহুতের জন্য ও বিরক্ত হন নাই মা,ও মা,মা,মা,ও মা।
মা,মা, ও মা,এই পৃথিবীতে আপনে সব চাইতে আপন আর
আল্লাহ রহমতে ফেরেশতা মাটির মা ছিলেন মা মা ও মা মা মা।
মা,মা,ও মা,আপনি যখন মৃত্যু মোক্ষে ঢলে পরিলেন এক মুহুতে
জন্য এক পলক আমাকে দেখিলেন আর কলেমা বলে মুক্ত হাঁসি
দিয়ে শেষ নিঃশ্বাস তেগ করিলেন,(ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইল্লাহি রা-
জিউন।)আমি আপনার পা ধরে বসে ছিলাম পরে অনেক চেষ্টা করে
ও ফিরায়ে আনিতে পারিলাম না ডাঃ এসে বলিল তিনি চলে গেছেন।
এই কথা সুনে বুজে নিলাম আল্লাহ রহমতের ফেরেশতা চলে গেলো
এই দুনিয়াতে আপন জন আর কেউ রহিল না দুঃখের কালো অন্ধ-
কারে ছায়া নেমে আসিল।যে চলে যাবে তাকে কেউ রাখিতে পারিবে
না এইটাই দুনিয়ার প্রাকৃতিক নিয়ম।
আমি জানি এই জীবনে আর দেখা হবে না,আমি জানি না মৃত্যু পর
দেখা হবে কি না।
আমি জীবনে মরণে মা/আব্বা আপনাদের অপেক্ষায় থাকিবো।
মা/আব্বা আপনাদের কথা সর্বক্ষণ মনে পরে তখন আপনাদেরকে
জানাই সালাম আর দোয়া তখন মিলে আমার মনে শান্তি মা মা ও
মা মা।
মা মা ওমা মা মা আপনাদের ভালবাসার আদর্শ অনুস্মরণ করি, মানি
আপনেরা আছেন আমার সাথে থাকিবেন আজীবন বাপ/মার আদর্শ
সন্তানদের কাছে মা/বাবা আজীবন অমর হয়ে থাকে মা ওমা মা মা।
মা মা ওমা আপনে পৃথিবীতে মধুমতী, মৃত্যুর পর অনেক কষ্ট দায়ক
এক মুহুতের জন্য ভুলে যাওয়া সম্ভব না।
এ পৃথিবী অনেক নিষ্ঠুর আপন জন ছিনিয়ে নিয়ে সুধু দুঃখ দেয়।।।।
।।।মা।।।।
মা মা মা ডাক কত মধু ।
মা মা মা তুমি প্রাকৃতিক সুন্দরে সুন্দরী ।
মা মা মা তুমি আল্লার রহমতে রহমতি ।
মা মা মা আল্লার নুরে নুরানিত নুরের
রোশনি ।
মা মা মা তুমি আল্লার পবিত্র আদর্শতা
ভালবাসা রহমতের ভাণ্ডার হাজারো গুনা
মাপ করে বাচ্চাদের অন্তরে বসায়ে হাঁসি
মোক্ষে আপন ভালবাসার শান্তি দান করে
মাথায় হাত বুলায়ে দেও।
আল্লাকে চিনতে হলে প্রথম মাকে চিনো
জানো,
তাহলে আল্লাকে চিন্তে জানতে বিশ্বাস
করিতে ভুল হবে না কখনো।
তাই তো আমি বলি আল্লার পরে মা সুধু
তুমি মা।।।
আসা নিরাশা মন মানে দুনিয়া। দুনিয়ার রংমহল। যার আসা নিরাশা শেষ তার সে দিন দুনিয়া শেষ।পৃথিবীতে আসা না থাকিত
আর মানুষে মৃত্যু না থাকিত তা হলে পৃথিবীতে মানুষ সংসারের জ্বালায় মানুষে ধোঁকা দাপাইত আর মৃত্যু চাইতো দুনিয়াকে
গৃর্ণা করিতো মানুষে মনুষ্যত্ব হারিয়ে ফেলিত। সুধু আসায় জীবনকে লম্বা করে।আসায় বাধে দুনিয়াতে বাসা,সময় মতন মৃত্যু
এসে ছিনিয়ে নেয় জীবন মানুষ টের পায় না আসলে জীবন কি। মৃত্যু আছে বলে মানুষের মনের মধ্যে আছে ভয় । আমার দেহ
থকে ছিনিয়ে
নিবে আমার জীবন।মৃত্যু কত ভয়ঙ্কর হবে আমার জন্য । বড় বড় অবাস্তব ফেরেশতারা আসিবে কি কি জিজ্ঞাসা করিবে কে
জানে? (আমার মা আর দাদা প্রমাণ দিয়েছে হঠাৎ মার সরিল কেঁপে উঠিছে ভয়ে কথা বন্ধ হয়ে গেছে ।আমি মাকে মাকে বিসানা
থেকে উঠায়ে আমার বোকে মার মথা রেখে মা মা আপনার কি হয়েছে আমি আপনার সাথে আছি।
কিছুক্ষণ পরে বলিল অনেক ভয়ংকর একটা কি যেন ।
মা অনেক কিছু দেখিত।আমাকে বলিত ।মামা বলিত তোমার মাকে দেখিতে দেও বাধা দিওনা পরকালের লোকের সাথে
মিলোক তোমার মার যাবার সময় হয়ে গেছে। আমার নানা নানীকে আব্বাকে বেশী দেখিত তবে নানা নানীকে ভয়ংকর দেখিত না।
যখন নানা নানীকে দেখিত মনে হইতো মা নানা নানীর সাথে বেহেস্তে বসে কথা বলিতাছে। মা আমাকে অনেক কথা বলতো)
কোথায় নিয়ে যাবে আমাকে। শুনেছি পরকালে আপন বা সহানু ভুতি কেউ থাকিবে না। সে দিন কি হবে আমার? মানুষ
পরকালের কথা ভেবে কি লাভ এখন ।এখন দুনিয়াতে আছি দুনিয়া দেখি দুনিয়ার আসা বাধি। তাই তো মানুষের দিনের
দিন বয়স বারে আর নিত্তই নতুন আসা বাধে কিছু কিছু পুরাতন আসা ভুলে যায়।আর এই আসা নিরাশার মধ্যে দিয়ে আল্লাহ
মাপিবে পাপ পুণ্য ।মার মমতা বাবা আদর্শতা ভুলিয়া দেয় , বারিয়ে দেয় মনে সাহস শক্তি ,দুর করে শয়তানে
প্রবঞ্চনা ।আদর্শ মা/বাবা সব সময় চায় আদর্শ সন্তান ।সংসারে ও সমাজে আদর্শতা খুশীর মুক্ত ঝরায় আর আল্লাহ রহমতের
নুরে নুরানি ত হউক , জ্বালে উঠাক আল্লার নুরে ভালবাসার আলো । আর দুনিয়া চলতে থাকিবে দুনিয়ার রংমহলে আসা
নিরাশা চলবে চলবে। কিছু দিন পর সব ভুলে যাবে ।আবার নতুন করে আসা নিরাশা সুরু হবে।
।।নিরাশা মন।।।
আসা নিরাশা মন মানে দুনিয়া। দুনিয়ার রংমহল।
আল্লা যদি আপন হইতো আমার কি এতো দুঃখ থাকিত।
আল্লা যদি ভালবাসার ছায়া দিত আমি কি রোদ পুড়ে ছাই
হইতাম?আল্লার কাছে সর্বক্ষণ দয়া ভিক্ষা কি চাইতাম? না।
আল্লাহ মালিকের কাছে ভালবাসার রহমতের সুক্রিয়া
আদায় করিতাম সর্বক্ষণ মন থেকে।হাঁ
আল্লাহ যদি রহমত থাকিত আমার কেন এই অবস্থা হবে।
যার আসা ভরসা সবকিছু হারিয়ে যায় তার কি দীন দুনি-
য়া আল্লাহ বলিতে কিছু থাকে কি?
আল্লার কাছে আমার ভালবাসার মূল্য আছে কি ?
আল্লাহ কি মানুষে মতন ফরমুলার উপর নির্ভর করে ভা-
লবাসে।
আল্লাহ কি সবাইকে ভালবাসে সবার দোয়া কি কবুল ক-
রে।(আমি জানি না)
আল্লার দয়ালু সুবিচারক ইনসানকে মেনে নিতে হবে, না
হলে পাপ হবে।।।
আবার যখন আসা নিরাশায় পাপ করিতে করিতে ভুলে যাবে ধর্ম কর্ম । চারো দিকে পাপ আর পাপ নিজেকে রক্ষার উপায় নাই
তখন প্রশ্ন আসিবে ধর্ম কি?
।।।ধর্ম।।।
ধর্ম ধর্ম ধর্ম ধর্ম কি?
ধর্ম হলো মনের বিশ্বাস।
ধর্ম দেয় জ্ঞান।
দেয় মনকে শান্তি।
যে ধর্ম শিক্ষা করে সে ধর্ম
ও কর্ম গুনে জ্ঞানী গুনি।
তাইতো বলি ধর্ম শিক্ষার
ফল দুনিয়াতে আখেরি দিনে
স্বর্গ বাস।
ইনসান পৃথিবীতে আসে মা
বাবার দ্বারা,তাইতো মা বাবা
সাথে পাওয়া যায় স্বর্গ সুভাস
সুখ শান্তি।
ইনসান পৃথিবীতে মা বাবার ধর্মে ধর্মী।
মা বাবা ভাগ্যে ভাগ্যবতী।
বড়ো হয়ে ধর্ম ও কর্ম গুনে গুণবতী।।।।।
আর যখন ধর্ম বিশ্বাস করিবে তখন বুঝিবে দুনিয়া একটা জংশন ঘাট।ক্ষণস্থায়ী একটা জাগার নাম
জংশন ঘাট বা দুনিয়া বলো আর পৃথিবী বলো ।।
।।।জংশন ঘাট।।।
ক্রান্ত মন আমার পাগল পনা দুনিয়ার তুচ্ছ ইনসান আমি।
কলিজার টুকরা বেহেস্তের ছায়া হারারে পথে পথে কাঁদি।
রুক্ষ মন ক্রান্ত মন পাগল পনা দুনিয়ার তুচ্ছ ইনসান আমি।
আপন আপন বলে ডাকা ডাকি আপন জন দুনিয়াতে
পাগল পনের আগডুম বাগডুম বলে দুনিয়ার তুচ্ছ ইনসান
বানিয়েছে আমাকে।
দুনিয়া দুনিয়া ইনসানে মোক্ষে অনেক ধুম অনেক সুর ইনসানে
অনেক প্রিয় এই দুনিয়া।
আসলে দুনিয়া একটা জংশন ঘাট তাই ইনসানের ক্ষণিকের
পরিচয় দুনিয়াতে।
ইনসান দুনিয়ার কোন পদার্থ না তাই দুনিয়ার সাথে কোন
সম্পক্ষ নাই কে আসে কে যায় দুনিয়ার কিছুই যায় আসে না ।
এই দুনিয়া আমার মা/বাবার হইতে পারিলো না আমার কি
ভাবে হবে,কখনো না, কখনো না ,কখনো হবে না আমার।
দিসে হারা হয়ে পথে পথে বসে কাঁদি আমি ।
কোথায় থেকে আসিয়াছি? আমি কি খুঁজিতেছি? কোথায় যাব????
যে ভাবে মানুষকে শিক্ষা দিবে সে সেভাবে মানুষ হবে।সুধু আল্লার হাতে রেখে দিয়েছ ভাগ্য আর মৃত্যু।মা বাবার হাতে যদি ভাগ্য
দিতো তাহলে সন্তানদের সব আসা পূরণ করিতো।তাতে সন্তানরা অকর্ম হইয়ে থাকতো পৃথিবীতে।তাইতো মা বাবা নিজে কষ্ট
করে নিজের ভাগ্য সন্তানদের বিলিয়ে দেয়। সন্তানদের মোখের হাঁসি ফুঁটায়।সন্তানদের হাঁসিতে মা বাবা হাঁসে। আর সন্তান তার
বাচ্চাদের প্রতি ঝুঁকে পরে । তবে ছেলেদের চাইতে মেয়েরা বাবা মার প্রতি ভালবাসার নজর রাখে। মা বাবার রক্ত দিয়ে সন্তানে
সরিল গঠন হয়। আল্লাহ তার ভিতর রুহু দিয়ে দেয়।এই রুহু পৃথিবী ছুঁইতে পারে না কখনো।রুহু কি?রুহু কি আঁকার ইংগিত
আছে? আল্লাহ রুহ কেনো বানাইয়াছে?কি রহস্য লোকিয়ে রাখছে। আল্লাহ মানুষ পশু পক্ষী কুটি কুটি রূপে রূপ রুহু বানিয়েছে
কেনো?রুহ যদি বাতাস হয়, বাতাসের তো কোনো রং বা আঁকার ইংগিত নাই না, কি ভাবে রুহুকে ধরিবে? কি ভাবে রুহুর
বিচার হবে?যদি বিচার না হয় তাহলে বেহেস্তের দোজখ কি দরকার?ইনসান বা পশু পক্ষী যখন মৃত্যু বরন করে তাদের রুহু কোথায়
যেয়ে থাকে?পশু পক্ষীর তো কোন বিচার নাই।কেনো অল্প সময়ের জন্য পৃথিবীতে রুহু পাঠায়েছে? রুহু হলো একটা শক্তি। তার নাই
কোনো চোখ, নাই কোনো নাক মোক্ষ, না আছে হাত পা। না আছে আকার ইঙ্গিত ,না আছে ছায়া ।সুধু একটা শক্তি । এ রুহু
আরেক দুনিয়ায় আরেক রূপে ছিলো । যখন এই দুনিয়ার মাটির তৈয়ারি ফল খেয়েছে ,তখন এই দুনিয়ায় আসিতে হইছে।যখন
এ দুনিয়ায় আসিবে তখন মানুষের রূপে মাটির পুতুলে বসায়ে দিয়েছে। মস্তকের শক্তিতে সরিল চলাফেরা করিতে পারে।আর
কলিজার শক্তি দিয়ে রক্ত সর্ব সরিলে সরবরাহ করে জীবিত রাখে ।দেয় সরিলে শক্তি। আগুন পানি বাতাস মাটি দিয়ে মাটির দেহ।
তাই তো সরিলে তাপ ঠাণ্ডা গরম রোগ বালাই হয়। যখন সরিলে রোগ বালাই জর্জরিত হয়ে যায়। কলিজার শক্তিতে মাটির দেহ ধরে
রাখিতে পরে না তখন হাওয়া বন্ধ হয়ে যায় ।মাটির সরিল রুহুকে ধরে রাখিতে পারে না ।তখন মাটির দেহ সরিল থেকে বাহির করে
দেয়।আস্তে আস্তে আগুন পানি মাটি থেকে সরে যায় ।মাটির তৈয়ারি সরিল মাটির রয়ে যায়। ।
পৃথিবী কেনো বানিয়েছে?কেনো পৃথিবীর মতন আরো গ্রহ বানায় নাই কেনো ?পৃথিবী কেনো ক্ষণস্থায়ী আস্তানা? যেনে সুনে
ক্ষণস্থায়ী দুনিয়া তার পরেও কতো মত ভেদ কোলাহল ,যদি চিরস্থায়ী সুখ নগরে কি অবস্থা হইত? মানুষ যখন মৃত্যু বরন করে
তখন সুধু মাটির দেহ মাটিতে মিলে যায়।যখন ভূমিষ্ঠ হয় মা বাবা সন্তানে পরিচয়ের জন্য নাম রাখে।এই পৃথিবীর সাথে মানুষে
কোন সম্পক্ষ
নাই।মানুষ পৃথিবীতে চিরস্থায়ী না।তাইতো মানুষ পৃথিবীতে মেহমান। ইনসান পৃথিবীতে সত্য এবং সত্যর সন্ধান খুঁজে বেড়ায় ।
কিন্তু কুচরিত্রে ধোঁকায় অনেকে রাস্তা হারায়ে সত্য থেকে অনেক দুরে চলে যায়।ভুলে যায় আল্লাহ নাম ,ইসলাম ধর্ম। ইসলাম
ধর্ম সত্য আদর্শতা শান্তির আমাদের সৃষ্টিকর্তা মুখের বানি ইসলাম ধর্ম হরজত মোহাম্মদ (সঃ) মাধ্যমে দুনিয়াতে পাঠাইয়াছে।
ইসলাম ধর্ম সত্য আদর্শতা শান্তি ধর্ম তাইতো দুনিয়াতে সব চেয়ে বেশী ভাগ ইনসানের ধর্ম ইসলাম ধর্ম। । । এটা ভুলে গেছে
সত্য কোন দিন ছোট হয় না । মুসলমান ধর্ম যে দিন ইনসান বুজিতে পারিবে সে দিন বিশ্বাস করে ইসলাম গ্রহণ করিবে। সে
দিন দুরে না।প্রকৃত মুসলমান সেই লোক যে সততা আদর্শতা ভালবাসার নিয়ে হাঁসি মোক্ষে ইনসানের বা সমাজের সাথে
মিলে মিসে চলে। কুসংস্কার বা খুন খারাব থেকে বিরত থাকে আমি তুমি একজন ইনসান বানাইতে পারিবো না তবে খুন করিবো
কেনো। খুন করা মহাপাপ ।ইনসান ইনসান ইনসানিয়াত বা সু সমাজ গঠন করে সে দিন হবে ইসলাম ধর্ম সার্থকতা ইনসান,
খুশী দুনিয়া ,খুশী ইসলাম, খুশী আল্লাহ ।
।।।দয়াল আল্লাহ।।।
দয়াল আমার দীন ইসলাম, দীনের নবী (হঃ)
(মোঃ) (সাঃ) ।
দীন ইসলাম আমার এই জীবনের ভবো তরী ,
দীন ইসলামের নবী (হঃ) (মোঃ)(সাঃ) হলো
পবনে বৈঠা ,আমি ইনসান হলাম ইসলামের
তরীর সোয়ারি।
দয়াল আমার রহমানে রাহিম তান মানের
শান্তি ছোঁয়া।
দীন ইসলাম আমার আধারে যুতি জ্যোৎস্না প-
থের নিশানা দীন দয়াল আল্লাহ হলো আমাদে-
র ঠিকানা।
দয়াল আমার আসা ভরসা তাই তো দয়ালের
দোয়ার ভিখারি আমরা।
আমরা ইনসান দয়াল আল্লার রহমতে জীবন
ধারি।।।।
আসেন আমরা সবাই মিলে দুদিনের দুনিয়া ছেরে ইসলামের তরীতে উঠে এই পৃথিবীতে কালকের আখেরে দিনের ইনসান বানি

।।।ইসলামের তরী।।।
চলছি আমি ইসলামে তরীতে, যাবো আমি সুখ নগরে।
আঁকা বাঁকা নদী, কখনো উথাল পাতাল ঢেউ, ঝড় তুফান ,
পানির লের সেঁওলার ভিটা ভেদ করে যাবো আমি সুখ নগরে।
ইসলামের তরীতে তোমরা কেউ বিশ্বাস করে পারি দিবা
নদী ,পৌছিয়ে যাবা শান্তিনগর শুঁখ নগরে।
শান্তিনগর সুখ নগর প্রকৃতি ভরপুর মধুময় অপরূপ দুনিয়া।
অপরূপ দুনিয়া যেতে হলে ইসলামের তরীতে উঠিতে হবে।
করিতে হবে মন সাদা, পালন করিতে হবে সৃষ্টিকর্তা আদর্শতা,
করিতে হবে সৃষ্টিকর্তাকে সরণ, আদায় করতে হবে সুক্রিয়া
পাঞ্জেগানা ,ভুলতে হবে দুনিয়ার মোহময়।
এই জগতে সৃষ্টিকর্তা হলো আমাদের আল্লা আল্লা আল্লা।
যার মন সাদা উঠে যান ইসলামে তরীতে খুশীতে ভরে দিন
সৃষ্টিকর্তা মন, ভরে উঠুক খুশীর হাঁসির সৌরভ সৃষ্টিকর্তা অন্তর।
সৃষ্টিকর্তা হাঁসি মোক্ষে কোলে তুলে পৌঁচে দিব সুখ নগরে।
তাই তো চলছি আমি ইসলামে তরীতে যাব আমি সুখ নগরে।।।।
আসেন আল্লা এক মনে প্রাণে বিশ্বাস করি ইমানকে শক্ত করি।আল্লাহ আদর্শকে পালন করে আল্লাহ খুশী করি।আল্লাহ কে তার
কি রূপ ।কেউ কেউ বলে আল্লাকে না দেখে আল্লাহ বলিতে কিছু নাই।আমি বলি আল্লাহ এক শক্তি বা লাইট । স চোখে দেখা যায়
না। সুধু আল্লাহ প্রতি ইমান এনে পাপ মুছন করে মানুষকে সমমান করে বা আল্লার সৃষ্টিকে ভালোবাসে আল্লাহ নামে ধ্যান
করে তখন আল্লাহ নুর দেখিতে পারিবে।আর আল্লার বাসস্থান অন্য জগতে আমাদের মতন মানুষ না তাই আল্লাকে দেখিতে পারে
না কেউ। মানুষে রুহু কেউ দেখিতে পারে ।
।।।আল্লা এক।।।
(আউজযু বিল্লাহি মিনাশ সাইত্বোয়ানির রাজীম
বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম)।
ছোবা হান আল্লা আল হামদুলিল্লা লা ইলাহা
ইল্লাল্লাহ ।
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ মুহাম্মদুর রাসূলুল্লাহ (সঃ)।
দোষ মোহাম্মদ (সঃ) লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ।
লা ইলাহি ইল্লাল্লাহ মোহাম্মদ রাসূলুল্লা (সঃ)।
গাইবের মালিক তুমি আল্লা লা ইলাহি ইল্লাল্লাহ ।
লা ইলাহি ইল্লাল্লাহ মোহাম্মদের রাসূলুল্লা (সঃ)।
রহমতের মালিক তুমি আল্লা লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ ।
লা ইলাহি ইল্লাল্লাহ মোহাম্মদে রাসুলুল্লা (সঃ)।
দিন দুনিয়ার মালিক তুমি আল্লা লা ইলাহি ইল্লাল্লাহ ।
লা ইলাহি ইল্লাল্লাহ মোহাম্মদের রাসূলুল্লা (সঃ)।
ক্ষমা মার্জনা করার মালিক তুমি আল্লা লা ইলাহি
ইল্লাল্লাহ ।
লা ইলাহি ইল্লাল্লাহ মোহাম্মদের রাসূলুল্লা (সঃ)।
জিবের জীবন অতীত পবন তুমি আল্লা
লা ইলাহি ইল্লাল্লাহ ।
লা ইলাহি ইল্লাল্লাহ মোহাম্মদের রাসূলুল্লা (সঃ)।
কোরান নাজির করে প্রমাণ করেছ তুমি আল্লা
লা ইলাহি ইল্লাল্লাহ
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ মোহাম্মদের রাসূলুল্লা (সঃ)।।।।
যখন ইসলামে তরীতে চলিবেন তখন বুঝিবেন আল্লাহ মহান। মিলবে মনে শান্তি আর শক্তি। পারি দিবেন অতি সহজে পাহাড় পর্বত
হাতের নাগালে আপনার মঞ্জিল।
।।।মহান আল্লা।।।।
আল্লা আল্লা আল্লা আল্লা আল্লা দীন
দুনিয়ার মালিক তুমি আল্লা ।
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ মুহাম্মদর রাসূ-
লুল্লাহ (সঃ)।।
আল্লা আল্লা আল্লা তুমি পৃথিবী বানা-
য়ে প্রাকৃতিক রূপে রূপসী সাজে সা-
জায়ে ইনসানকে হৃদয় জ্ঞান বুদ্ধি রূ-
পে রূপসী বানায়ে প্রাকৃতিক দুনিয়া
পাঠায়ে দিয়েছ।
আল্লা আল্লা আল্লা তুমি ইনসানকে
আপন করে হৃদয় আর জ্ঞান বুদ্ধি দি-
য়ে দিচ্ছ, যাতে করে দুনিয়া প্রতিটা
মুহুতকে আপন করে জয় করিতে
পারে শেষ দম তক, আনন্দ ফুর্তি
আর আল্লার প্রতিটা নিয়ামত উপভো-
গ করিতে পারে আপন মনে, আর
ইনসান আল্লা কাছে সুক্রিয়া আদায়
করিবে সর্বক্ষণ।
আল্লা আল্লা আল্লা তুমি ইনসানকে আ-
গের দুনিয়া পিছের দুনিয়া সম্বন্ধে কিছু
ঐ মনে রাখিতে দেওনাই সুধু নবী রাসূ-
লুল্লাহ মারফত জানিয়েছ।
আল্লা আল্লা আল্লা তুমি এক অ দ্বিতীয়
অতি মহান।।।।।

।।।বন্ধু।।।
ওগো বন্ধু প্রাণের বন্ধু দেও ওগো সারা ,দেও ওগো সারা ।
হাঁসি মোখের বন্ধু আমার লুকিয়ে গেছো ,তুমি চোখের
আড়াল হইও মনের আড়াল হইও না কখনো তুমি।
ক্ষণিকের জন্য লুকোচুরি কখনো মেঘ বৃষ্টি ,কখনো রশ্মির
ঝিল মিল বা কি সুন্দর নীলা খেলা তোমার।
তোমারি নীলা খেলার তোমারি হাতের মাটির খেলনার পুতু-
ল আমরা, তোমারি খেলার সাথী আমরা ।
খেলা খেলা কেটে দিব জীবনে সবটুকু বেলা ,তোমারি খেলায়
খেলায় আমাদের সুখ দুঃখের বেলা শেষে যেন তোমারি বোকে
আমার মাথা রেখে তোমারা হাঁসি মোক্ষ দেখে চির বিদায়
নিতে পারি এত টুকু আসা আমার।
আসা ভরসা জীবন মরণ তোমার হাতে নীলা খেলা।
তোমার নীলা খেলা অন্তরের শান্তির হাতে মাটির পুতুল আমরা।
তোমারি নীলা খেলা আমরা মাটির পুতুল জ্বলে পুড়ে আঙ্গার
হয়ে যাই তবও তোমারি নীলা খেলা বুজা বড় দায় ।
বন্ধু তুমি অন্তর জামিন তুমি অতীত পবন তাইতো আমাদের
চোখের আড়ালে থেকে ইশারাতে আমাদের নিয়ে খেলা করো তুমি।
চোখের আড়ালে পাতার আড়ালে ভালবাসার খেলার সাথী আমার ।
ভালবাসার খেলার সাথী বন্ধু তুমি অতি প্রিয় সুজন আমার ।
ভালবেসে খেলায় খেলায় দুঃখ বেদনা পারি দিয়ে, তোমার সাথে
এস্কের ফানা ফিল্লা হয়ে যেতে চাই।
তাইতো আমি বলি তুমি সবচেয়ে প্রিয় বন্ধু আমার ।।।
।।।মন প্রদীপ।।।
বন্ধু আমার পিরীতে বাহার।
বন্ধু আমার জীবন, আমি হ-
লাম বন্ধুর জীবনে ছায়া।
বন্ধু আমার পিরীতে বাহার।
আমি হলাম পেলে ইষ্টি শন,
আমার বন্ধুর মনে যে খেলা
খেলিতে চায় সে খেলা খেলে।
বন্ধু আমার পিরীতে মন তরী,
আমি হলাম পিরীতে তরীর
সোয়ারি।
বন্ধু আমার দীন দুনিয়া মা-
লিক।
বন্ধু আমার বন্ধু ,বন্ধু আমার
চির জীবন সাথী, বন্ধু আমার
দীন দুনিয়ার আখেরে দিনের
আসা ভরসা ।
বন্ধু আমার বন্ধু ভালবাসার
শ্রদ্ধার ভক্তির আদর্শ তা মন
মিতালির পাত্র।
বন্ধু আমার মন মিতালির এ-
স্কের ফানা ফিল্লা ধুম।
বন্ধু আমার আধারে দিবা ব-
ন্ধু আমার মন প্রদীপ ।।।।

।।।।।সমাপ্ত।।।।